
সন্ধ্যা ৭টায় রাতের খাবার খেয়ে যদি রাত ১টা পর্যন্ত জেগে থাকেন, তবে আবার ক্ষুধা লাগা স্বাভাবিক। তখন অনেকেই দ্বিতীয় দফা খাবার খেয়ে ফেলেন। এই অভ্যাসটি হালকা মনে করলেও ধীরে ধীরে এটি ক্ষুধার সংকেত, ঘুমের মান এবং এমনকি ওজনের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে বলে সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ঘুম থেকে ওঠার পর শরীর কিছুটা পানিশূন্য থাকে। এমন অবস্থায় পানি বা ক্যাফেইনযুক্ত পানীয়ের বদলে ডাবের পানি পান করলে দ্রুত সেটি শরীরের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে পারে বলে মত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

শরীরের বিভিন্ন প্রয়োজন চিন্তা করে সারাবিশ্বে অনেক ধরনের ডায়েট প্রচলিত আছে। এরমধ্যে একটি হলো লায়ন ডায়েট। এই ডায়েটে শুধু নির্দিষ্ট কিছু প্রাণীর মাংস-যেমন ভেড়া, বাইসন ও হরিণ খাওয়া হয়।

পুষ্টিহীনতার এসব লক্ষণ যদি নিয়মিত দেখা দেয়, তবে খাদ্যাভ্যাসে নজর দেওয়া জরুরি। প্রতিদিন ফল, শাকসবজি, আমিষ, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ও যথেষ্ট পানি রাখলে ধীরে ধীরে শরীর তার ভারসাম্য ফিরে পায়।

গুড় শুধু এক ধরনের মিষ্টি নয়—এটিকে বলা চলে পুষ্টির ভাণ্ডার। পরিশোধিত চিনির মতো গুড়ে এত বেশি ক্যালরি নেই; বরং গুড়ে রয়েছে আয়রন, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম ও ক্যালসিয়াম। তাই যারা মিষ্টির সঙ্গে সঙ্গে প্রয়োজনীয় খনিজও পেতে চান, তাদের জন্য গুড় তুলনামূলক ভালো।

সবসময় তাজা খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। বাসি খাবার ফ্রিজে রাখলে বা পুনরায় গরম করলে এর পুষ্টিগুণ কমে যায় এবং এর স্বাদও নষ্ট হয়ে যায়। তবে কিছু খাবার আছে যা বাসি হয়ে যাওয়ার পরও সুস্বাদু এবং পুষ্টিকর হয়ে থাকে।