
মাছউদ বলেন, “কেউ যদি অযোগ্য হওয়া সত্ত্বেও কোনোভাবে প্রক্রিয়া পেরিয়ে নির্বাচিত হয়ে যান, তাহলেও পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ আমাদের আছে।”

‘নির্বাচনী হলফনামায় প্রার্থী পরিচিতি: ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ২০২৬’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি)।

‘নির্বাচনী হলফনামায় প্রার্থী পরিচিতি: ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ২০২৬’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি)।

প্রার্থীর চেয়ে স্ত্রীর সম্পদ বেশি হওয়া নিয়ে অনেক সময়ই প্রশ্ন ওঠে। প্রশ্নটির উত্তরও হয়তো সহজ। স্ত্রীর সম্পদ বেশি দেখিয়ে আদতে প্রার্থী নিজের সম্পদের পরিমাণ গোপন করতে চান। সম্পদ গোপনের মধ্য দিয়ে হয়তো প্রার্থী নির্বাচনী আইনের বাধ্যবাধকতাগুলো এড়িয়ে যেতে চান। আইনি বাধ্যবাধকতা না থাকলেও বিষয়টি কতটুকু নৈতিক

প্রার্থীদের দেওয়া হলফনামায় কতটা আস্থা রাখা যায়? প্রার্থীদের সম্পদের হিসাব, ভুয়া দেওয়াই কি নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে? প্রার্থীরা নির্বাচনের সময় যে সম্পদের হিসাব দেন, বাস্তবের সাথে তার মিল থাকে খুব কম। ক্ষমতা থেকে নামার পর আসে দুর্নীতির অভিযোগ।

শফিকুর রহমান মোট সম্পদের আনুমানিক মূল্য এক কোটি ২ লাখ ৭৩ হাজার ৬৪০ টাকা উল্লেখ করেছেন।