
গরু কেনা, তারপর কয়েকদিন তার যত্ন নেওয়া এবং শেষে কোরবানি দেওয়া—এই পুরো আয়োজন সামলানো অনেকের জন্যই কঠিন। কঠিন কাজটিকে সহজ করে দিচ্ছে রাজধানীর ‘সিটি ফার্মার’। কোরবানি আপনার, দায়িত্ব আমাদের’ স্লোগান নিয়ে ২০২০ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠান কাজ করছে। তারা ভাগে গরু কোরবানি দেওয়ার ব্যবস্থাও করে দেয়।

এদিকে গাবতলী হাটে দুপুরের পর থেকে বেশ সরগরম পরিবেশ দেখা গেছে। সেখানে মাঝারি ও বড় আকারের গরুর বেচাকেনা বেশি হচ্ছে। গত দুদিনের বৃষ্টির কারণে ব্যবসায় কিছুটা মন্দা গেলেও, আজ আবহাওয়া ভালো থাকায় ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ের মধ্যেই স্বস্তি ফিরেছে।

পবিত্র ঈদুল আজহায় কোরবানির পশুর চামড়া যেন কোনোভাবেই নষ্ট না হয়, সে লক্ষ্যে সিলেটে বিশেষ তৎপরতা শুরু করেছে জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম চামড়া দ্রুত বিক্রি করার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

কোরবানির ঈদ সামনে রেখে বেড়েছে সব ধরনের মসলার দাম। এক কেজি এলাচের দাম গত বছর ছিল ৩ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার ৮০০ টাকা। এখন দাম ৪ হাজার ৮০০ টাকা। দাম কমেছে জিরার। কারওয়ান বাজার থেকে ভিডিও করেছেন তারিক সজীব

১৮৮৯ সালে প্রকাশিত হয় মশাররফ হোসেনের ‘গো-জীবন’ শিরোনামের প্রবন্ধের বই। এই বইয়ে তিনি মুসলমানদের গরু জবাইয়ের তীব্র বিরোধিতা করেন।

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানীর হাটগুলোতে আনা হয়েছে বিভিন্ন জাত ও আকারের গরু। কিন্তু ক্রেতারা বলছেন, যে গরুর দাম হওয়ার কথা ৬ থেকে ৭ লাখ টাকা, সেই গরুর দাম হাঁকা হচ্ছে ১০ লাখ। শেষে বিক্রেতারা গরু বিক্রি করতে না পেরে হতাশ হচ্ছেন।

ত্রিশ বছর আগে। ১৯৯৬ সালের ১৭ এপ্রিল। নিউইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত ‘ফর মেক্সিকো’র স্মল ফারমারস, এনএএফটিএ’স প্রমিজ হু অ্যা ড্রাইড-আপ ফিল্ড’ শিরোনামে প্রকাশিত ফিচারে উঠে আসে মেক্সিকোর পোপোৎলা গ্রামের হোসে লুইসের দুর্দশার গল্প।

সুইজারল্যান্ডের দক্ষণিাঞ্চলের ছোট্ট ভালে শহরে শুরু হয়েছে ঐতিহ্যবাহী গরুর লড়াই। এই লড়াই হয় মূলত হয় গরুর শিংয়ে শিংয়ে। লড়াই দেখতে এখানে জড়ো হয়েছে প্রায় ৫০ হাজার দর্শনার্থী।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহায় কোরবানির জন্য দেশে পর্যাপ্ত পরিমাণ গবাদি পশু রয়েছে। আমদানির প্রয়োজন নেই। কোরবানির পশুর দামও সহনীয় পর্যায়ে থাকবে।

মাংসের কালা ভুনা, এটি নিছক একটি পদ নয় বরং অনেকের কাছে একটি আবেগের নাম। গরুর মাংসের কালা ভুনা ঢাকার নাকি চট্টগ্রামের পদ, সেটি নিয়েও রয়েছে বিতর্ক। কালা ভুনা আসলে কোন অঞ্চলের পদ? কালা ভুনা এলো কী করে?

এক সময় গ্রাম বাংলর মেঠোপথগুলোতে ছিল গরুর গাড়ির দাপট। এখন সেই ঐতিহ্যবাহী বাহনের প্রচলন নেই বললেই চলে। তবে উত্তরবঙ্গের গরুর গাড়িকে নতুন প্রজন্মের কাছে পরিচিত করিয়ে দিতে উদ্যোগ নিয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।