বরিশাল প্রতিনিধি

বরিশালে বেসরকারি ডিডব্লিইউএফ নার্সিং কলেজের পরিচালক মো. জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ক্লিনিক প্রাক্টিসের নামে কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে শিক্ষার্থীরা কলেজের সামনে বিক্ষোভ করেন।
এসময়ে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, ক্লিনিক প্রাক্টিসের জন্য তাদের কাছ থেকে কোনো রসিদ ছাড়াই ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি জানার জন্য কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা বলেন, এই টাকা শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (শেবাচিম) কর্তৃপক্ষ নিয়ে থাকে। তবে শেবাচিম হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
এসময়ে অন্দোলনরত একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করেন, পরিচালক জহিরুল ইসলাম আরও কিছু প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকেও টাকা নিয়েছেন। সব মিলিয়ে বছরে প্রায় ৪ থেকে ৫ কোটি টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।
আন্দোলনরত ডিডব্লিইউএফ নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থী অন্তু বিশ্বাস বলেন, “আমরা যখন প্রথম বর্ষে পড়াশোনা করি তখন থিওরিক্যাল আলাপের পর আমাদের ক্লিনিক প্রাক্টিসে বের হতে হয়। তখন শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের ডেমো দেখিয়ে কলেজ কতৃপক্ষ আমাদের ব্যাচ থেকে ২৭ লাখ টাকা নিয়ে নেয়। এটা শুধু আমাদের কলেজ না বাকি কলেজের থেকেও নিয়েছে। এখন এই শেবাচিম হাসপাতাল কতৃপক্ষ টাকা নেয় কি না সেটা জানার জন্যই এখানে আসা।”
আরেক আন্দোলনরত শিক্ষার্থী তানিয়া আক্তার বলেন, “আমাদের সবার কাছ থেকে ক্লিনিক প্রাক্টিস বাবদ ১২ হাজার টাকা নেয়। প্রথমে আন্দোলন করার পর বলছিল ফেরত দিবে। আমরা যখন টাকা আনতে গেছি তখন কলেজ কতৃপক্ষ বলছে, এটা শেবাচিমে দিয়েছি। এখন আমরা সেটাই জানতে এসেছি এই টাকা শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক নিয়েছে কি না।”
তবে শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক ব্রি. জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনির টাকা নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, “আমার কাছে এ ধরনের টাকার প্রপোজাল নিয়ে কেউ আসেনি। আর যেহেতু এরকম একটা প্রতিষ্ঠানের ব্যাপারে এ ধরনের কথা হচ্ছে, আমার প্রথম কাজ হল এটা বন্ধ করা।”
এসকল বিষয়ে জানার জন্য ডিডব্লিইউএফ নার্সিং কলেজের পরিচালক জহিরুল ইসলামকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।
তবে কলেজের অধ্যক্ষ বাসন্তী রাণী বলেন, “ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসের জন্য ল্যাব, প্রস্তুতি এবং শিক্ষকদের সম্মানি বাবদ আমাদের একটা ব্যয় আছে। সে জন্যেই এই অর্থ নেওয়া হয়। তারপরেও ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর শিক্ষার্থীরা এই অর্থ দিতে অপারগতা প্রকাশ করে এবং যারা অর্থ দিয়েছে তারা ফেরত চাইছিল।”
বাসন্তী রাণী আরও বলেন, “আমরা তাদের আম্বাস দিয়েছিলাম পর্যায়ক্রমে এসব অর্থ শিক্ষার্থীদের ফেরত দেওয়া হবে। কিন্তু আজ হঠাৎ করেই উদ্দেশ্যমূলকভাবে তারা বিক্ষোভ শুরু করে। পরে হাসপাতালে যায়। এরপর আবার ফিরে এসে আমাদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন। আমরা আবারও তাদের পর্যায়ক্রমে অর্থ ফেরত দেওয়ার আশ্বাস দিলে বিষয়টি মিটমাট হয়ে যায়।”
এর আগে শিক্ষার্থীরা শেরে-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালকের কার্যালয়ের সামনে গিয়ে প্রতিবাদ জানান।

