Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> বিশেষ প্রতিবেদন

অনিশ্চয়তা, তবু ঈদে স্বজন ছেড়ে ঢাকায় কেন আসেন জরিনারা?

ঈদের ঢাকা মানেই শুধু ফাঁকা রাস্তা আর কানফাটা হর্নের অনুপস্থিতি নয়। এই নীরবতার আড়ালেই বেঁচে থাকে আরেকটা ঢাকা–যেখানে উৎসবের কোনো ছায়া পড়ে না।

ফজলে রাব্বি

ফজলে রাব্বি

প্রকাশ : ২৭ মে ২০২৬, ২১: ৫০
অনিশ্চয়তা, তবু ঈদে স্বজন ছেড়ে ঢাকায় কেন আসেন জরিনারা?

কিশোরগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা এগারোসিন্দু এক্সপ্রেস তেজগাঁওয়ের আউটার সিগন্যালে দাঁড়াতেই হুড়মুড় করে নেমে যাচ্ছে অনেকে। এদের মধ্যে মধ্যবয়স্ক জরিনা বেওয়া কারওয়ান বাজারের কাছে নামতে পেরে বেশ খুশি। বছর ৫/৬ আগে ঢাকার তেজতুরি বাজারে বেশ কয়েকটা বাসায় গৃহকর্মীর কাজ করতেন। পরে গ্রামের নানা ঝামেলা সামাল দিতে কিশোরগঞ্জে ফিরে যান। এরপর থেকে প্রতি বছর দুই ঈদের যাকাত আর কোরবানির মাংস সংগ্রহ করতে ঢাকা আসেন। একদিন আগে এসে যেসব বাসায় কাজ করতেন, তাদের জানান দেন যেন কোনোভাবেই মাংস দিতে ভুলে না যান।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

জরিনার সাথে কথা বলতেই তিনি বলেন, “আমাগো গ্রামে তো আর ওমন বড়লোকেরা নাই, দুই-একটা কোরবানি হয় সারা গাঁয়ে। তাতে আমাগো কপালে এক টুকরা মাংসও জোটে না। কিন্তু ঢাকায় ঘরে ঘরে বড় বড় গরু জবাই হয়। দুইটা দিন যদি ঢাকার অলিগলিতে মানুষের দুয়ারে দুয়ারে ঘুরি, আল্লায় দিলে কয়েক কেজি মাংস পামু।”

জরিনারা কিন্তু এই মাংস নিজে খান না। ঈদের দিন বিকেল থেকে শুরু করে পরদিন পর্যন্ত ঢাকার বিভিন্ন মোড়ে বা অস্থায়ী বাজারে কেজি দরে বিক্রি করে দেন। ৩-৪ হাজার নগদ টাকা হাতে নিয়ে ছেলের জন্য নতুন জামা আর বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার জন্য চাল-ডাল কিনে গ্রামে ফেরেন। এটাই জরিনাদের মতো হাজার হাজার মানুষের ঈদ।

শহরে মাংস সংগ্রহ করতে আসা মানুষদের থাকার ভালো কোন জায়গা থাকে না। ছবি: চরচা
শহরে মাংস সংগ্রহ করতে আসা মানুষদের থাকার ভালো কোন জায়গা থাকে না। ছবি: চরচা

এই দুই-তিন দিনের ‘ঢাকার জীবন’ অত্যন্ত কষ্টের। কোনো হোটেল নেই, থাকার জায়গা নেই। রেলওয়ে স্টেশনের শক্ত মেঝেতে, ফুটপাতে কিংবা কোনো মসজিদের বারান্দায় প্লাস্টিকের বস্তা বিছিয়ে রাত কাটে। উৎসবের উদ্বৃত্তটুকুই তাদের কাছে আগামী কয়েক মাসের টিকে থাকার পুঁজি।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

জরিনার মতো শত শত মানুষ প্রতি বছর এই একই পথে আসেন। তাদের অনেকে উত্তরবঙ্গ বা চরাঞ্চলের নদীভাঙা পরিবারের। সারা বছর দিনমজুরের কাজ করেন, প্রতিদিনের খাবারের নিশ্চয়তাও থাকে না। কোরবানি ঈদের এই কয়দিন তাদের জন্য এক সুযোগ–শহরের সম্পদের একটুখানি অংশ নিজের জীবনে টেনে আনার।

