Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> সংক্ষেপে

পাকিস্তান দিবস যেভাবে হয়ে উঠল পাকিস্তান প্রতিরোধ দিবস

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ২৩ মার্চ ২০২৬, ১০: ৪৩
পাকিস্তান দিবস যেভাবে হয়ে উঠল পাকিস্তান প্রতিরোধ দিবস

বাংলাদেশের ইতিহাসে যতগুলো গুরুত্বপূর্ণ তারিখ আছে, তার মধ্যে ২৩ মার্চ একটা। ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ লাহোরে অল ইন্ডিয়া মুসলিম লীগের অধিবেশনে আনুষ্ঠানিকভাবে এক প্রস্তাব তুলে ধরা হয়, যেখানে বলা হয়–ভারত মূলত হিন্দু ও মুসলিম নামের দুটি আলাদা জাতি নিয়ে গঠিত। তারা দাবি করে, এই দুই ‘জাতি’ একই দেশের অংশ হতে পারে না। এমনকি তাদের মধ্যে এক সঙ্গে খাওয়া-দাওয়া বা বৈবাহিক সম্পর্কও সম্ভব নয়।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

পাশ্চাত্য শিক্ষায় শিক্ষিত আইনজীবী মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ঠিক এমনটাই বিশ্বাস করতেন। ১৯৪০ সালের মধ্যে তিনি নিজেকে উপমহাদেশের মুসলমানদের ত্রাতা হিসেবে নতুনভাবে প্রতিষ্ঠিত করেন। সেই অবস্থান থেকেই তিনি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছান যে, এই দুটি আলাদা জাতির স্বার্থে ভারতের ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক বিভাজন প্রয়োজন। আর এভাবেই জন্ম নেয় তথাকথিত দ্বিজাতি তত্ত্ব। তারই ধারাবাহিকতায় ১৯৪৭ সালে জন্ম নেয় ভারত ও পাকিস্তান নামে দুই আলাদা দেশ।

ইতিহাসের এক অদ্ভুত পরিহাস লুকিয়ে আছে এই দিনটিতে। ব্যবধান ৩১ বছরের। ১৯৪০ সালের যে ২৩ মার্চে লাহোরে পাকিস্তান রাষ্ট্রের কাঠামো রচিত হয়েছিল, ৩১ বছর পর ১৯৭১ সালের ২৩ মার্চেই সেই রাষ্ট্র কাঠামো প্রত্যাখান করেছিল বাঙালিরা। পরিহাসটা হলো বাঙালিদের রায়েই ১৯৪৭ সালে বাস্তব হয়েছিল জিন্নাহর পাকিস্তান রাষ্ট্রের স্বপ্ন।

১৯৪৭ সালে জন্মের পর থেকেই ২৩ মার্চ তারিখটাকে পাকিস্তান রাষ্ট্র বিশেষভাবে স্মরণ করে। দিনটা পাকিস্তানের জাতীয় দিবস—পাকিস্তান দিবস। অথচ, ১৯৭১ সালের ২৩ মার্চ স্বাধিকারের লক্ষ্যে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ বাঙালিরা সেই দিনটিকেই পরিণত করেছিল ‘প্রতিরোধ দিবস’। সাতচল্লিশ–পরবর্তী পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় নিয়মের ব্যত্যয় ঘটিয়ে ঢাকায় সেদিনের দৃশ্যপট ছিল একেবারেই ভিন্ন। পূর্ব পাকিস্তানের কোথাও সেদিন পাকিস্তানের জাতীয় পতাকা ওড়েনি। ঢাকা টেলিভিশনে বাজেনি পাকিস্তানের জাতীয় সংগীত। ঢাকার বাড়ি বাড়িতে উড়েছিল স্বাধীন বাংলার লাল–সবুজের বুকে হলুদ মানচিত্র আঁকা পতাকা। আর এদিনই যুক্ত পাকিস্তানের কবর রচিত হয়ে গিয়েছিল।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

তরুণ বয়সে পাকিস্তান আন্দোলনের কর্মী ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান। সেই শেখ মুজিবই ১৯৭১ সালে এসে বাঙালির স্বাধিকারের নেতা হয়ে উঠেছিলেন। তাঁর নেতৃত্বেই স্বাধীনতার দাবিতে এককাট্টা ছিল মুক্তিপাগল বাঙালিরা। শেখ মুজিব ১৯৭১ সালের ২৩ মার্চ এক চমকপ্রদ ঘটনার জন্ম দিয়েছিলেন। পাকিস্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় অংশ নিতে তিনি যখন প্রেসিডেন্ট হাউজে যাচ্ছিলেন, তখন তাঁর গাড়িতে উড়ছিল স্বাধীন বাংলার পতাকা। এসব ইতিহাসের পরিহাস ছাড়া আর কী হতে পারে!

