Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> বিশেষ প্রতিবেদন

আদ-দ্বীন হাসপাতালের রোগী স্থানান্তর নিয়ে অনিশ্চয়তা

আরমান হোসেন মুরাদ

প্রকাশ : ১১ জুন ২০২৬, ২০: ৫৭
আদ-দ্বীন হাসপাতালের রোগী স্থানান্তর নিয়ে অনিশ্চয়তা

ছয় নবজাতকের মৃত্যুর পরিপ্রেক্ষিতে আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করায় রোগী স্থানান্তর নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

লাইসেন্স বাতিলের নির্দেশের ফলে হাসপাতালে নতুন রোগী ভর্তি বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে কার্যক্রম বন্ধের প্রক্রিয়া চললেও হাসপাতালটি সিলগালা না করে নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।

ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের পর আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে আদ-দ্বীন হাসপাতালের বিরুদ্ধে কঠোর সিদ্ধান্ত নেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস সাংবাদিকদের জানান, কারণ দর্শানোর নোটিশের পরিপ্রেক্ষিতেই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে। তিনি বলেন, আগামী ৩০ দিনের মধ্যে হাসপাতালটি আপিল করতে পারবে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

প্রভাত চন্দ্র আরও জানান, আদ–দ্বীন হাসপাতালে বর্তমানে ভর্তি থাকা রোগীদের চিকিৎসা কার্যক্রম চালানোর আর কোনো সুযোগ থাকবে না। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ চাইলে রোগীদের অন্য হাসপাতালে স্থানান্তরের ব্যবস্থা করতে পারবে।

রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালে ৬ শিশুর মৃত্যুAd-din hospital

হাসপাতাল পরিদর্শনে থাকা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (হাসপাতাল) মো. আবু আহমেদ শফি সাংবাদিকদের বলেন, “নিয়ম অনুযায়ী বন্ধ হচ্ছে কি না, সেটা দেখতে আমরা এসেছি। লাইসেন্স বাতিল মানে এখানে আর নতুন রোগী ভর্তি হবে না। কার্যক্রম বন্ধ থাকবে, তবে সিলগালা করা হচ্ছে না।”

এদিকে হাসপাতালের আইন কর্মকর্তা সিফাত শাহারিহার সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা সরকারি সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছি, তবে ক্রিটিকাল রোগী আছে আমাদের এখানে। তাদের জন্য সরাতে সময় প্রয়োজন। এই সময়ে আমরা নতুন রোগী ভর্তি করব না। আমরা প্রত্যাশা করি সরকার আমাদেরকে সকল কার্যক্রম চালু রাখার জন্য কিছুটা সুযোগ দেবে।”

সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী নতুন রোগী ভর্তি বন্ধ হলেও বর্তমানে আইসিইউ, নবজাতক ও সার্জারি ইউনিটে থাকা সংকটাপন্ন রোগীদের স্থানান্তর নিয়ে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা। হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, বেশ কয়েকজন শিশু ও প্রাপ্তবয়স্ক রোগী এখনো লাইফ সাপোর্টে রয়েছেন, যাদের দ্রুত অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

লাইসেন্স বাতিল হওয়ায় রোগী স্থানান্তর নিয়ে বিপাকে পড়েছে অনেকে। ছবি: চরচা
লাইসেন্স বাতিল হওয়ায় রোগী স্থানান্তর নিয়ে বিপাকে পড়েছে অনেকে। ছবি: চরচা

হাসপাতাল প্রাঙ্গণে থাকা রোগীর স্বজনদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা গেছে। অনেকেই বলছেন, হঠাৎ করে চিকিৎসা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেলে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে পড়বে নবজাতক ও আইসিইউতে থাকা রোগীরা। স্বজনরা জানান, তারা দিন-রাত হাসপাতালেই অবস্থান করছেন, কারণ রোগীর অবস্থা স্থিতিশীল না থাকায় স্থানান্তরের বিষয়টি নিয়ে তারা আতঙ্কে রয়েছেন।

শিশু মৃত্যু নিয়ে আদ-দ্বীনের জবাব সন্তোষজনক নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রীhealth minister

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা শিহাব হাসান বলেন, “রোগীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেই ধাপে ধাপে স্থানান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। একইসঙ্গে নতুন রোগী ভর্তি বন্ধ রেখে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে।”

এই কর্মকর্তা আরও জানান, হাসপাতালের ভবিষ্যৎ কার্যক্রম নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকলেও কর্তৃপক্ষ আপিল প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আশা প্রকাশ করেছে। প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত ও মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা এই দুইয়ের মধ্যে সমন্বয় রেখে রোগীদের চিকিৎসা নিরাপদভাবে সম্পন্ন করাই এখন মূল চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিচ্ছে।

হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে থাকা নবজাতককে নিয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন শিশুটির বাবা জাহিদ হাসান। তিনি বলেন, “আমার বাচ্চাটি চার দিন আগে জন্ম নিয়ে এনআইসিইউতে ভর্তি এবং বর্তমানে লাইফ সাপোর্টে রয়েছে। বাচ্চাকে এখান থেকে সরালে সে বাঁচবে না, কারণ ও লাইফ সাপোর্টে আছে। ওকে নাড়ানোই যাবে না। এখন হাসপাতাল বন্ধ হলে আমরা কী করব?”

