চরচা প্রতিবেদক

রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতা পাওয়ায় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে আয়োজন সম্ভব বলে আশাবাদী নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ।
আজ সোমবার রাজধানীর নির্বাচন ভবনে গণভোট এবং নির্বাচনকে সামনে রেখে ইসির প্রস্তুতি প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
মাছউদ বলেন, “আমরা মনে করি রাজনৈতিক দলগুলো সব দিক থেকেই আমাদের পূর্ণ সহযোগিতা করছে এবং আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে আমরা একটি ভালো নির্বাচন আয়োজন করতে পারব।”
কোনো রাজনৈতিক দল থেকে অসহযোগিতা কিংবা চাপের মুখে পড়ছেন কি না–জানতে চাইলে এই নির্বাচন কমিশনার জানান, ইসি কোনো মহল থেকেই চাপের মুখে পড়েনি। তিনি বলেন, “আমরা কোনো চাপ পাইনি। সংবিধান আমাদের যে দায়িত্ব দিয়েছে, তা পালনে আমরা সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে কাজ করছি। সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ আমরা গ্রহণ করছি।”
নির্বাচনী পরিবেশ সম্পর্কে আরেক প্রশ্নের জবাবে মাছউদ বলেন, এখন পর্যন্ত পরিস্থিতি সন্তোষজনক রয়েছে। তিনি আরও বলেন, “আমরা খুবই আশাবাদী। এখন পর্যন্ত যে পরিবেশ আমরা দেখেছি, তাতে পরিস্থিতি বেশ ভালো বলে মনে হচ্ছে।”
ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আমি ভোটারদের অনুরোধ জানাই, তারা যেন স্বাধীনভাবে ভোটকেন্দ্রে এসে নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেন এবং নাগরিক দায়িত্ব পালন করেন।”
মাছউদ বলেন, “কেউ যদি অযোগ্য হওয়া সত্ত্বেও কোনোভাবে প্রক্রিয়া পেরিয়ে নির্বাচিত হয়ে যান, তাহলেও পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ আমাদের আছে।”
তিনি জানান, অনেক প্রার্থী হলফনামা কিংবা সম্পদের বিবরণীতে ভুল বা মিথ্যা তথ্য দিয়ে থাকেন। এ ধরনের অনিয়ম মোকাবিলায় ২০২৫ সালে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে নতুন আইনগত বিধান যুক্ত করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে ৯১এফ অনুচ্ছেদ সংযোজন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
প্রার্থীরা মিথ্যা হলফনামা জমা দেয়া প্রসঙ্গে আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, “নতুন ওই বিধান অনুযায়ী, নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার পরও যদি কোনো প্রার্থীর হলফনামা কিংবা আয়-ব্যয়ের হিসাব বিবরণীতে মিথ্যা তথ্য পাওয়া যায়, তাহলে নির্বাচন কমিশনের ওই প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করার ক্ষমতা থাকবে।”

রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতা পাওয়ায় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে আয়োজন সম্ভব বলে আশাবাদী নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ।
আজ সোমবার রাজধানীর নির্বাচন ভবনে গণভোট এবং নির্বাচনকে সামনে রেখে ইসির প্রস্তুতি প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
মাছউদ বলেন, “আমরা মনে করি রাজনৈতিক দলগুলো সব দিক থেকেই আমাদের পূর্ণ সহযোগিতা করছে এবং আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে আমরা একটি ভালো নির্বাচন আয়োজন করতে পারব।”
কোনো রাজনৈতিক দল থেকে অসহযোগিতা কিংবা চাপের মুখে পড়ছেন কি না–জানতে চাইলে এই নির্বাচন কমিশনার জানান, ইসি কোনো মহল থেকেই চাপের মুখে পড়েনি। তিনি বলেন, “আমরা কোনো চাপ পাইনি। সংবিধান আমাদের যে দায়িত্ব দিয়েছে, তা পালনে আমরা সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে কাজ করছি। সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ আমরা গ্রহণ করছি।”
নির্বাচনী পরিবেশ সম্পর্কে আরেক প্রশ্নের জবাবে মাছউদ বলেন, এখন পর্যন্ত পরিস্থিতি সন্তোষজনক রয়েছে। তিনি আরও বলেন, “আমরা খুবই আশাবাদী। এখন পর্যন্ত যে পরিবেশ আমরা দেখেছি, তাতে পরিস্থিতি বেশ ভালো বলে মনে হচ্ছে।”
ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আমি ভোটারদের অনুরোধ জানাই, তারা যেন স্বাধীনভাবে ভোটকেন্দ্রে এসে নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেন এবং নাগরিক দায়িত্ব পালন করেন।”
মাছউদ বলেন, “কেউ যদি অযোগ্য হওয়া সত্ত্বেও কোনোভাবে প্রক্রিয়া পেরিয়ে নির্বাচিত হয়ে যান, তাহলেও পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ আমাদের আছে।”
তিনি জানান, অনেক প্রার্থী হলফনামা কিংবা সম্পদের বিবরণীতে ভুল বা মিথ্যা তথ্য দিয়ে থাকেন। এ ধরনের অনিয়ম মোকাবিলায় ২০২৫ সালে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে নতুন আইনগত বিধান যুক্ত করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে ৯১এফ অনুচ্ছেদ সংযোজন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
প্রার্থীরা মিথ্যা হলফনামা জমা দেয়া প্রসঙ্গে আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, “নতুন ওই বিধান অনুযায়ী, নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার পরও যদি কোনো প্রার্থীর হলফনামা কিংবা আয়-ব্যয়ের হিসাব বিবরণীতে মিথ্যা তথ্য পাওয়া যায়, তাহলে নির্বাচন কমিশনের ওই প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করার ক্ষমতা থাকবে।”