কোরবানি নিয়ে ‘গো-জীবন’-এ মীর মশাররফ কী বলেছিলেন?Mosharraf_2.jpg

কোরবানির ঈদের এই বিশেষ সময়ে এরা ঢাকায় আসেন একটাই কাজে–বাড়ি বাড়ি ঘুরে কোরবানির মাংস সংগ্রহ করতে। প্রতি বছর ঈদের এই ২-৩ দিন নিজেদের গ্রাম থেকে ঢাকায় আসেন এবং শহরের অলিগলি চষে বেড়ান মাংসের সন্ধানে।

ঈদের সময় ঢাকা শহর নিজেই ছুটিতে চলে যায়। একটা অদ্ভুত নীরবতা নামে এই মহানগরীর বুকে। এবারও ব্যতিক্রম কিছু হয়নি। ঈদুল আজহার আগে থেকেই রাজধানীর রাজপথ ফাঁকা হতে শুরু করে। কমলাপুর, সদরঘাট, গাবতলী–সব টার্মিনালে একই দৃশ্য। বাড়ি ফেরার মানুষের ঢল। সংবাদমাধ্যম লেখে 'ফাঁকা ঢাকা'। কিন্তু এই ফাঁকা ঢাকার ভেতরেই জন্ম নেয় সম্পূর্ণ ভিন্ন মাত্রার ঈদকেন্দ্রিক জীবনের চিত্র।

যখন লাখো মানুষ নাড়ির টানে ঢাকা ছেড়ে যাচ্ছেন, তখন একটি সম্পূর্ণ বিপরীত স্রোত এই শহরে প্রবেশ করছে। এই মানুষগুলো আসছেন আনন্দ করতে নয়–বেঁচে থাকার লড়াইয়ে। কেউ বস্তা হাতে, কেউ ধারালো চাপাতি কাঁধে, কেউ আবার অসুস্থ সন্তানকে বুকে আঁকড়ে। উৎসবের আবহে যখন দেশের সচ্ছল মানুষেরা আনন্দের শীর্ষে, তখন এই প্রান্তিক মানুষগুলোর জীবনের গল্প অন্যরকম।

তিন দিনের কসাই, বাকি বছরের রিকশাচালক

গাবতলী বাস টার্মিনাল থেকে নামছেন একদল মানুষ–সবার পরনে লুঙ্গি, কাঁধে গামছা, হাতে কাপড়ে শক্ত করে বাঁধা ধারালো ছুরি আর চাপাতি। এরা পেশাদার কসাই নন, এরা সারাদেশ থেকে আসা ‘মৌসুমী কসাই’। সারা বছর তারা রিকশাচালক, খেতমজুর বা চায়ের দোকানদার। কিন্তু ঈদের এই ৩-৪ দিন তারা পরিণত হন শহরের সবচেয়ে চাহিদাসম্পন্ন মানুষে।

গত ঈদের দুদিনে ১২টি গরু কেটেছিলেন রংপুরের রংপুরের পীরগঞ্জ থেকে আসা ৩৫ বছরের মফিজুল ইসলাম। আর টুকটাক মাংস বিক্রি করে ১৫ হাজার টাকা বাড়ি নিয়ে যেতে পেরেছিলেন। তবে কাজটা অনেক পরিশ্রমের বলে জানালেন মফিজুল। তিনি বলেন, “এই তিনদিনেই সারা বছরের দেনা কিছুটা শোধ হয় ভাই। সকালের নাস্তা খাওয়ারও সময় নাই। এক বাসা থেকে আরেক বাসায় ছুটতে ছুটতে দিন শেষ। কিন্তু এই ঈদে যা কামাই হয়, সেটাই মেয়ের স্কুলের বেতন, স্ত্রীর শাড়ি আর বাজারের বাকি শোধের ভরসা।”

এবারও পশু কোরবানি ছাড়াই ঈদ কাটবে গাজাবাসীরgaza

মফিজুল আরো বলেন সারা বছর রিকশা-ভ্যান চালিয়ে দিনে তিন-চারশ টাকার বেশি থাকে না। এনজিওর কিস্তি, ছেলের স্কুলের খরচ মেটাতে গিয়ে মাসের শেষে কিছুই থাকে না। কিন্তু কোরবানির এই ৩ দিনে ঢাকায় এসে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা আয় করা সম্ভব।

