
দুপুরে মা ও শিশুকে আদালতে হাজির করা হলে মামলাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৯ এ শুনানির জন্য পাঠানো হয়। আদালতে ভিডিও ফুটেজ উপস্থাপন করা হলে বিচারক অভিযুক্ত নারীকে মানসিক চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দেন।

পুলিশ জানায়, অভিযুক্ত মঈনুদ্দিন একজন করপোরেট ট্রেইনার এবং পাশাপাশি রাজধানীর একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন।

একটি পণ্যের ফটোশুটের কথা বলে জাহিদ ভুক্তভোগীকে তার গুলশানের বাসায় যেতে বলেন। সেখানে যাওয়ার পর অভিযুক্ত তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে শারীরিকভাবে স্পর্শ করে যৌন নিপীড়ন ও শ্লীলতাহানি করেন বলে অভিযোগ করা হয়।

সারা দেশে নারী-শিশু নির্যাতন ও ধর্ষণের দ্রুত বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ নারীমুক্তি কেন্দ্র। ২৮ ফেব্রুয়ারি শনিবার সকালে প্রেসক্লাবের সামনে এই বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধ না হলে কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারি দেন তারা। ভিডিও: মাহিন আরাফাত

এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক হলে আসামি তোফায়েল ওই তরুণীকে প্রেমের প্রস্তাব দেন। তবে তরুণী রাজি না হলে তাকে বিয়ের জন্য ফুঁসলিয়ে প্রেমের প্রস্তাবে রাজি করেন। এক পর্যায়ে গত বছরের ৩১ জানুয়ারি তাকে স্ত্রী পরিচয়ে গুলশানের একটি হোটেলে নেন।