Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> বিশ্লেষণ

বন্ধ হতে যাওয়া ৫ আর্থিক প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকদের কী হবে?

চরচা প্রতিবেদক

চরচা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১৫ মে ২০২৬, ১৫: ৩৭
বন্ধ হতে যাওয়া ৫ আর্থিক প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকদের কী হবে?

বন্ধ হচ্ছে ৫ আর্থিক প্রতিষ্ঠান। কিন্তু এখন প্রশ্ন হলো, এই ৫ আর্থিক প্রতিষ্ঠানের আমানতকারী বা গ্রাহকদের জন্য আসলে কী অপেক্ষা করছে?

Advertisement
Advertisement
Advertisement

সেই আলাপে যাওয়ার আগে জেনে নেওয়া যাক ৫ আর্থিক প্রতিষ্ঠান আসলে কারা?

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ দেশের পাঁচটি ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান (এনবিএফআই) বন্ধ বা বিলুপ্ত করার প্রাথমিক অনুমতি প্রদান করেছে। গত মঙ্গলবার গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের এক সভায় এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বন্ধ বা অবসায়নের তালিকায় থাকা এই পাঁচটি প্রতিষ্ঠান হলো–এফএএস ফাইন্যান্স, ফারইস্ট ফাইন্যান্স, আভিভা ফাইন্যান্স, পিপলস লিজিং এবং ইন্টারন্যাশনাল লিজিং।

আগামী অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে এই খাতের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দের প্রতিশ্রুতি পাওয়ার পর আগামী জুলাই থেকে এই প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হবে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

কিন্তু কেন্দ্রীয় ব্যাংক কেন এই সিদ্ধান্ত নিল?

এই প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক অবস্থা এতটাই শোচনীয় যে, তাদের খেলাপি ঋণের হার ৯৩ শতাংশ থেকে শুরু করে প্রায় ১০০ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছেছে। দীর্ঘ সময় ধরে খেলাপি ঋণ আদায়ে ব্যর্থ হওয়ায় তারা আমানতকারীদের জমানো টাকাও ফেরত দিতে পারছে না, যার ফলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার অনুমোদন দিয়েছে।

ডিসেম্বরের তথ্য অনুযায়ী, এফএএস ফাইন্যান্সের খেলাপি ঋণ ৯৯.৯৯ শতাংশ, ফারইস্ট ফাইন্যান্সের ৯৮.৫০ শতাংশ, আভিভা ফাইন্যান্সের ৯৩.৯৩ শতাংশ, পিপলস লিজিংয়ের প্রায় ৯৫ শতাংশ এবং ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ের খেলাপি ঋণ ৯৯.৪৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়কার ব্যাপক অনিয়ম ও বড় বড় আর্থিক কেলেঙ্কারিই এই পরিস্থিতির মূল কারণ। উদাহরণ হিসেবে পিকে হালদারের নাম উঠে এসেছে, যার বিরুদ্ধে পিপলস লিজিং, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং, এফএএস ফাইন্যান্স এবং বিআইএফসি থেকে অন্তত সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।

তবে এই ৫ প্রতিষ্ঠান বন্ধের সিদ্ধান্ত হুট করে আসেনি।

উচ্চ খেলাপি ঋণ ও আমানত ফেরত দিতে ব্যর্থতার দায়ে গত বছরের মে মাসে ২০টি এনবিএফআই-কে কেন বন্ধ করা হবে না তা জানতে চেয়ে নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে নয়টি প্রতিষ্ঠানের সংশোধনী পরিকল্পনা সন্তোষজনক হয়নি। এ কারণে বন্ধের প্রাথমিক তালিকায় এফএএস ফাইন্যান্স, বিআইএফসি, ফারইস্ট ফাইন্যান্স, জিএসপি ফাইন্যান্স, প্রাইম ফাইন্যান্স, আভিভা ফাইন্যান্স, পিপলস লিজিং এবং ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ের নাম ছিল। তবে চলতি বছরের জানুয়ারিতে তালিকা থেকে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে বাদ দেওয়া হয় এবং সম্প্রতি প্রিমিয়ার লিজিংকেও এই তালিকা থেকে সরিয়ে রাখা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার মতে, ব্যাংক রেজুলেশন আইন অনুসরণ করে এই প্রতিষ্ঠানগুলোকে বন্ধ করা হবে। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একজন পরিচালককে প্রশাসক হিসেবে এবং আরও দুজন কর্মকর্তাকে নিয়োগ দিয়ে প্রতিষ্ঠানগুলোকে অকার্যকর ঘোষণা করা হবে।