এই মানুষগুলোর কেউ আসেন নওগাঁ থেকে, কুড়িগ্রাম থেকে, ভোলা থেকে, জামালপুর থেকে। কেউ বাসে, কেউ ট্রাকে, কেউ লঞ্চে করে। ঢাকার বড় ফ্ল্যাট বাড়ির মালিকরা যখন দক্ষ লোকের অভাবে হিমশিম খান, তখন এই মফিজুল-শাহীনদের হাতের দক্ষতাই কোরবানির কাজ দ্রুত সম্পন্ন করে। কিন্তু এই বাড়তি আয়ের পেছনে থাকে যে অসহ্য শারীরিক কষ্ট, তার হিসাব কেউ রাখে না।

সারা বছর তারা রিকশাচালক, খেতমজুর বা চায়ের দোকানদার, ঈদের সময়ে তারা হয়ে যান কসাই। ছবি: চরচা
সারা বছর তারা রিকশাচালক, খেতমজুর বা চায়ের দোকানদার, ঈদের সময়ে তারা হয়ে যান কসাই। ছবি: চরচা

ঈদের তিন দিন শেষে যখন ঢাকা আবার স্বাভাবিক হতে শুরু করে, তখন পকেটে স্বস্তির টাকা নিয়ে এরা আবার ফিরে যান নিজের কষ্টের জীবনে–আবার রিকশা, আবার কিস্তি, আবার সেই একটানা লড়াই।

ঈদ উৎসবে নিয়তির নিষ্ঠুরতা

বরিশালের বাকেরগঞ্জ থেকে হালিমা বেগম ঢাকা এসেছেন তার ৮ বছরের ছেলে রায়হানকে নিয়ে। ওর শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে। ভোরে অবস্থা খারাপ হওয়ায় বাচ্চাকে নিয়ে ঢাকায় এসেছেন।

হালিমা বেগম যাবেন জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে। বললেন, “ফাঁকা রাস্তায় দ্রুত পৌঁছাইতে পারছি, সেটা ভালো। কিন্তু আত্মীয়স্বজন কেউ ঢাকায় নাই। ওর বাবাও অসুস্থ।”

হালিমা বেগমের চোখে শূন্যতা। এত সব একলা কীভাবে সামলাবেন, তাই যেন তার মূল চিন্তা।

নেত্রকোনার প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে আসা ৬৮ বছরের খলিল মিয়া মহাখালী বাস টার্মিনালের এক কোণে বসে চোখ মুছছেন। তার কোলে মাথা দিয়ে শুয়ে আছে ১০ বছরের নাতি রুমান। রুমানের অ্যাপেন্ডিসাইটিসের তীব্র ব্যথা ওঠে গত রাতে। গ্রামের হাসপাতালে সার্জন নেই, ডাক্তার রেফার করেছেন ঢাকায়।

খলিল মিয়া বলেন, “ভালো ডাক্তাররা ডিউটিতে থাকব কি না, আল্লাহই জানে। পকেটে টাকাও বেশি নাই, গাড়িভাড়াই গ্যাছে গা সব। নিয়তি আমাগো এই সময় এই ফাঁকা শহরে টাইন্যা আনল। আগারগাঁও যামু। সবকিছুর ভাড়া বেশি চাইতাছে। কয় ঈদের বকশিস।”

এই ফাঁকা ঢাকায় চিকিৎসার সংকটটাও নতুন নয়। ঈদের দীর্ঘ ছুটিতে শহরের বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিকের বেশির ভাগ বন্ধ থাকে। সরকারি হাসপাতালে ডিউটি থাকলেও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের অনেকেই ছুটিতে। এই শূন্যতার মাঝেই হাজির হন খলিল-হালিমারা–নিজেদের ঈদ বিসর্জন দিয়ে।

ঈদের ঢাকা মানেই শুধু ফাঁকা রাস্তা আর কানফাটা হর্নের অনুপস্থিতি নয়। এই নীরবতার আড়ালেই বেঁচে থাকে আরেকটা ঢাকা–যেখানে উৎসবের কোনো ছায়া পড়ে না।

