চরচা ডেস্ক

সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি কেন্দ্র ফুজাইরাহতে ড্রোন হামলা ও অগ্নিকাণ্ডের পর কিছু তেল লোডিং কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির শিল্প ও বাণিজ্য সংশ্লিষ্ট সূত্র। আজ শনিবার এই হামলা হয়।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, ফুজাইরাহ মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম বড় বাংকারিং হাব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের গুরুত্বপূর্ণ অপরিশোধিত তেল রপ্তানি টার্মিনাল। এখান থেকেই প্রতিদিন প্রায় ১০ লাখ ব্যারেল ‘মুরবান’ ক্রুড অয়েল রপ্তানি করা হয়, যা বৈশ্বিক তেলের মোট চাহিদার প্রায় ১ শতাংশের সমান।
খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের খারগ দ্বীপের তেল রপ্তানি টার্মিনালে সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানোর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এ ঘটনা ঘটে। এর জবাবে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) সতর্ক করে বলেছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলো–যেমন বন্দর, ডক এবং সামরিক ঘাঁটি তাদের লক্ষ্যবস্তু হতে পারে।
ফুজাইরাহ মিডিয়া অফিস জানায়, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা একটি ড্রোন ভূপাতিত করার সময় তার ধ্বংসাবশেষ পড়ে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। তবে এতে কেউ হতাহত হয়নি। বর্তমানে সিভিল ডিফেন্স বাহিনী আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।
এই ঘটনার পর ফুজাইরাহর কিছু তেল লোডিং কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে ফুজাইরাহ কর্তৃপক্ষ বা আবুধাবির রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি এডনোস বিস্তারিত কিছু জানায়নি।
এর আগে চলতি সপ্তাহে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা সতর্ক করে জানিয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানের ওপর বিমান হামলার পর হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্ব বড় তেল সরবরাহ সংকটের মুখোমুখি হতে পারে।
গত মঙ্গলবারও ড্রোন হামলার কারণে এডনোসের রুওয়াইস রিফাইনারিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে, যার ফলে জ্বালানি অবকাঠামোতে নতুন করে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি কেন্দ্র ফুজাইরাহতে ড্রোন হামলা ও অগ্নিকাণ্ডের পর কিছু তেল লোডিং কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির শিল্প ও বাণিজ্য সংশ্লিষ্ট সূত্র। আজ শনিবার এই হামলা হয়।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, ফুজাইরাহ মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম বড় বাংকারিং হাব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের গুরুত্বপূর্ণ অপরিশোধিত তেল রপ্তানি টার্মিনাল। এখান থেকেই প্রতিদিন প্রায় ১০ লাখ ব্যারেল ‘মুরবান’ ক্রুড অয়েল রপ্তানি করা হয়, যা বৈশ্বিক তেলের মোট চাহিদার প্রায় ১ শতাংশের সমান।
খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের খারগ দ্বীপের তেল রপ্তানি টার্মিনালে সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানোর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এ ঘটনা ঘটে। এর জবাবে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) সতর্ক করে বলেছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলো–যেমন বন্দর, ডক এবং সামরিক ঘাঁটি তাদের লক্ষ্যবস্তু হতে পারে।
ফুজাইরাহ মিডিয়া অফিস জানায়, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা একটি ড্রোন ভূপাতিত করার সময় তার ধ্বংসাবশেষ পড়ে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। তবে এতে কেউ হতাহত হয়নি। বর্তমানে সিভিল ডিফেন্স বাহিনী আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।
এই ঘটনার পর ফুজাইরাহর কিছু তেল লোডিং কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে ফুজাইরাহ কর্তৃপক্ষ বা আবুধাবির রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি এডনোস বিস্তারিত কিছু জানায়নি।
এর আগে চলতি সপ্তাহে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা সতর্ক করে জানিয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানের ওপর বিমান হামলার পর হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্ব বড় তেল সরবরাহ সংকটের মুখোমুখি হতে পারে।
গত মঙ্গলবারও ড্রোন হামলার কারণে এডনোসের রুওয়াইস রিফাইনারিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে, যার ফলে জ্বালানি অবকাঠামোতে নতুন করে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে।