চরচা ডেস্ক

“কিন্তু আমি বলি-আমার দেশ আমার জন্য মরুক। এখন পর্যন্ত, সে তো তা-ই করেছে। আমি মরতে চাই না। মৃত্যু জাহান্নামে যাক। জীবন দীর্ঘজীবী হোক!” এগুলো বিশ্বখ্যাত উপন্যাস ইউলিসিসের শেষ অধ্যায়ের। এমন লাইনের রচয়িতা জেমস জয়েস। বলা হয়, হোমারের ওডিসির আদলে লেখা এই পৃথিবীর ‘দুর্বোধ্যতম’ উপন্যাস এটি। অধিকাংশ পাঠকই বেশ নাকাল হয় এই উপন্যাস পড়তে গিয়ে। এমনকি অনেকেই পড়া শুরু করলেও বেশির ভাগ নাকি শেষ করে উঠতে পারে না ইউলিসিস। কিন্তু তবু আগ্রহের কমতি নেই এই উপন্যাস ঘিরে।
এই উপন্যাস আর এর স্রষ্টা জেমস জয়েসের জন্মদিন আজ। এই উপন্যাস ছাপা হয় ২ ফেব্রুয়ারি ১৯২২ আর জয়েসের জন্ম হয় ২ ফেব্রুয়ারি ১৮৮২।
১৯১৪ থেকে ১৯২১, দীর্ঘ সাত বছরের নিরলস প্রচেষ্টায় জেমস জয়েস গড়ে তুলেছিলেন প্রায় ৮০০ পৃষ্ঠার এক বিশাল সাহিত্যকীর্তি। আশ্চর্যের বিষয় হলো, এই বিশাল কলেবরের উপন্যাসের পটভূমি জুড়ে আছে মাত্র একটি দিনের গল্প। ১৯০৪ সালের ১৬ জুন। ১৬ জুন তাই ইউলিসিসের দিন। সাহিত্যপ্রেমিরা এই দিনকে বলে ‘ব্লুমস ডে’। ব্লুমস ডে নামটি এসেছে উপন্যাসের মূল চরিত্র লিওপোল্ড ব্লুম থেকে। বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় জয়েসের ভক্তরা দিনটি পালন করে।
গল্পের কেন্দ্রবিন্দু জয়েসের চিরচেনা ডাবলিন শহর।
উপন্যাসটি রচনার সময় জয়েস সবচেয়ে বেশি শ্রম দিয়েছিলেন ডাবলিনের প্রতিটি অলিগলি, বাতাসের ঘ্রাণ আর দৃশ্যপটগুলোকে নিখুঁতভাবে জীবন্ত করে তুলতে। অথচ মজার ব্যাপার হলো, দীর্ঘ সময় ধরে তিনি ওই শহরটির ছায়াও মাড়াননি। আজকের যুগের ‘গুগল স্ট্রিট ভিউ’-এর মতো কোনো প্রযুক্তি তখন ছিল না। তাই প্যারিসের নির্জনে বসে কেবল প্রখর স্মৃতিশক্তির ওপর ভর করেই তিনি পুনর্নির্মাণ করেছিলেন তার হৃদয়ে গেঁথে থাকা সেই পুরনো ডাবলিনকে।
ইউলিসিস নিয়ে বানানো হয়েছে অ্যাপ, আছে গ্রাফিক নভেল।
গত ১০০ বছর ধরে ‘ইউলিসিস’ যেমন তর্কের ঝড় তুলেছে, তেমনি আধুনিক সাহিত্যকে পৌঁছে দিয়েছে এক অনন্য উচ্চতায়। জয়েসের এই সৃষ্টি আজও বিশ্বসাহিত্যের আঙিনায় এক অন্তহীন বিস্ময় হয়ে টিকে আছে।

“কিন্তু আমি বলি-আমার দেশ আমার জন্য মরুক। এখন পর্যন্ত, সে তো তা-ই করেছে। আমি মরতে চাই না। মৃত্যু জাহান্নামে যাক। জীবন দীর্ঘজীবী হোক!” এগুলো বিশ্বখ্যাত উপন্যাস ইউলিসিসের শেষ অধ্যায়ের। এমন লাইনের রচয়িতা জেমস জয়েস। বলা হয়, হোমারের ওডিসির আদলে লেখা এই পৃথিবীর ‘দুর্বোধ্যতম’ উপন্যাস এটি। অধিকাংশ পাঠকই বেশ নাকাল হয় এই উপন্যাস পড়তে গিয়ে। এমনকি অনেকেই পড়া শুরু করলেও বেশির ভাগ নাকি শেষ করে উঠতে পারে না ইউলিসিস। কিন্তু তবু আগ্রহের কমতি নেই এই উপন্যাস ঘিরে।
এই উপন্যাস আর এর স্রষ্টা জেমস জয়েসের জন্মদিন আজ। এই উপন্যাস ছাপা হয় ২ ফেব্রুয়ারি ১৯২২ আর জয়েসের জন্ম হয় ২ ফেব্রুয়ারি ১৮৮২।
১৯১৪ থেকে ১৯২১, দীর্ঘ সাত বছরের নিরলস প্রচেষ্টায় জেমস জয়েস গড়ে তুলেছিলেন প্রায় ৮০০ পৃষ্ঠার এক বিশাল সাহিত্যকীর্তি। আশ্চর্যের বিষয় হলো, এই বিশাল কলেবরের উপন্যাসের পটভূমি জুড়ে আছে মাত্র একটি দিনের গল্প। ১৯০৪ সালের ১৬ জুন। ১৬ জুন তাই ইউলিসিসের দিন। সাহিত্যপ্রেমিরা এই দিনকে বলে ‘ব্লুমস ডে’। ব্লুমস ডে নামটি এসেছে উপন্যাসের মূল চরিত্র লিওপোল্ড ব্লুম থেকে। বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় জয়েসের ভক্তরা দিনটি পালন করে।
গল্পের কেন্দ্রবিন্দু জয়েসের চিরচেনা ডাবলিন শহর।
উপন্যাসটি রচনার সময় জয়েস সবচেয়ে বেশি শ্রম দিয়েছিলেন ডাবলিনের প্রতিটি অলিগলি, বাতাসের ঘ্রাণ আর দৃশ্যপটগুলোকে নিখুঁতভাবে জীবন্ত করে তুলতে। অথচ মজার ব্যাপার হলো, দীর্ঘ সময় ধরে তিনি ওই শহরটির ছায়াও মাড়াননি। আজকের যুগের ‘গুগল স্ট্রিট ভিউ’-এর মতো কোনো প্রযুক্তি তখন ছিল না। তাই প্যারিসের নির্জনে বসে কেবল প্রখর স্মৃতিশক্তির ওপর ভর করেই তিনি পুনর্নির্মাণ করেছিলেন তার হৃদয়ে গেঁথে থাকা সেই পুরনো ডাবলিনকে।
ইউলিসিস নিয়ে বানানো হয়েছে অ্যাপ, আছে গ্রাফিক নভেল।
গত ১০০ বছর ধরে ‘ইউলিসিস’ যেমন তর্কের ঝড় তুলেছে, তেমনি আধুনিক সাহিত্যকে পৌঁছে দিয়েছে এক অনন্য উচ্চতায়। জয়েসের এই সৃষ্টি আজও বিশ্বসাহিত্যের আঙিনায় এক অন্তহীন বিস্ময় হয়ে টিকে আছে।