জরিনা বেগম এই শহরে আসেন বস্তা কাঁধে, ঘরে ঘরে কড়া নাড়েন মাংসের আশায়–যে মাংস তিনি নিজে খাবেন না, বিক্রি করবেন, সেই টাকায় কিনবেন ছেলের ঈদের জামা। মফিজুল ইসলাম আসেন চাপাতি হাতে, ঘুম-খাওয়া ভুলে তিন দিনে এনজিওর কিস্তি শোধের স্বপ্ন দেখেন। আর খলিল মিয়া আসেন কাঁদতে কাঁদতে–নাতির জীবন বাঁচানোর শেষ চেষ্টায় এই অচেনা শহরে।

এই মানুষগুলো কারও উৎসবের অংশ নন। তারা উৎসবের আড়ালে লুকিয়ে থাকা বাস্তবতা। তাদের গল্প আমাদের প্রতি বছর একটা কঠিন সত্য মনে করিয়ে দেয়–ঈদের আলো সবার ঘরে সমানভাবে পৌঁছায় না। কারো কারো জন্য উৎসব মানেই নতুন করে বেঁচে থাকার এক নির্মম যুদ্ধও!

বিষয়: ঈদুল আজহাকোরবানি ঈদমাংসগরুঢাকাকোরবানিট্রেনহাসপাতাল
সর্বশেষ
  • ১

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ২

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৩

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

  • ৪

    মহাখালীতে এসকেএস টাওয়ারের পেছনের ভবনে আগুন

  • ৫

    ‘২৪ ঘণ্টা হল খোলা চাই, এইখানে একটা মিসলিডিং আছে’

সম্পর্কিত
  • সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক: তিন দিনে ২৬ হাজার গ্রাহক তুললেন কত টাকা

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক: তিন দিনে ২৬ হাজার গ্রাহক তুললেন কত টাকা

    সংকটে পড়া পাঁচ ব্যাংক একীভূত হয়ে গঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক থেকে আমানত ফেরত দেওয়া চলছে। টাকা তোলার জন্য আবেদন গ্রহণ শুরুর পর প্রথম তিন দিনে ৫৮ হাজার ৭৪৫ জন গ্রাহক মোট ৩ হাজার ৩০৪ কোটি টাকা উত্তোলনের আবেদন করেছেন। এর মধ্যে ৭ থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন দিনে ২৬ হাজার ৫৬ জন গ্রাহক ব্যাংক থেকে মো

  • সিলেট নগরে যানজট: দায় কার, হকার নাকি অবৈধ পার্কিংয়ের?

    সিলেট নগরে যানজট: দায় কার, হকার নাকি অবৈধ পার্কিংয়ের?

    ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি জানান, যানজটমুক্ত ও সুন্দর সিলেটের কথা চিন্তা করে এই আধুনিক লাক্সারি বাসস্ট্যান্ড তৈরি করা হয়েছে। কিন্তু ঘুরেফিরে ওই মূল রাস্তাতেই বাস দাঁড় করিয়ে যাত্রী তোলা হয়। এসব দেখার বা বলার কেউ নেই।

  • আশুলিয়ায় ‘ট্রিপল মার্ডার’, যা জানা গেল

    আশুলিয়ায় ‘ট্রিপল মার্ডার’, যা জানা গেল

    ঢাকার আশুলিয়ার জামগড়ার ‘ট্রিপল মার্ডারের’ রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। প্রাথমিক তদন্তে হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে পরকীয়া সংক্রান্ত বিরোধের তথ্য পাওয়ার কথা বলছে সংস্থাটি। এ ঘটনায় মূল আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পিবিআই। সোমবার মধ্যরাতে তাকে আশুলিয়ার নরসিংহপুর থেকে

  • এজেন্টদের অভিযোগ এন্তার, বিকাশ বলছে ‘ভিত্তিহীন’

    এজেন্টদের অভিযোগ এন্তার, বিকাশ বলছে ‘ভিত্তিহীন’

    মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রতিষ্ঠান বিকাশ–এর বিরুদ্ধে এজেন্টদের ওপর ডিপিএস ও লেনদেনের টার্গেট পূরণে চাপ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে। অবশ্য বিকাশ এসব অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ বলেই উড়িয়ে দিয়েছে। ফেসবুকের বিভিন্ন গ্রুপে