জনসংখ্যা

ভারতে ফার্টিলিটি রেট কমছে কেন?
ভারতে এই প্রথমবার উর্বরতার হার জনসংখ্যা সংকোচন রোধের জন্য প্রয়োজনীয় সীমার নিচে নেমে গেছে। যা ভবিষ্যতে শ্রমিকের ঘাটতি এবং বার্ধক্যজনিত সমাজ নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

বিয়ের প্রতি আগ্রহ কমছেই, চীনে হচ্ছে কী
মন্ত্রণালয় বলছে, বর্তমানে চীনে বিয়ে নিবন্ধনের হার ২০১৭ সালের তুলনায় প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে, যা দেশটির ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যাগত সংকটকে আরও ঘনীভূত করছে।

মুক্তির যাত্রা অব্যাহত রাখতে দরকার শিক্ষা সংস্কার
স্বাধীন বাংলাদেশের একটি বড় শক্তি হলো–আমাদের বিশাল জনসংখ্যা। অনেকে এটিকে চাপ হিসেবে দেখলেও আমার কাছে এটি আশীর্বাদ। এই জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তর করতে পারলে দেশ এগিয়ে যাবে প্রবল গতিতে—আমাদের আর থামিয়ে রাখা যাবে না।

ভারত: সন্তান নিয়ে কড়াকড়ি না কামড়াকামড়ি!
আইন অনুযায়ী, চলতি বছরেই ভারতের জাতীয় সংসদের আসন বৃদ্ধির কথা। কিন্তু হচ্ছে না। কারণ, কোভিডের জন্য ২০২১ সালে জনগণনা হয়নি। ২০২৭ সালের মধ্যে জনগণনা শেষ হওয়ার কথা। তারপরই হতে পারে আসন পুনর্বিন্যাস বা ডিলিমিটেশন। যখনই হোক দক্ষিণ ভারতের গুরুত্ব কমার আশঙ্কা প্রবল।

প্রতি বছর জন্মানো নবজাতকের সংখ্যা নিয়ে উদ্বেগ
বাসস জানিয়েছে, দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়টিও আলোচনায় উঠে এসেছে। এক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, প্রতিবছর ৩৪ লাখ নবজাতক জন্ম গ্রহণ করে।

টানা ৮ বছর কমার পর কোরিয়ার জন্মহার বাড়ছে
টানা পতনের পর অবশেষে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়ার জন্মহার। বিবাহ বৃদ্ধি ও নীতিগত সহায়তায় শুরু হয়েছে নতুন আশার অধ্যায়।এই পরিবর্তন কি এশিয়ার জনসংখ্যা সংকটে নতুন দিশা দেখাবে?

আসুন, মানবজাতিকে বাঁচাই
যদি আজ এই সমস্যাকে গুরুত্ব না দিয়ে কেবল সান্ত্বনামূলক যুক্তির পেছনে সবাই লুকিয়ে থাকে, তবে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এক জনশূন্য ও জরাজীর্ণ পৃথিবীর সম্মুখীন হবে। চীনের চোখ ধাঁধানো বুলেট ট্রেন বা রোবট ওয়েটাররা হয়তো থাকবে, কিন্তু সেগুলো উপভোগ করার মতো মানুষ থাকবে না।

ভর্তুকির পরও সন্তান নিচ্ছে না কেন চীনারা?
হঠাৎ করে জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রীর ওপর কড় আরোপ করেছে চীন সরকার। লক্ষ্য, দেশটির জন্মহার বাড়ানো। এ নিয়ে সাধারণ মানুষ বেশ ক্ষীপ্ত।

জন্মনিয়ন্ত্রক সামগ্রীর দাম বাড়িয়েও কাজ হচ্ছে না, চীনে জন্মহারের রেকর্ড পতন
জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞদের মতে, চীনের এই নিম্নমুখী ধারা চলতে থাকলে ২১০০ সাল নাগাদ দেশটির বর্তমান জনসংখ্যা অর্ধেকেরও নিচে নেমে যেতে পারে। জনসংখ্যা কমলে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির এই দেশটির কর্মীবাহিনী সংকুচিত হবে।

৩০ বছর পর কোনো শিশুর জন্ম হলো এই গ্রামে
ইতালির এক নীরব পাহাড়ি গ্রাম পাগলিয়ারা দেই মার্সি, এই গ্রামে মানুষের থেকে বিড়ালের সংখ্যাই বেশি। প্রায় ৩০ বছর পর এই গ্রামে জন্ম নিয়েছে একটি শিশু। শিশুটির জন্ম এই গ্রামে এনে দিয়েছে বিরল আনন্দ ও নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।

ঢাকা কি হয়ে উঠছে দারিদ্র্যের ফাঁদ?
দীর্ঘ সাত দশক ধরে টোকিওকে বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল শহর হিসেবে ধরা হতো। কিন্তু জাতিসংঘের সর্বশেষ পরিসংখ্যান সেই ধারণা পাল্টে দিয়েছে। এখন বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল শহর ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা। সেখানে বসবাস করে প্রায় ৪ কোটি ২০ লাখ মানুষ, যা কানাডার মোট জনসংখ্যার কাছাকাছি। এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থা

‘স্বাধীনতা উত্তর ঢাকা ২৮ গুণ বেড়েছে, জনসংখ্যা তার চেয়ে বেশি গুণ’
ভূমিকম্পের আগাম প্রস্তুতি, ভূমিকম্পের পর উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা, দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারের পরিকল্পনা নিয়ে চরচা-র সাথে আলাপ করেছেন স্থপতি ও নগরবিদ ইকবাল হাবিব।

বিশ্বের বড় শহরের র্যাংকিংয়ে ঢাকার উত্থান, কিন্তু ভয় কেন বাড়ছে?
জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় শহর কোনটি জানেন? নতুন তথ্য বলছে—শীর্ষে আছে জাকার্তা। আর দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে আমাদেরই ঢাকা! ঢাকা কীভাবে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম বৃহত্তম পরিণত হল? এবং কেন বলা হচ্ছে, ২০৫০ সালের মধ্যে ঢাকা হবে বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল শহর? চলুন জেনে নেই।

জনসংখ্যার দিক দিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে বড় শহর জাকার্তা, দ্বিতীয় ঢাকা
বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল শহরের তালিকায় এবার শীর্ষ স্থানে উঠে এসেছে ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা। এই তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা।



