সিলেট প্রতিনিধি

সিলেট-১ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের প্রার্থী হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে তথ্য গোপনের অভিযোগ এনে মনোনয়নপত্র বাতিলের আবেদন করেছেন সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী।
আজ সোমবার দুপুরে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার সারওয়ার আলমের কাছে তিনি লিখিত অভিযোগ জমা দেন।
অভিযোগে বলা হয়, প্রার্থী তার হলফনামায় উল্লেখ করেছেন যে, তিনি কোনো কোম্পানির পরিচালক বা শেয়ারহোল্ডার নন এবং তার কোনো ঋণ বা দায়ও নেই। কিন্তু জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ অ্যান্ড ফার্মসের তথ্য অনুযায়ী, তিনি ইবনে সিনা হাসপাতাল সিলেট লিমিটেডের পরিচালক এবং আল হারামাইন মেডিকেল সার্ভিসেস লিমিটেডের শেয়ারহোল্ডার। ফলে তার হলফনামার তথ্যকে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর হিসেবে দাবি করেছে বিএনপি।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ইবনে সিনা হাসপাতাল সিলেট লিমিটেডের নামে বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে নেওয়া ২৪ কোটি এক লাখ ২৭ হাজার ৪৪৮ টাকার ঋণ বর্তমানে বকেয়া রয়েছে।
বিএনপির অভিযোগ, এই আর্থিক দায় ইচ্ছাকৃতভাবে গোপন করা হয়েছে, যা নির্বাচনী আইন লঙ্ঘন।
রেজাউল হাসান বলেন, হলফনামায় মিথ্যা তথ্য প্রদান দণ্ডবিধির ১৮১ ও ১৯৩ ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ এবং এটি ভোটার ও নির্বাচন কমিশনকে বিভ্রান্ত করার উদ্দেশ্য বহন করে। তাই তিনি রিটার্নিং অফিসারের কাছে হাবিবুর রহমানের মনোনয়ন বাতিলসহ তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

সিলেট-১ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের প্রার্থী হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে তথ্য গোপনের অভিযোগ এনে মনোনয়নপত্র বাতিলের আবেদন করেছেন সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী।
আজ সোমবার দুপুরে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার সারওয়ার আলমের কাছে তিনি লিখিত অভিযোগ জমা দেন।
অভিযোগে বলা হয়, প্রার্থী তার হলফনামায় উল্লেখ করেছেন যে, তিনি কোনো কোম্পানির পরিচালক বা শেয়ারহোল্ডার নন এবং তার কোনো ঋণ বা দায়ও নেই। কিন্তু জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ অ্যান্ড ফার্মসের তথ্য অনুযায়ী, তিনি ইবনে সিনা হাসপাতাল সিলেট লিমিটেডের পরিচালক এবং আল হারামাইন মেডিকেল সার্ভিসেস লিমিটেডের শেয়ারহোল্ডার। ফলে তার হলফনামার তথ্যকে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর হিসেবে দাবি করেছে বিএনপি।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ইবনে সিনা হাসপাতাল সিলেট লিমিটেডের নামে বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে নেওয়া ২৪ কোটি এক লাখ ২৭ হাজার ৪৪৮ টাকার ঋণ বর্তমানে বকেয়া রয়েছে।
বিএনপির অভিযোগ, এই আর্থিক দায় ইচ্ছাকৃতভাবে গোপন করা হয়েছে, যা নির্বাচনী আইন লঙ্ঘন।
রেজাউল হাসান বলেন, হলফনামায় মিথ্যা তথ্য প্রদান দণ্ডবিধির ১৮১ ও ১৯৩ ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ এবং এটি ভোটার ও নির্বাচন কমিশনকে বিভ্রান্ত করার উদ্দেশ্য বহন করে। তাই তিনি রিটার্নিং অফিসারের কাছে হাবিবুর রহমানের মনোনয়ন বাতিলসহ তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।