চরচা প্রতিবেদক

সংবিধান সংশোধনের সংসদের সকল দল ও স্বতন্ত্র সদস্যদের প্রতিনিধি নিয়ে বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব করেছে সরকারি দল বিএনপি। তবে বিরোধী দল জামায়াত এই কমিটিতে সব দলের সমাসংখ্যক প্রতিনিধিত্ব দাবি করেছে
আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের একটি মুলতবি প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতার পক্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেন।
জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদের সভা ডাকার বিষয়ে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানের তোলা মুলতবি প্রস্তাবের ওপর মঙ্গলবার আলোচনা হয়।
সন্ধ্যার পর কার্যপ্রণালী বিধির ৬২ বিধিতে এই আলোচনা শুরু হয়। এর আগে ২৯ মার্চ সংসদের বৈঠকে ঠিক হয়, ৩১ মার্চ বিষয়টি নিয়ে দুই ঘণ্টা আলোচনা হবে।
মূলতবি প্রস্তাবের আলোচ্য বিষয়ে বলা হয়েছে, “জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ (আদেশ নং-০১, ২০২৫) এর অনুচ্ছেদ ১০ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহবান প্রসঙ্গে।”
প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় সরকারি ও বিরোধী দলের সদস্যরা অংশ নেয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রস্তাবের পর বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান বিশেষ কমিটিতে সমানসংখ্যক সদস্য রাখার দাবি তোলেন।
অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে দীর্ঘ এক বছরের আলোচনা ও তর্কবিতর্কের পর জুলাই জাতীয় সনদ চূড়ান্ত করা হয়। যা স্বাক্ষর হয় গত বছরের ১৭ অক্টোবর।
এরপর জুলাই জাতীয় সনদের সংবিধান সম্পর্কিত ৪৮টি সংস্কার প্রস্তাবের বাস্তবায়ন কীভাবে হবে, তা ঠিক করে দিয়ে গত ১৩ নভেম্বর ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ’ জারি করা হয়। আর সেসব সংস্কার প্রস্তাবের বাস্তবায়নের বিষয়ে জনগণের সম্মতি নিতে ১২ ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচনের দিন গণভোট হয়।
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হওয়ায় ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ’ অনুযায়ী, বর্তমান সংসদের সদস্যদের সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবেও ভূমিকা রাখার কথা। সংসদ নির্বাচনের ফল ঘোষণার ৩০ দিনের র মধ্যে পরিষদের প্রথম অধিবেশন ডাকার কথা।
জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অনুসারে, নির্বাচনে জয়ী ব্যক্তিরা একই দিনে সংসদ সদস্য ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে দুটি শপথ নেওয়ার কথা ছিল। জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) বিরোধী দলের সদস্যরা সেদিন দুটি শপথ নেয়। তবে বিএনপির সংসদ সদস্যরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেননি। ফলে নির্ধারিত ৩০ দিন সময়ে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠিত হয়নি।
বিরোধীদলীয় নেতা জামায়াত আমির শফিকুর রহমান গত রোববার সংসদে মুলতবি প্রস্তাব উত্থাপনের নোটিশ দেন। সেদিন ওই নোটিশের বৈধতা নিয়ে সরকারি দলের সদস্যরা প্রশ্ন তুললে এক পর্যায়ে অধিবেশনে হট্টগোলও হয়। পরে সভাপতির আসনে থাকা ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল মঙ্গলবার দুই ঘণ্টা আলোচনা হবে সিদ্ধান্ত দেন।
মঙ্গলবার ওই নোটিশের ওপর আলোচনা শেষ করেন আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান। পরে স্পিকার হাফিজউদ্দিন আহমদ সংসদের বৈঠক বুধবার বিকেল পর্যন্ত মুলতবি করেন।