এবার আসা যাক শুরুর গ্রাহক বা আমানতকারীর প্রশ্নে।

ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো সাধারণ গ্রাহকদের টাকা একটা নির্দিষ্ট লভ্যাংশ প্রদানের প্রতিশ্রুতিতে জমা রাখে। পরবর্তীতে তারা ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ওই অর্থ থেকে ঋণ প্রদান করে থাকে। এইসব ঋণের অর্থ ফেরত পাওয়া সাপেক্ষেই তারা গ্রাহকের অর্থ প্রতিশ্রুতিকৃত লভ্যাংশসহ ফেরত দিয়ে থাকে। কিন্তু এই ৫ প্রতিষ্ঠানের ঋণ গ্রহীতারা যেহেতু ঋণের অর্থ ফেরত দেয়নি, এবং যে কারণে বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তাই গ্রাহকের টাকা নিয়ে অনিশ্চয়তা শুরু হয়েছে। আর এই ৫ ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠানের ব্যক্তিগত আমানতকারীদের পাওনা পরিশোধে প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন পড়বে। সরকার আগামী বাজেটে এই অর্থ বরাদ্দের আশ্বাস দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে। আর এরপরেই কেন্দ্রীয় ব্যাংক অবসায়ন প্রক্রিয়া শুরুর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়। ব্যাংক রেজুলেশন আইনে সংকটে থাকা প্রতিষ্ঠান একীভূতকরণ, পুনর্গঠন বা বন্ধ করার পাশাপাশি সম্পদ বিক্রি করে পাওনাদারদের অর্থ মেটানোর বিস্তারিত নিয়ম নির্ধারিত আছে।

এখন দেখার বিষয় বিদ্যমান নিয়ম এবং নতুন সরকারের আশ্বাস অনুযায়ী আমানতকারীদের পাওনা পরিশোধ করা হয় কি না। কিংবা ঠিক কবে নাগাদ গ্রাহক তাদের অর্থ ফেরত পায়।

বিষয়: আমানতবাংলাদেশ ব্যাংকআর্থিক প্রতিষ্ঠান
সর্বশেষ
  • ১

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

  • ২

    মহাখালীতে পরিত্যক্ত ভবনে আগুন

  • ৩

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

  • ৪

    হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

  • ৫

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

সম্পর্কিত
  • লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

    চলতি মাসে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যে লং মার্চ করেছে তাকে সরকারের জন্য ‘ওয়েক আপ কল’ বলে উল্লেখ করছেন জোটটির নেতারা। প্রায় ১ হাজার গাড়ি নিয়ে এই লং মার্চ করে জোটের পক্ষ থেকে সরকারকে ৬ দফা দাবি দেওয়া হয়েছে। জোট নেতারা ওই ৬ দফায় বিদ্যুৎ, গ্যাস সংকট

  • বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    ১৭ বছরের বেশি সময় ক্ষমতার বাইরে থেকে আন্দোলন-সংগ্রাম, মামলা-গ্রেপ্তার আর রাজনৈতিক চাপ সামলে এখন সরকারে বিএনপি। গত ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পর দলের শীর্ষ নেতাদের বড় একটি অংশ এখন সরকারের দায়িত্বে ব্যস্ত। মন্ত্রিসভা, সংসদ, প্রশাসন, অর্থনীতি ও আইনশৃঙ্

  • কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    চীনের সরকার আসলে কী কী বন্ধ করে দেয় – শুধুই কি বিদেশি ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেয়, নাকি দেশের ভেতরে থাকা সমালোচকদের ওপরও এই নিষেধাজ্ঞা আছে, এমন চিন্তাটা আসা খুবই স্বাভাবিক। তবে এখানে সরকারের লক্ষ্য এর চেয়েও বড়।

  • ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধের ছয় মাস পেরিয়েছে। এই যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বিভিন্ন খাতে বিশেষ করে তেলের বাজার তীব্রভাবে প্রভাবিত হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে আমেরিকানদের ওপর। গ্যাসের দাম কয়েক সপ্তাহ ধরে ৪ ডলারের বেশি। বন্ধকী ঋণের সুদের হারও বেড়ে প্রায় ৭ শতাংশের দিকে যাচ্ছে। আবার ডিজেলের রেকর্ড