চরচা ডেস্ক

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামলায় জড়িত ফিলিস্তিনিদের মৃত্যুদণ্ড প্রদান এবং তাদের প্রকাশ্য বিচার নিশ্চিত করতে একটি বিল পেশ করেছেন ইসরায়েলের বিচারমন্ত্রী ইয়ারিভ লেভিন।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, বিলটি আজ সোমবার নেসেটে (ইসরায়েলি পার্লামেন্ট) ভোটাভুটির জন্য উত্থাপন করা হবে। সরকারি এবং বিরোধী—উভয় পক্ষই এই বিলটিকে সমর্থন করছে।
লেভিন বলেন, ‘‘যেহেতু মৃত্যুদণ্ড আরোপের পূর্ণ কর্তৃত্ব রয়েছে, তাই এ ধরনের কোনো সাজা দেওয়া হলে তা কার্যকরও করা হবে।’’
এর আগে গত এপ্রিলে, প্রাণঘাতী হামলায় দোষী সাব্যস্ত ফিলিস্তিনিদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার লক্ষ্যে ইসরায়েল একটি একতরফা বিল উত্থাপন করেছিল।
নেসেট সংবিধান কমিটির চেয়ারম্যান সিমচা রথম্যান বলেন, এই আইনটি ইসরায়েলের শত্রুদের কাছে একটি স্পষ্ট বার্তা পাঠাবে যে, ইসরায়েল রাষ্ট্র চুপ করে বসে থাকবে না, তারা ভুলে যাবে না বা ক্ষমা করবে না এবং আইনে থাকা সর্বোচ্চ কঠোর শাস্তি দেবে, যার মধ্যে মৃত্যুদণ্ডও অন্তর্ভুক্ত।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামলায় জড়িত ফিলিস্তিনিদের মৃত্যুদণ্ড প্রদান এবং তাদের প্রকাশ্য বিচার নিশ্চিত করতে একটি বিল পেশ করেছেন ইসরায়েলের বিচারমন্ত্রী ইয়ারিভ লেভিন।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, বিলটি আজ সোমবার নেসেটে (ইসরায়েলি পার্লামেন্ট) ভোটাভুটির জন্য উত্থাপন করা হবে। সরকারি এবং বিরোধী—উভয় পক্ষই এই বিলটিকে সমর্থন করছে।
লেভিন বলেন, ‘‘যেহেতু মৃত্যুদণ্ড আরোপের পূর্ণ কর্তৃত্ব রয়েছে, তাই এ ধরনের কোনো সাজা দেওয়া হলে তা কার্যকরও করা হবে।’’
এর আগে গত এপ্রিলে, প্রাণঘাতী হামলায় দোষী সাব্যস্ত ফিলিস্তিনিদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার লক্ষ্যে ইসরায়েল একটি একতরফা বিল উত্থাপন করেছিল।
নেসেট সংবিধান কমিটির চেয়ারম্যান সিমচা রথম্যান বলেন, এই আইনটি ইসরায়েলের শত্রুদের কাছে একটি স্পষ্ট বার্তা পাঠাবে যে, ইসরায়েল রাষ্ট্র চুপ করে বসে থাকবে না, তারা ভুলে যাবে না বা ক্ষমা করবে না এবং আইনে থাকা সর্বোচ্চ কঠোর শাস্তি দেবে, যার মধ্যে মৃত্যুদণ্ডও অন্তর্ভুক্ত।