ইমাম হোসেন এক ব্যক্তি বলেন, “আমি ডাক্তারদের সঙ্গে কথা বলেছি, আমার সব টাকা-পয়সা আগেই জমা দেওয়া হয়েছে। এখন হঠাৎ হাসপাতালের কার্যক্রম বন্ধ হলে আমরা কী করব, কোথায় যাব? আমরা অনেক দিন ধরেই এখানে চিকিৎসা নিচ্ছি, এই হাসপাতালের ওপর আস্থা রেখে এসেছি। এখন যদি কার্যক্রম বন্ধের কারণে আরও কোনো বাচ্চার ক্ষতি হয় বা এনআইসিইউতে থাকা শিশুদের কিছু হয়ে যায়, তাহলে এর দায়ভার কে নেবে? আগে ছয়টা বাচ্চা মারা গেছে, এখন আবার এভাবে বন্ধ হলে নতুন করে ঝুঁকি তৈরি হবে।”

গত ২৭ মে সকালে মগবাজারে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের পোস্ট ডেলিভারি ওয়ার্ডে ছয় নবজাতক মারা যায়। এ ঘটনায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের গঠিত তদন্ত কমিটি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ‘অবহেলা’র প্রমাণ পাওয়ার কথা বলেছে।

তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়, অতিরিক্ত মানুষের উপস্থিতি, দীর্ঘক্ষণ এসি বন্ধ থাকা এবং বিকল্প ভেন্টিলেশনের ব্যবস্থা না থাকা; বাতাসে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ বেড়ে যাওয়াই ছয় শিশুর মৃত্যুর সম্ভাব্য কারণ।

গত ৪ জুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী এক সংবাদ সম্মেলনে তদন্ত কমিটির পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন। ওই দিন বিকেলে হাসপাতালকে কারণ দর্শানোর নোটিস দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতালের লাইসেন্স কেন বাতিল করা হবে না, ৭ জুন বিকাল ৫টার মধ্যে জানাতে বলা হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আরও ৪৮ ঘণ্টা সময় দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল গতকাল বুধবার বলেছিলেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নোটিশের যে জবাব দিয়েছে তা ‘সন্তোষজনক নয়’।

বিষয়: লাইসেন্সস্বাস্থ্য অধিদপ্তরস্বাস্থ্যশিশুমৃত্যুহাসপাতাল
সর্বশেষ
  • ১

    সিএমএসএমই খাতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনআরবি ব্যাংকের চুক্তি

  • ২

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ৩

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৪

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৫

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

সম্পর্কিত
  • সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক: তিন দিনে ২৬ হাজার গ্রাহক তুললেন কত টাকা

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক: তিন দিনে ২৬ হাজার গ্রাহক তুললেন কত টাকা

    সংকটে পড়া পাঁচ ব্যাংক একীভূত হয়ে গঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক থেকে আমানত ফেরত দেওয়া চলছে। টাকা তোলার জন্য আবেদন গ্রহণ শুরুর পর প্রথম তিন দিনে ৫৮ হাজার ৭৪৫ জন গ্রাহক মোট ৩ হাজার ৩০৪ কোটি টাকা উত্তোলনের আবেদন করেছেন। এর মধ্যে ৭ থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন দিনে ২৬ হাজার ৫৬ জন গ্রাহক ব্যাংক থেকে মো

  • সিলেট নগরে যানজট: দায় কার, হকার নাকি অবৈধ পার্কিংয়ের?

    সিলেট নগরে যানজট: দায় কার, হকার নাকি অবৈধ পার্কিংয়ের?

    ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি জানান, যানজটমুক্ত ও সুন্দর সিলেটের কথা চিন্তা করে এই আধুনিক লাক্সারি বাসস্ট্যান্ড তৈরি করা হয়েছে। কিন্তু ঘুরেফিরে ওই মূল রাস্তাতেই বাস দাঁড় করিয়ে যাত্রী তোলা হয়। এসব দেখার বা বলার কেউ নেই।

  • আশুলিয়ায় ‘ট্রিপল মার্ডার’, যা জানা গেল

    আশুলিয়ায় ‘ট্রিপল মার্ডার’, যা জানা গেল

    ঢাকার আশুলিয়ার জামগড়ার ‘ট্রিপল মার্ডারের’ রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। প্রাথমিক তদন্তে হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে পরকীয়া সংক্রান্ত বিরোধের তথ্য পাওয়ার কথা বলছে সংস্থাটি। এ ঘটনায় মূল আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পিবিআই। সোমবার মধ্যরাতে তাকে আশুলিয়ার নরসিংহপুর থেকে

  • এজেন্টদের অভিযোগ এন্তার, বিকাশ বলছে ‘ভিত্তিহীন’

    এজেন্টদের অভিযোগ এন্তার, বিকাশ বলছে ‘ভিত্তিহীন’

    মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রতিষ্ঠান বিকাশ–এর বিরুদ্ধে এজেন্টদের ওপর ডিপিএস ও লেনদেনের টার্গেট পূরণে চাপ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে। অবশ্য বিকাশ এসব অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ বলেই উড়িয়ে দিয়েছে। ফেসবুকের বিভিন্ন গ্রুপে