চরচা ডেস্ক

ইন্দোনেশিয়ার পূর্ব জাভা প্রদেশের সিদোয়ারজো শহরে একটি ইসলামিক বোর্ডিং স্কুলের ভবন ধস হয়। ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৪ জনে দাড়িয়েছে। দেশটির দুর্যোগ প্রশমন সংস্থা তথ্যটি নিশ্চিত করেছে সংবাদ মাধ্যম দ্যা গার্ডিয়ানকে। নিখোজ ১৪ জন ছাত্রের সন্ধানে উদ্ধারকাজ এখনও চলছে।
গত ৩০শে সেপ্টেম্বর শিক্ষার্থীরা যখন দুপুরের প্রার্থনার জন্য জড়ো হয়েছিল, তখনই বহুতল ভবনটির একাংশ ধসে পড়ে। বেশিরভাগ নিহত ও নিখোজ ছাত্রই কিশোর, যাদের বয়স ১৩ থেকে ১৯-এর মধ্যে।
উদ্ধারকারীরা উদ্ধার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। গত সপ্তাহের শেষে প্রায় ৩৫টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, যা থেকে মোট মৃতের সংখ্যা ৫৪-তে দাড়িয়েছে।
ন্যাশনাল ডিজাস্টার মিটিগেশন এজেন্সি এর কর্মকর্তারা জানায়, তারা আশা করছে নিখোজদের খোজে খুব দূরত্ব উদ্ধারকাজ শেষ করতে পারবে। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে। প্রাথমিকভাবে নির্মাণ কাজের নিম্নমান এবং উপর তলায় কংক্রিট ঢালার অতিরিক্ত ওজনের কারণে ভবনটি ধসে পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। বেচে যাওয়া ১০৪ জন ছাত্রের মধ্যে অনেকে আহত হয়েছে। পরবর্তীতে বেশিরভাগ ছাত্র প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরে গেছে। নিখোজদের খবর জানতে উদ্বিগ্ন অভিভাবকরাও ঘটনাস্থলে অপেক্ষা করছে।
সূত্রঃ দ্যা গারডিয়ান

ইন্দোনেশিয়ার পূর্ব জাভা প্রদেশের সিদোয়ারজো শহরে একটি ইসলামিক বোর্ডিং স্কুলের ভবন ধস হয়। ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৪ জনে দাড়িয়েছে। দেশটির দুর্যোগ প্রশমন সংস্থা তথ্যটি নিশ্চিত করেছে সংবাদ মাধ্যম দ্যা গার্ডিয়ানকে। নিখোজ ১৪ জন ছাত্রের সন্ধানে উদ্ধারকাজ এখনও চলছে।
গত ৩০শে সেপ্টেম্বর শিক্ষার্থীরা যখন দুপুরের প্রার্থনার জন্য জড়ো হয়েছিল, তখনই বহুতল ভবনটির একাংশ ধসে পড়ে। বেশিরভাগ নিহত ও নিখোজ ছাত্রই কিশোর, যাদের বয়স ১৩ থেকে ১৯-এর মধ্যে।
উদ্ধারকারীরা উদ্ধার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। গত সপ্তাহের শেষে প্রায় ৩৫টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, যা থেকে মোট মৃতের সংখ্যা ৫৪-তে দাড়িয়েছে।
ন্যাশনাল ডিজাস্টার মিটিগেশন এজেন্সি এর কর্মকর্তারা জানায়, তারা আশা করছে নিখোজদের খোজে খুব দূরত্ব উদ্ধারকাজ শেষ করতে পারবে। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে। প্রাথমিকভাবে নির্মাণ কাজের নিম্নমান এবং উপর তলায় কংক্রিট ঢালার অতিরিক্ত ওজনের কারণে ভবনটি ধসে পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। বেচে যাওয়া ১০৪ জন ছাত্রের মধ্যে অনেকে আহত হয়েছে। পরবর্তীতে বেশিরভাগ ছাত্র প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরে গেছে। নিখোজদের খবর জানতে উদ্বিগ্ন অভিভাবকরাও ঘটনাস্থলে অপেক্ষা করছে।
সূত্রঃ দ্যা গারডিয়ান

প্রতারণার শিকার হয়ে একজন শাহজাহানপুর থানায় মামলা করলে সাইবার পুলিশ সেন্টারের ‘সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টিম’ তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে চক্রটির সদস্য লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা মো. সোহাগ হোসেন কে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।