আবদুল গাফফার সাকলাইনকে বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে সবাই চেনেন পেস বোলিং অলরাউন্ডার হিসেবে। টি-টোয়েন্টি দলে তাকে নেওয়া সেই ভূমিকাতেই। তবে ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয় সাকলাইনের হাতে তুলে দিলেন নতুন বল। সুযোগ কাজে লাগানোর বদলে তিনি ভুলে যাওয়ার মত এক স্পেল উপহার দিলেন। সঙ্গে অন্য বোলারদের কঠিন এক দিনে ৫ উইকেটে ১৯৬ রানের স্কোর গড়েছে অস্ট্রেলিয়া।
দ্বিতীয় ম্যাচে টস হেরে আগে বোলিংয়ে নামা বাংলাদেশ শেখ মাহেদি হাসানকে বাদ দিয়ে দলে নেয় নাসুম আহমেদকে। তিনি নতুন বলে দারুণ করেন। চার ওভারে ২৭ রানে নেন দুই উইকেট। তবে মূল সর্বনাশ করে দেন সাকলাইন।
মিডিয়াম পেস গতির বোলিংয়ে দ্বিতীয় ওভারে মিচেল মার্শের কাছে হজম করেন হ্যাটট্রিক বাউন্ডারি। নির্বিষ বোলিংয়ে প্রথম দুই ওভারেই গুনেন ৩২ রান। ফিরতি স্পেলেও ছিলেন খরুচে। ২৬ বলে ৪৫ করা টিম ডেভিডকে শেষ পর্যন্ত ফেরালেও চার ওভারে দেন ৫৩ রান।
প্রথম ছয় ওভারে ৪৪ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলা অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসে প্রাণের সঞ্চার করেন ম্যাট রেনশ। চারে নেমে একদম শেষ পর্যন্ত ব্যাট করে অপরাজিত থাকেন ৮৯ রানে। মাত্র ৪৫ বলের ইনিংস সাজান ৪টি চার ও ৫ ছক্কায়।
নাহিদ রানা ও মুস্তাফিজুর রহমান একটি করে উইকেট পেলেও সাদামাটা বোলিং করেছেন লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন। চার ওভারে উইকেটশূন্য থেকে দিয়েছেন ৪৬ রান।