
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য শান্তি চুক্তির ব্যাপারে ইতিবাচক অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে। এই আভাসের মধ্যেই আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দামে বড় পতন ঘটেছে। আজ সোমবার তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৫ ডলারের বেশি কমেছে। এর মধ্য দিয়ে গত দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে দাম।
টেক্সাসের উপকূল থেকে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী স্টারশিপ ভি৩ রকেটের ঐতিহাসিক দ্বাদশ টেস্ট ফ্লাইট সফলভাবে উৎক্ষেপণ করল স্পেসএক্স। মহাকাশে সফলভাবে স্যাটেলাইট মোতায়েনের পর ভারত মহাসাগরে নিয়ন্ত্রিত অবতরণের ঠিক পরপরই এক তীব্র বিস্ফোরণে ফেটে পড়ে পুরো মহাকাশযানটি। তবে ১.৭৫ ট্রিলিয়ন ডলারের রেকর্ড আইপিওর ঠিক ত

আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম আউন্স প্রতি ৫,৬০০ ডলার থেকে কমে ৪,৫০০ ডলারে নেমে আসায় দেশের বাজারেও এর বড় প্রভাব পড়েছে। মার্কিন ডলারের শক্তিশালী অবস্থান, বন্ডের মুনাফা বৃদ্ধি এবং বড় বিনিয়োগকারীদের প্রফিট বুকিংয়ের কারণেই মূলত সোনার বাজারে এই ধস নেমেছে।

পিডিবি প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের পাইকারি দাম ১ টাকা ২০ পয়সা থেকে ১ টাকা ৫০ পয়সা পর্যন্ত, অর্থাৎ ১৭ থেকে ২১ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে। একই সঙ্গে পিজিসিবি সঞ্চালন চার্জ ইউনিটপ্রতি ৩০-৩১ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৪৮-৪৯ পয়সা করার প্রস্তাব করেছে।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে হিসাব করা ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ রয়েছে ২৯ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন ডলার।

এ নিয়ে চলতি মে মাসে বাংলাদেশ ব্যাংকের মোট ডলার কেনার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৭ কোটি ডলারে। আর ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কেন্দ্রীয় ব্যাংক মোট প্রায় ৫৮৪ কোটি ডলার কিনেছে।

বৈদেশিক মুদ্রাবাজার স্থিতিশীল রাখতে আবারও ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আজ সোমবার একটি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ৪ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার কেনে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। প্রতি ডলারের দাম ধরা হয়েছে ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা।

অর্থনীতিবিদরা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই পদক্ষেপকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, বাজারে ডলারের তাৎক্ষণিক অস্থিরতা কমে আসা এবং নিয়মিত ডলার কেনা ইঙ্গিত দেয় যে মুদ্রাবাজার এখন অনেকটা ভারসাম্যপূর্ণ।

প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাঠানো বৈদেশিক মুদ্রার অব্যাহত প্রবাহের ফলে চলতি বছরের এপ্রিলে দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করেছে।

রেমিট্যান্স বাড়লে ডলারের সরবরাহ বাড়ে, যা বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখতে সহায়ক হতে পারে এবং আমদানি ব্যয় মেটাতে কিছুটা সুবিধা দেয়। তবে রপ্তানি আয়, আমদানি ব্যয় ও বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের চাপসহ সামগ্রিক সূচকের ওপরই বৈদেশিক মুদ্রাবাজারের স্থিতি নির্ভর করে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২১ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৫,১২৫.৯০ মিলিয়ন ডলার। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)-এর হিসাব পদ্ধতি ‘বিপিএম-৬’ অনুযায়ী, বাংলাদেশে বর্তমান রিজার্ভের পরিমাণ ৩০.৪৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
দেশের অর্থনীতিই বড় চ্যালেঞ্জ। অর্থমন্ত্রী কি পারবেন এতে নেতৃত্ব দিতে? আগামী ৫ বছরে মূল ও সুদ মিলিয়ে ২৬ বিলিয়ন ডলার কি বাংলাদেশ পরিশোধ করতে পারবে? দ্রব্যমূল্য থেকে শুরু করে কর্মসংস্থান–এত চ্যালেঞ্জ কি বিএনপি সরকার মোকাবিলা করতে পারবে? ইরান যু*দ্ধের কী অভিঘাত পড়বে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে?

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) বাংলাদেশের ঋণ কার্যক্রমের মুলতুবি থাকা কিস্তি ছাড়ের বিষয়ে এখনো কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা জানায়নি।

উপদেষ্টা বলেন, “আমরা উত্তরাধিকার সূত্রে একটি ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থনীতি পেয়েছি। আমাদের লক্ষ্য বন্ধ কলকারখানা চালু করা এবং সিএমএসএমই খাতের বিকাশ ঘটানো। আমরা চাই ডিসিসিআই ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের চ্যাম্পিয়ন হোক।”

উপদেষ্টা বলেন, “আমরা উত্তরাধিকার সূত্রে একটি ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থনীতি পেয়েছি। আমাদের লক্ষ্য বন্ধ কলকারখানা চালু করা এবং সিএমএসএমই খাতের বিকাশ ঘটানো। আমরা চাই ডিসিসিআই ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের চ্যাম্পিয়ন হোক।”