রাজধানীর পল্লবী থানাধীন মিরপুর-১১ এলাকায় দুর্বৃত্তের গুলিতে মো. আলমগীর (৫৫) নামে বিএনপির এক নেতা গুরুতর আহত হয়েছেন।
আহত আলমগীরের স্বজনদের অভিযোগ, কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের দুই স্থানীয় নেতা তাকে গুলি করেন।
আজ শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে মিরপুর-১১ নম্বর এলাকায় একটি চায়ের দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে। পরে সন্ধ্যা ৭টার দিকে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়।
আহত আলমগীর পেশায় মাছ ব্যবসায়ী এবং তিনি ঢাকার নবাবগঞ্জ থানা বিএনপির সদস্য। তিনি মিরপুর-১ এর ব্লক-বি, রোড নং-৩ এর ১৭ নম্বর বাসায় থাকেন।
আলমগীরকে হাসপাতালে নিয়ে আসা তার চাচা আশিক বলেন, “বিকেলে চায়ের দোকানের সামনে বসেছিলেন আলমগীর। এ সময় স্থানীয় যুবলীগ নেতা রুবেল ও বাপ্পাসহ চারজন একটি প্রাইভেটকারে এসে তাকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালিয়ে পালিয়ে যায়। আলমগীরের মাথার ডান পাশে, পেটের ডান পাশে এবং ডান নিতম্বে গুলি লাগে।”
তিনি বলেন, “গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে সন্ধ্যা ৭টার দিকে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন।”
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক বলেন, “সন্ধ্যার দিকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ওই ব্যক্তিকে হাসপাতালে আনা হলে জরুরি বিভাগের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে তার চিকিৎসা শুরু করা হয়। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশকে জানানো হয়েছে।”