সিলেট প্রতিনিধি

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে চাঁদা না পেয়ে প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল্লাহ খানের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় যুবদল নেতার বিরুদ্ধে। এ সময় ঘরের আসবাবপত্র ও অন্যান্য মালামালও লুটপাট করে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রানীগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক নিজাম উদ্দিন।
গতকাল রোববার দুপুর ২টার পর উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে ভুক্তভোগী পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।
নিজাম উদ্দিন ছাড়াও সিহাব মিয়া ও মজনু মিয়ার নেতৃত্বে আরও কয়েকজন জড়িত বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ঘটনার একটি ভিডিওতে নিজাম উদ্দিনকে দেখা গেলেও তিনি দাবি করেছেন, ঘটনার সময় তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন না।
ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রয়াত আব্দুল্লাহ খান স্বাধীনতার পর থেকে ইসলামপুর গ্রামের একটি সরকারি জায়গায় পরিবার নিয়ে বসবাস শুরু করেন। পরে ২০১০ সালে সরকারের পক্ষ থেকে ওই জায়গাটি তার নামে ৯৯ বছরের জন্য বন্দোবস্ত দেওয়া হয়।
মুক্তিযোদ্ধার ছেলে আব্দুল গফফার দাবি করেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে নিজাম উদ্দিন জায়গাটি দখলের চেষ্টা শুরু করেন। তিনি বলেন, “গত মাসের ২২ তারিখে আমাদের পৈতৃক ভিটায় ঘর উন্নয়নের কাজ শুরু করি। তখন নিজাম উদ্দিন ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে তিনি প্রাণনাশের হুমকি দেন। আজ তার নেতৃত্বে কয়েকজন এসে আমাদের বসতঘরে হামলা চালিয়ে ঘরটি ভেঙে ফেলে এবং আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। এতে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। ভাঙচুরের ভিডিও রয়েছে।”
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে রানীগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক নিজাম উদ্দিন মুঠোফোনে বলেন, “এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না। আমি ঘটনাস্থলে যাইনি।”
ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী জগন্নাথপুর থানার এসআই হাদী আব্দুল্লাহ বলেন, “ভাঙচুরের খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। মুক্তিযোদ্ধার ছেলের ঘরটি ভেঙে দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।”

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে চাঁদা না পেয়ে প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল্লাহ খানের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় যুবদল নেতার বিরুদ্ধে। এ সময় ঘরের আসবাবপত্র ও অন্যান্য মালামালও লুটপাট করে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রানীগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক নিজাম উদ্দিন।
গতকাল রোববার দুপুর ২টার পর উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে ভুক্তভোগী পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।
নিজাম উদ্দিন ছাড়াও সিহাব মিয়া ও মজনু মিয়ার নেতৃত্বে আরও কয়েকজন জড়িত বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ঘটনার একটি ভিডিওতে নিজাম উদ্দিনকে দেখা গেলেও তিনি দাবি করেছেন, ঘটনার সময় তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন না।
ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রয়াত আব্দুল্লাহ খান স্বাধীনতার পর থেকে ইসলামপুর গ্রামের একটি সরকারি জায়গায় পরিবার নিয়ে বসবাস শুরু করেন। পরে ২০১০ সালে সরকারের পক্ষ থেকে ওই জায়গাটি তার নামে ৯৯ বছরের জন্য বন্দোবস্ত দেওয়া হয়।
মুক্তিযোদ্ধার ছেলে আব্দুল গফফার দাবি করেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে নিজাম উদ্দিন জায়গাটি দখলের চেষ্টা শুরু করেন। তিনি বলেন, “গত মাসের ২২ তারিখে আমাদের পৈতৃক ভিটায় ঘর উন্নয়নের কাজ শুরু করি। তখন নিজাম উদ্দিন ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে তিনি প্রাণনাশের হুমকি দেন। আজ তার নেতৃত্বে কয়েকজন এসে আমাদের বসতঘরে হামলা চালিয়ে ঘরটি ভেঙে ফেলে এবং আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। এতে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। ভাঙচুরের ভিডিও রয়েছে।”
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে রানীগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক নিজাম উদ্দিন মুঠোফোনে বলেন, “এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না। আমি ঘটনাস্থলে যাইনি।”
ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী জগন্নাথপুর থানার এসআই হাদী আব্দুল্লাহ বলেন, “ভাঙচুরের খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। মুক্তিযোদ্ধার ছেলের ঘরটি ভেঙে দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।”

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে চাঁদা না পেয়ে প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল্লাহ খানের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় যুবদল নেতার বিরুদ্ধে। এ সময় ঘরের আসবাবপত্র ও অন্যান্য মালামালও লুটপাট করে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রানীগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক নিজাম উদ্দিন।