
বিচারপতি মঈনুল ইসলাম চৌধুরীর কমিটি মনে করে, গত দেড় দশকে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাত যে গভীর আর্থিক সংকটে পড়েছে, তা হঠাৎ তৈরি হয়নি। নীতিগত সিদ্ধান্ত, বিশেষ আইন, অস্বচ্ছ চুক্তি এবং গোষ্ঠীস্বার্থের সমন্বয়ে ধীরে ধীরে এই খাতকে এক ধরনের ‘আর্থিক ব্ল্যাকহোলে’ পরিণত করা হয়েছে।

পিডিবির কাছে আদানির বকেয়ার পরিমাণ ছিল প্রায় ৫০০ মিলিয়ন (৫০ কোটি) ডলার। তবে কয়লার দাম নির্ধারণ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে মতভেদ থাকায় পিডিবির হিসাবে বকেয়ার পরিমাণ ছিল প্রায় ২৫৬ মিলিয়ন ডলার।

পর্যালোচনা কমিটির সংবাদ সম্মেলন
ভারতের আদানি পাওয়ারের সঙ্গে চুক্তিতে বাংলাদেশের বছরে ৫ হাজার কোটি টাকা ক্ষতি হচ্ছে বলে জানিয়েছে এ সংক্রান্ত পর্যালোচনা কমিটি। তারা বলছে, ২৫ বছর মেয়াদী এই চুক্তিতে বাংলাদেশকে বাড়তি ১০ বিলিয়ন ডলার বা প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকা পরিশোধ করতে হবে।

আদানি ডিফেন্স এবং ভারত ফোর্জসহ শীর্ষস্থানীয় ভারতীয় অস্ত্র নির্মাতাদের অন্তত অর্ধ ডজন নির্বাহী সম্ভাব্য যৌথ উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা করার জন্য রাশিয়ায় বিরল বৈঠক করেছেন।

বাংলাদেশের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান রয়টার্সকে জানান, আলোচনা এখনও চলছে। তিনি আরও বলেন, “আলোচনা প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর, প্রয়োজন হলে আমরা আন্তর্জাতিক সালিশের দিকে যাব।”