Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

জাপানের ‘সূর্যের ডিম’ কেন এত দামি?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১৯ জুন ২০২৬, ১৫: ৩৩
জাপানের ‘সূর্যের ডিম’ কেন এত দামি?

জাপানের কিউশু অঞ্চলের মনোরম পরিবেশে উৎপাদিত মিয়াজাকি আম শুধু তার চমৎকার স্বাদের জন্যই নয়, বরং আকাশচুম্বী দামের কারণেও বিশ্বজুড়ে ব্যাপক পরিচিত। টকটকে লাল রঙের এই ফলটিকে ভালোবেসে ‘এগস অব দ্য সান’ বা ‘সূর্যের ডিম’ বলা হয়, যা বিশ্বজুড়ে আমপ্রেমীদের নজর ও মন—দুই-ই কেড়ে নিয়েছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

মিয়াজাকি অ্যাগ্রিকালচারাল ইকোনমিক ফেডারেশনের হিসাব অনুযায়ী, জাপানের সূর্যডিম বা মিয়াজাকি বিশ্বের সবচেয়ে দামি আম। জাপানে ২০১৯ সালে এক জোড়া মিয়াজাকির দাম উঠেছিল প্রায় পাঁচ হাজার ডলার, অর্থাৎ চার লাখ টাকার বেশি। যেখানে বাংলাদেশের জনপ্রিয় আম্রপালি বা হিমসাগর আমের দাম প্রতি কেজি মাত্র ১০০ টাকা বা তার কম, সেখানে এই মিয়াজাকি আমের বিশেষত্ব কী, যার কারণে এর দাম এত বেশি?

একটি মিয়াজাকি আমের গাছ থেকে বাজারে পৌঁছানোর প্রক্রিয়াটি সাধারণ কোনো ফলের মতো নয়। এগুলোকে অত্যন্ত যত্ন সহকারে চাষ করা হয়।

প্রতিটি আমের জন্য আলাদাভাবে যত্ন নেওয়া হয়। এগুলোকে ছোট ছোট জালে ঢেকে রাখা হয়, যা ফলকে পোকামাকড় থেকে রক্ষা করে। একইসাথে আম পাকার পর গাছ থেকে ঝরে যাতে মাটিতে পড়ে কোনো আঘাত না পায়, বরং জালের ভেতরেই আলতোভাবে আটকে থাকে, তা নিশ্চিত করে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
বদরুদ্দোজা আম খেয়েছেন কখনো?Mango

মার্কিন গণমাধ্যম বিজনেস ইনসাইডারের এক প্রতিবেদনে জানা যায়, এই আমগুলো গ্রিনহাউসে চাষ করা হয়। সেখানে এর নিখুঁত ফলনের জন্য তাপমাত্রা, আর্দ্রতা এবং সূর্যালোক কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয়।

চাষিরা প্রায়ই নিজের হাত দিয়ে আমের মুকুলের পরাগায়ন ঘটান। এটি অত্যন্ত শ্রমসাধ্য ও সময়সাপেক্ষ প্রক্রিয়া হলেও, ফলের চমৎকার গঠন ও গুণগত মান নিশ্চিত করতে দারুণ ভূমিকা রাখে।

মিয়াজাকি আম মালাইয়ের মতো ক্রিমি টেক্সচারের জন্য বিখ্যাত। ছবি: সংগৃহীত
মিয়াজাকি আম মালাইয়ের মতো ক্রিমি টেক্সচারের জন্য বিখ্যাত। ছবি: সংগৃহীত

মিয়াজাকি আম চাষের এই কঠোর পদ্ধতির কারণে স্বাভাবিকভাবেই এর উৎপাদন ও সরবরাহ বেশ সীমিত থাকে। তা ছাড়া, উৎপাদনের পর অত্যন্ত কড়া বাছাই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয় বলে, উৎপাদিত সব আমের মধ্যে কেবল একটি ছোট অংশই প্রিমিয়াম বা অভিজাত বাজারে জায়গা পায়। বিশ্বজুড়ে বিলাসবহুল ও দুর্লভ ফলের চাহিদা বাড়ার বিপরীতে এই সীমিত সরবরাহ এর দামকে আকাশচুম্বী করে তোলে।

মিয়াজাকি আমের এই চড়া দামের আসল রহস্য লুকিয়ে আছে এর গুণমানের মধ্যে। এই আমগুলো তাদের অতুলনীয় মিষ্টি স্বাদ এবং মুখে দিলেই মিলিয়ে যাওয়া মালাইয়ের মতো ক্রিমি টেক্সচারের জন্য বিখ্যাত, যা একে অন্য সব জাতের আম থেকে সম্পূর্ণ আলাদা করেছে।

আম খেলে শরীরে কী কী উপকার পাওয়া যায়?Mango

স্বাদের পাশাপাশি এই আমের বাহ্যিক সৌন্দর্যও এর মূল্য বাড়াতে বড় ভূমিকা রাখে। আমগুলোকে অত্যন্ত যত্ন সহকারে দৃষ্টিনন্দন ও প্রিমিয়াম লেভেল বক্সে প্যাকেট করা হয়। এই চমৎকার উপস্থাপনা আমটিকে একটি বিলাসবহুল পণ্যের মর্যাদায় নিয়ে গিয়েছে।

গত কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশসহ ভারতীয় উপমহাদেশে মিয়াজাকি আমের চাষ হচ্ছে। শুরুতে শখের বশে হলেও এখন বাণিজ্যিকভাবে চাষ হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম থেকে জানা যায়, দিনাজপুর, নাটোর, পার্বত্য চট্টগ্রাম মিয়াজাকি আমের চাষ হয়। এছাড়া রাজধানীর আসাদগেট এলাকায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ফলের বাগানেও ছোট কয়েকটি মিয়াজাকি আমগাছ রয়েছে। সেখানেও ভালো ফলন হয়।

তবে পার্বত্য চট্টগ্রামে মিয়াজাকি আমের চাষ বেশি হয়। কারণ আবহাওয়া। পাহাড়ের উঁচু স্থানে দিনে গরম বেশি থাকলেও রাতে তা কমে আসে। এই কম তাপমাত্রা আমের মিষ্টতা তৈরির প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে। পাহাড়ে এই প্রক্রিয়া দ্রুত হয়।

বিষয়: আমস্বাদকাহননাটোরপার্বত্য চট্টগ্রামজাপানবাংলাদেশদিনাজপুর
সর্বশেষ
  • ১

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ২

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৩

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

  • ৪

    মহাখালীতে এসকেএস টাওয়ারের পেছনের ভবনে আগুন

  • ৫

    ‘২৪ ঘণ্টা হল খোলা চাই, এইখানে একটা মিসলিডিং আছে’

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।