১৯৬৬ সালে লাহোরেই ছয় দফা প্রস্তাব উত্থাপন করেছিলেন শেখ মুজিব, যেখানে প্রথমবারের মতো তোলা হয় পূর্ব পাকিস্তানের প্রাদেশিক স্বায়ত্ত্বশাসনের প্রস্তাব। মূলত এই প্রস্তাবেই স্বাধীন বাংলাদেশের চূড়ান্ত অভ্যুদয়ের ব্যাপারটি ছিল। আরও মজার বিষয় হলো ১৯৪০ সালে পাকিস্তানকে গড়ার প্রস্তাব, আর ১৯৬৬ সালে পাকিস্তানের রাষ্ট্রকাঠামোকে ভেঙে ফেলার দুটি প্রস্তাবই দেওয়া হয়েছিল লাহোরে।

১৯৭১ সালের মার্চ মাসে সেই বিশ্বাসকে চূড়ান্ত প্রত্যাখ্যান করা হয়—যেখানে বলা হয়েছিল–হিন্দু ও মুসলিম দুটি ভিন্ন জাতি এবং তারা একই ভূখণ্ডে শান্তিতে থাকতে পারে না। ১৯৪৭ থেকে ১৯৭১, মাত্র ২৪ বছরেই জিন্নাহর দ্বি-জাতি তত্ত্ব প্রত্যাখ্যান করেছিল যুক্ত পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ জাতিগোষ্ঠী বাঙালিরা। এক সময় পাকিস্তানের স্বপ্নের বিভোর বাঙালিরা ততদিনে বুঝে গিয়েছিল ধর্মের ভিত্তিতে গঠিত হলেই রাষ্ট্র শোষণ ও নিপীড়ন থেকে মুক্তির নিশ্চয়তা দেয় না।

২৩ মার্চ ১৯৭১, বাঙালির প্রতিরোধ দিবসে বাড়ি বাড়ি পতাকা উড়েছিল স্বাধীন বাংলার। সেদিন ঢাকা টেলিভিশনে বাঙালি কর্মীরা আরেকটি চমকপ্রদ ঘটনার জন্ম দিয়েছিল। সেদিন পাকিস্তান টেলিভিশনের ঢাকা কেন্দ্রের দর্শকেরা অবাক বিস্ময়ে আর আনন্দ নিয়ে উপভোগ করেছিলেন বাঙালি জাতীয়তাবাদের চেতনায় উদ্দীপ্ত অনুষ্ঠানমালা। সেদিনের অধিবেশনের সমাপ্তি ঘোষণার সময় হয়ে গেলেও অনুষ্ঠান শেষই হচ্ছিল না। রাত বারোটা পেরিয়ে ক্যালেন্ডারের পাতায় যখন তারিখটা ২৪ মার্চ, তখনই অধিবেশন শেষের ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। আর নিয়মমতো বেজেছিল পাকিস্তানের জাতীয় সংগীত। টেলিভিশনের বাঙালি কর্মীরা ২৩ মার্চ প্রতিরোধ দিবসে পাকিস্তানের জাতীয় সংগীত বাজাতে চাননি। পাকিস্তানের রাষ্ট্রকাঠামোকে প্রত্যাখান করে বাংলাদেশের ঘোষণাটাই যেন হয়ে গিয়েছিল পাকিস্তান টেলিভিশনের ঢাকা কেন্দ্রে।

বিষয়: পাকিস্তানবঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানস্বাধীনইতিহাসের এই দিনেমুক্তিযুদ্ধ
সর্বশেষ
  • ১

    সিএমএসএমই খাতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনআরবি ব্যাংকের চুক্তি

  • ২

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ৩

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৪

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৫

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

সম্পর্কিত
  • উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

    পদত্যাগকারী প্রভোস্ট অধ্যাপক মো. কাউছার হোসেন বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসনিক পরিস্থিতিতে শিক্ষার পরিবেশ ও শৃঙ্খলা রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। এ কারণে আমরা প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াতে বাধ্য হয়েছি।” তবে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন উপাচার্য।

  • ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজ বৃহস্পতিবার ইসি জানিয়েছে, আগামী ২৯ অক্টোবর এ আসনে উপনির্বাচন হবে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বাধীন কমিশন তফসিল চূড়ান্ত করার পর ইসি সচিব আখতার আহমেদ তা ঘোষণা করেন। তফসিল অনুযায়ী, রিটার্নিং ক

  • হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

    জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকার কাফরুল থানার হত্যা মামলায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে আদালত। আজ বৃহস্পতিবার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিদারুল আলম তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন।

  • মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

    শান্তর মামা মিরাজ অভিযোগ করেন, দীর্ঘ সময় নদীর পাড়ে এভাবে বাঁধা অবস্থায় থাকলে জোয়ারের পানিতে ডুবে শান্ত মারা যেতে পারতেন। পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে নদীর পাড়ে রশি দিয়ে হাত-পা ও মুখ বেঁধে রেখে যাওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।