চরচা প্রতিবেদক

বাংলাদেশ সরকারকে অতি দ্রুত বিপুল পরিমাণ বকেয়া পরিশোধ করতে বলেছে ভারতের বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান আদানি পাওয়ার। এ সংক্রান্ত এক বিবৃতিতে এই বকেয়া পরিশোধ করতে বলা হয়। বাংলাদেশে এ সংক্রান্ত পর্যালোচনা কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশের মধ্যেই তারা নতুন এই বিবৃতি দিল।
এদিকে, অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত পর্যালোচনা কমিটির রিপোর্ট সম্পর্কে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য পায়নি বলে জানিয়েছে আদানি পাওয়ার। এই রিপোর্টের কোনো অনুলিপিও তাদের কাছে পৌঁছায়নি বলে জানিয়েছে কোম্পানিটি। আদানি দাবি করছে, প্রতিবেদন তৈরির কোনো পর্যায়েই বাংলাদেশের কোনো কর্তৃপক্ষ তাদের মতামত বা ইনপুট নেওয়ার জন্য যোগাযোগ করেনি।
আদানি পাওয়ার বর্তমানে বাংলাদেশের মোট বিদ্যুৎ চাহিদার প্রায় ১০ শতাংশ সরবরাহ করছে। কোম্পানিটির দাবি, আমদানিকৃত কয়লাভিত্তিক অন্যান্য বিদ্যুৎকেন্দ্রের তুলনায় তাদের সরবরাহকৃত বিদ্যুৎ নির্ভরযোগ্য, উচ্চমানের এবং অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক মূল্যের। বিবৃতিতে বলা হয়, বিপুল পরিমাণ বকেয়া পাওনা থাকা সত্ত্বেও তারা জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রেখেছে, যেখানে অনেক বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান পাওনা না পেয়ে সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে বা পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছে।
লিখিত বক্তব্যে আদানি পাওয়ার বলছে, বর্তমানে বড় অংকের বকেয়া জমে থাকায় কোম্পানিটির দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা ব্যাহত হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে আদানি পাওয়ার বাংলাদেশ সরকারকে অতি দ্রুত তাদের বকেয়া পাওনা জন্য আহ্বান জানিয়েছে।
উল্লেখ্য, রোববার বিদ্যুৎ চুক্তি পর্যালোচনা জাতীয় কমিটি এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছে, বিগত সরকারের সময় আদানির সঙ্গে অসম চুক্তিতে বছরে ৫ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হচ্ছে বাংলাদেশের। এই ক্ষতি থেকে বের হয়ে আসতে ভারতের ঐ কোম্পানির সাথে চুক্তি বাতিল করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানায় পর্যালোচনা কমিটি।
২০২৫ সালের নভেম্বর ও ডিসেম্বরের হিসাব অনুযায়ী, পিডিবির কাছে আদানির বকেয়ার পরিমাণ ছিল প্রায় ৫০০ মিলিয়ন (৫০ কোটি) ডলার। তবে কয়লার দাম নির্ধারণ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে মতভেদ থাকায় পিডিবির হিসাবে বকেয়ার পরিমাণ ছিল প্রায় ২৫৬ মিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশ সরকারকে অতি দ্রুত বিপুল পরিমাণ বকেয়া পরিশোধ করতে বলেছে ভারতের বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান আদানি পাওয়ার। এ সংক্রান্ত এক বিবৃতিতে এই বকেয়া পরিশোধ করতে বলা হয়। বাংলাদেশে এ সংক্রান্ত পর্যালোচনা কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশের মধ্যেই তারা নতুন এই বিবৃতি দিল।
এদিকে, অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত পর্যালোচনা কমিটির রিপোর্ট সম্পর্কে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য পায়নি বলে জানিয়েছে আদানি পাওয়ার। এই রিপোর্টের কোনো অনুলিপিও তাদের কাছে পৌঁছায়নি বলে জানিয়েছে কোম্পানিটি। আদানি দাবি করছে, প্রতিবেদন তৈরির কোনো পর্যায়েই বাংলাদেশের কোনো কর্তৃপক্ষ তাদের মতামত বা ইনপুট নেওয়ার জন্য যোগাযোগ করেনি।
আদানি পাওয়ার বর্তমানে বাংলাদেশের মোট বিদ্যুৎ চাহিদার প্রায় ১০ শতাংশ সরবরাহ করছে। কোম্পানিটির দাবি, আমদানিকৃত কয়লাভিত্তিক অন্যান্য বিদ্যুৎকেন্দ্রের তুলনায় তাদের সরবরাহকৃত বিদ্যুৎ নির্ভরযোগ্য, উচ্চমানের এবং অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক মূল্যের। বিবৃতিতে বলা হয়, বিপুল পরিমাণ বকেয়া পাওনা থাকা সত্ত্বেও তারা জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রেখেছে, যেখানে অনেক বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান পাওনা না পেয়ে সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে বা পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছে।
লিখিত বক্তব্যে আদানি পাওয়ার বলছে, বর্তমানে বড় অংকের বকেয়া জমে থাকায় কোম্পানিটির দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা ব্যাহত হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে আদানি পাওয়ার বাংলাদেশ সরকারকে অতি দ্রুত তাদের বকেয়া পাওনা জন্য আহ্বান জানিয়েছে।
উল্লেখ্য, রোববার বিদ্যুৎ চুক্তি পর্যালোচনা জাতীয় কমিটি এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছে, বিগত সরকারের সময় আদানির সঙ্গে অসম চুক্তিতে বছরে ৫ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হচ্ছে বাংলাদেশের। এই ক্ষতি থেকে বের হয়ে আসতে ভারতের ঐ কোম্পানির সাথে চুক্তি বাতিল করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানায় পর্যালোচনা কমিটি।
২০২৫ সালের নভেম্বর ও ডিসেম্বরের হিসাব অনুযায়ী, পিডিবির কাছে আদানির বকেয়ার পরিমাণ ছিল প্রায় ৫০০ মিলিয়ন (৫০ কোটি) ডলার। তবে কয়লার দাম নির্ধারণ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে মতভেদ থাকায় পিডিবির হিসাবে বকেয়ার পরিমাণ ছিল প্রায় ২৫৬ মিলিয়ন ডলার।