
বন্ধ হচ্ছে ৫ আর্থিক প্রতিষ্ঠান। কিন্তু এখন প্রশ্ন হলো, এই ৫ আর্থিক প্রতিষ্ঠানের আমানতকারী বা গ্রাহকদের জন্য আসলে কী অপেক্ষা করছে?

গত কয়েক মাস ধরে দুর্বল এনবিএফআইগুলো নিয়ে তদন্ত ও পর্যালোচনা চলছিল। গত বছর ২০টি প্রতিষ্ঠানের কাছে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠায় বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাংলাদেশ স্টার্টআপ ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি নিয়ে অর্থমন্ত্রী জানান, প্রতিষ্ঠানটি যে পরিমাণ মূলধন নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে, ভবিষ্যতে তা আরও বৃদ্ধি পাবে। এটি কেবল একটি বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান নয়, বরং দেশের সামগ্রিক স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমকে দৃশ্যমান করার একটি প্ল্যাটফর্ম।

প্রতিষ্ঠানটির চিফ বিজনেস অফিসার মো. বায়েজিদ বাশার বলেন, একটি অটিজম থাকা শিশুও যদি নিজের পরিবেশে স্বস্তি অনুভব করে, তবেই এই উদ্যোগ সফল।

টিআইবি বলছে, দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একজন ব্যবসায়ীকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শীর্ষ পদে নিয়োগ দেওয়া হলো। এর মাধ্যমে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে কী বার্তা যাচ্ছে, সেটিও সরকারের ভেবে দেখা উচিত।

গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের ১৪ অগাস্ট আহসান এইচ মনসুরকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর করা হয়।

২০২৫ সালের মে মাসে আরও ছয়টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সাথে তিন হাজার ১৫০ কোটি টাকার একই ধরনের চুক্তি করেছিল পিকেএসএফ।

সম্মেলনে ব্যাংকের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের বিভিন্ন কৌশল ও দিক নিয়েও আলোচনা হয়।

সাম্প্রতিক কয়েক বছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি অনেকটাই থমকে গেছে। সেইসঙ্গে ক্রমাগত অর্থপাচার দেশের আর্থিক খাতে ব্যাপক চাপ তৈরি করেছে। এ পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠেছে- শক্তিশালী ও জবাবদিহিমূলক আর্থিক খাত ছাড়া কি বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশ থেকে উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হতে পারবে?

শেয়ার বাজার
ভয়াবহ দুটো শেয়ার কেলেঙ্কারি হলো যার কোনো বিচার হলো না। বিশ্বে স্টক এক্সচেঞ্জ চালু হওয়ার পর বহু শেয়ার কেলেঙ্কারি হয়েছে এবং আরো হতে থাকবে। যেটা গুরুত্বপূর্ণ তাহলো, এর সুষ্ঠু ও যথাযথ বিচার।

গভর্নর মানসুর বলেন, প্রশাসনের মূল দায়িত্ব হবে ব্যবসা অব্যাহত রাখা এবং নিশ্চিত করা যে, ব্যাংকগুলোর শাখা আজ ও কাল খোলা থাকবে-যাতে অর্থপ্রদান ও রেমিট্যান্স নিষ্পত্তির মতো জরুরি সেবা বাধাগ্রস্ত না হয়।