বরিশালে বেসরকারি ডিডব্লিইউএফ নার্সিং কলেজের পরিচালক মো. জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ক্লিনিক প্রাক্টিসের নামে কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে শিক্ষার্থীরা কলেজের সামনে বিক্ষোভ করেন।
এসময়ে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, ক্লিনিক প্রাক্টিসের জন্য তাদের কাছ থেকে কোনো রসিদ ছাড়াই ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি জানার জন্য কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা বলেন, এই টাকা শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (শেবাচিম) কর্তৃপক্ষ নিয়ে থাকে। তবে শেবাচিম হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
এসময়ে অন্দোলনরত একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করেন, পরিচালক জহিরুল ইসলাম আরও কিছু প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকেও টাকা নিয়েছেন। সব মিলিয়ে বছরে প্রায় ৪ থেকে ৫ কোটি টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।
আন্দোলনরত ডিডব্লিইউএফ নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থী অন্তু বিশ্বাস বলেন, “আমরা যখন প্রথম বর্ষে পড়াশোনা করি তখন থিওরিক্যাল আলাপের পর আমাদের ক্লিনিক প্রাক্টিসে বের হতে হয়। তখন শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের ডেমো দেখিয়ে কলেজ কতৃপক্ষ আমাদের ব্যাচ থেকে ২৭ লাখ টাকা নিয়ে নেয়। এটা শুধু আমাদের কলেজ না বাকি কলেজের থেকেও নিয়েছে। এখন এই শেবাচিম হাসপাতাল কতৃপক্ষ টাকা নেয় কি না সেটা জানার জন্যই এখানে আসা।”
আরেক আন্দোলনরত শিক্ষার্থী তানিয়া আক্তার বলেন, “আমাদের সবার কাছ থেকে ক্লিনিক প্রাক্টিস বাবদ ১২ হাজার টাকা নেয়। প্রথমে আন্দোলন করার পর বলছিল ফেরত দিবে। আমরা যখন টাকা আনতে গেছি তখন কলেজ কতৃপক্ষ বলছে, এটা শেবাচিমে দিয়েছি। এখন আমরা সেটাই জানতে এসেছি এই টাকা শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক নিয়েছে কি না।”
তবে শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক ব্রি. জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনির টাকা নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, “আমার কাছে এ ধরনের টাকার প্রপোজাল নিয়ে কেউ আসেনি। আর যেহেতু এরকম একটা প্রতিষ্ঠানের ব্যাপারে এ ধরনের কথা হচ্ছে, আমার প্রথম কাজ হল এটা বন্ধ করা।”
এসকল বিষয়ে জানার জন্য ডিডব্লিইউএফ নার্সিং কলেজের পরিচালক জহিরুল ইসলামকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।
তবে কলেজের অধ্যক্ষ বাসন্তী রাণী বলেন, “ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসের জন্য ল্যাব, প্রস্তুতি এবং শিক্ষকদের সম্মানি বাবদ আমাদের একটা ব্যয় আছে। সে জন্যেই এই অর্থ নেওয়া হয়। তারপরেও ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর শিক্ষার্থীরা এই অর্থ দিতে অপারগতা প্রকাশ করে এবং যারা অর্থ দিয়েছে তারা ফেরত চাইছিল।”
বাসন্তী রাণী আরও বলেন, “আমরা তাদের আম্বাস দিয়েছিলাম পর্যায়ক্রমে এসব অর্থ শিক্ষার্থীদের ফেরত দেওয়া হবে। কিন্তু আজ হঠাৎ করেই উদ্দেশ্যমূলকভাবে তারা বিক্ষোভ শুরু করে। পরে হাসপাতালে যায়। এরপর আবার ফিরে এসে আমাদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন। আমরা আবারও তাদের পর্যায়ক্রমে অর্থ ফেরত দেওয়ার আশ্বাস দিলে বিষয়টি মিটমাট হয়ে যায়।”
এর আগে শিক্ষার্থীরা শেরে-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালকের কার্যালয়ের সামনে গিয়ে প্রতিবাদ জানান।

বিদ্যুৎ সংকটের কারণ ব্যাখ্যা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “এই পুঞ্জীভূত সমস্যার দায় কোনোভাবেই বর্তমান নির্বাচিত সরকারের নয়। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের অব্যবস্থাপনার দায় আমাদের সবাইকে নিতে হচ্ছে। বর্তমানে কাগজে-কলমে উৎপাদন ক্ষমতা অনেক বেশি থাকলেও বাস্তবতার সঙ্গে তার গড়মিল রয়েছে।”