সংবিধান সংশোধনের সংসদের সকল দল ও স্বতন্ত্র সদস্যদের প্রতিনিধি নিয়ে বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব করেছে সরকারি দল বিএনপি। তবে বিরোধী দল জামায়াত এই কমিটিতে সব দলের সমাসংখ্যক প্রতিনিধিত্ব দাবি করেছে
আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের একটি মুলতবি প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতার পক্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেন।
জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদের সভা ডাকার বিষয়ে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানের তোলা মুলতবি প্রস্তাবের ওপর মঙ্গলবার আলোচনা হয়।
সন্ধ্যার পর কার্যপ্রণালী বিধির ৬২ বিধিতে এই আলোচনা শুরু হয়। এর আগে ২৯ মার্চ সংসদের বৈঠকে ঠিক হয়, ৩১ মার্চ বিষয়টি নিয়ে দুই ঘণ্টা আলোচনা হবে।
মূলতবি প্রস্তাবের আলোচ্য বিষয়ে বলা হয়েছে, “জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ (আদেশ নং-০১, ২০২৫) এর অনুচ্ছেদ ১০ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহবান প্রসঙ্গে।”
প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় সরকারি ও বিরোধী দলের সদস্যরা অংশ নেয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রস্তাবের পর বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান বিশেষ কমিটিতে সমানসংখ্যক সদস্য রাখার দাবি তোলেন।
অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে দীর্ঘ এক বছরের আলোচনা ও তর্কবিতর্কের পর জুলাই জাতীয় সনদ চূড়ান্ত করা হয়। যা স্বাক্ষর হয় গত বছরের ১৭ অক্টোবর।
এরপর জুলাই জাতীয় সনদের সংবিধান সম্পর্কিত ৪৮টি সংস্কার প্রস্তাবের বাস্তবায়ন কীভাবে হবে, তা ঠিক করে দিয়ে গত ১৩ নভেম্বর ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ’ জারি করা হয়। আর সেসব সংস্কার প্রস্তাবের বাস্তবায়নের বিষয়ে জনগণের সম্মতি নিতে ১২ ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচনের দিন গণভোট হয়।
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হওয়ায় ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ’ অনুযায়ী, বর্তমান সংসদের সদস্যদের সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবেও ভূমিকা রাখার কথা। সংসদ নির্বাচনের ফল ঘোষণার ৩০ দিনের র মধ্যে পরিষদের প্রথম অধিবেশন ডাকার কথা।
জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অনুসারে, নির্বাচনে জয়ী ব্যক্তিরা একই দিনে সংসদ সদস্য ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে দুটি শপথ নেওয়ার কথা ছিল। জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) বিরোধী দলের সদস্যরা সেদিন দুটি শপথ নেয়। তবে বিএনপির সংসদ সদস্যরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেননি। ফলে নির্ধারিত ৩০ দিন সময়ে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠিত হয়নি।
বিরোধীদলীয় নেতা জামায়াত আমির শফিকুর রহমান গত রোববার সংসদে মুলতবি প্রস্তাব উত্থাপনের নোটিশ দেন। সেদিন ওই নোটিশের বৈধতা নিয়ে সরকারি দলের সদস্যরা প্রশ্ন তুললে এক পর্যায়ে অধিবেশনে হট্টগোলও হয়। পরে সভাপতির আসনে থাকা ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল মঙ্গলবার দুই ঘণ্টা আলোচনা হবে সিদ্ধান্ত দেন।
মঙ্গলবার ওই নোটিশের ওপর আলোচনা শেষ করেন আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান। পরে স্পিকার হাফিজউদ্দিন আহমদ সংসদের বৈঠক বুধবার বিকেল পর্যন্ত মুলতবি করেন।

বিরোধীদলীয় নেতা জামায়াত আমির শফিকুর রহমান গত রোববার সংসদে মুলতবি প্রস্তাব উত্থাপনের নোটিশ দেন। সেদিন ওই নোটিশের বৈধতা নিয়ে সরকারি দলের সদস্যরা প্রশ্ন তুললে এক পর্যায়ে অধিবেশনে হট্টগোলও হয়। পরে সভাপতির আসনে থাকা ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল মঙ্গলবার দুই ঘণ্টা আলোচনা হবে সিদ্ধান্ত দেন।