চরচা ডেস্ক

মার্চে দেশে রাজনৈতিক সহিংসতা বেড়ে ৩ গুণ হয়েছে বলে জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ)। আজ মঙ্গলবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় সংস্থাটি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গত এক মাসে মোট ৫৬টি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ১৪ জন ব্যক্তি নিহত হয়েছেন, আহত ৩৯০। যেখানে ফেব্রুয়ারিতে ১৮টি ঘটনায় দুজন ব্যাক্তি নিহত হয়।
এতে বলা হয়, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর রাজনৈতিক সহিংসতা বৃদ্ধি পেয়েছে। সহিংসতার বেশিরভাগ ঘটনায় সরকারি দল বিএনপির অন্তর্দ্বন্দ্ব এবং আধিপত্য বিস্তারের প্রভাব লক্ষ্য করা যায়, যা জনমনে আতংক তৈরি করছে।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত ও এমএসএফ কর্তৃক সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী, রাজনৈতিক সহিংসতার ৫৬টি ঘটনায় সহিংসতার শিকার হয়েছেন ৪০৪ জন ব্যক্তি। সহিংসতার শিকার ব্যক্তিদের মধ্যে নারীসহ ১৪ জন নিহত এবং ৩৯০ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে বিএনপির ১০ জন, জামায়াতের ২ জন, ১ জন নারী এবং ১ জনের রাজনৈতিক পরিচয় সঠিকভাবে জানা যায়নি।
সহিংসতার ৫৬টি ঘটনার মধ্যে বিএনপির অন্তর্দ্বন্দ্বে ৩১টি, বিএনপি-আওয়ামী লীগ ৯টি, বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষের ৮টি, বিএনপি-এনসিপি সংঘর্ষের ২টি, জামায়াতের অন্তর্দ্বন্দ্বে ১টি ঘটেছে। সহিংসতার ৫৬টি ঘটনার মধ্যে ৫ টি ঘটনায় ভাংচুর হলেও কেউ হতাহত হয়নি।
আরও জানানো হয়, মার্চ মাসে ধর্ষণের ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ধর্ষণের ঘটনা ছিল ৩৩টি। যা মার্চ মাসে গিয়ে দাঁড়ায় ৪৮টিতে।
এতে বলা হয়, নারী ও শিশুদের প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে দেশে যথেষ্ট কঠোর আইন রয়েছে। কিন্তু অপরাধ দমন ও নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্টদের কার্যকর ভূমিকা দেখা যাচ্ছে না। ফলে নারী ও শিশুদের নিরাপত্তাহীনতার জায়গাটি প্রকট আকার ধারণ করেছে। যা কখনই কাম্য হতে পারে না। নারী ও শিশু সহিংসতার এই ভয়াবহ পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে হলে প্রয়োজন দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ।
এমএসএফ কর্তৃক সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী মার্চে নারী ও শিশু নির্যাতনের ২৮৯টি ঘটনা সংঘটিত হয়েছে, যা গত মাসের তুলনায় ৩৬টি বেশি। এ মাসে ধর্ষণের ঘটনা ৪৮টি, সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ১৫টি, ধর্ষণ ও হত্যা ৩টি। এর মধ্যে ধর্ষণের শিকার হয়েছে ৪ জন প্রতিবন্ধী কিশোরী ও নারী।
ধর্ষণের শিকার ৪৮ জনের মধ্যে ১০ জন শিশু ও ১১ জন কিশোরী রয়েছে, অপরদিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ৬ জন কিশোরী ও ৯ জন নারী এবং ধর্ষণ ও হত্যার শিকার হয়েছেন ২ জন শিশু ও ১ জন নারী। ধর্ষণচেষ্টা ২৪টি, যৌন হয়রানি ২২টি, শারীরিক নির্যাতনের ৩৭টি ঘটনা ঘটেছে। এসিড নিক্ষেপে আক্রান্ত হয়েছেন ১ জন নারী।
অন্যদিকে প্রতিবেদনটিতে দেখা যায়, আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সংক্রান্ত মামলা কমে গেছে। এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে ৪১টি মামলা হলেও মার্চ মাসে ৩টি মামলা হয়েছে বলে জানিয়েছে এমএসএফ।
এ ছাড়া এ মাসে ঈদযাত্রাকে কেন্দ্র করে সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনায় মানুষ নিহত হয়েছে। ঈদুল ফিতরের আগে ও পরে ১৭ মার্চ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত ১২ দিনে দেশে সড়ক, নৌ ও রেলপথে দুর্ঘটনায় ১১৬ জন নিহত এবং আহত হয়েছেন ৪৬০ জন।

মার্চে দেশে রাজনৈতিক সহিংসতা বেড়ে ৩ গুণ হয়েছে বলে জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ)। আজ মঙ্গলবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় সংস্থাটি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গত এক মাসে মোট ৫৬টি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ১৪ জন ব্যক্তি নিহত হয়েছেন, আহত ৩৯০। যেখানে ফেব্রুয়ারিতে ১৮টি ঘটনায় দুজন ব্যাক্তি নিহত হয়।
এতে বলা হয়, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর রাজনৈতিক সহিংসতা বৃদ্ধি পেয়েছে। সহিংসতার বেশিরভাগ ঘটনায় সরকারি দল বিএনপির অন্তর্দ্বন্দ্ব এবং আধিপত্য বিস্তারের প্রভাব লক্ষ্য করা যায়, যা জনমনে আতংক তৈরি করছে।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত ও এমএসএফ কর্তৃক সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী, রাজনৈতিক সহিংসতার ৫৬টি ঘটনায় সহিংসতার শিকার হয়েছেন ৪০৪ জন ব্যক্তি। সহিংসতার শিকার ব্যক্তিদের মধ্যে নারীসহ ১৪ জন নিহত এবং ৩৯০ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে বিএনপির ১০ জন, জামায়াতের ২ জন, ১ জন নারী এবং ১ জনের রাজনৈতিক পরিচয় সঠিকভাবে জানা যায়নি।
সহিংসতার ৫৬টি ঘটনার মধ্যে বিএনপির অন্তর্দ্বন্দ্বে ৩১টি, বিএনপি-আওয়ামী লীগ ৯টি, বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষের ৮টি, বিএনপি-এনসিপি সংঘর্ষের ২টি, জামায়াতের অন্তর্দ্বন্দ্বে ১টি ঘটেছে। সহিংসতার ৫৬টি ঘটনার মধ্যে ৫ টি ঘটনায় ভাংচুর হলেও কেউ হতাহত হয়নি।
আরও জানানো হয়, মার্চ মাসে ধর্ষণের ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ধর্ষণের ঘটনা ছিল ৩৩টি। যা মার্চ মাসে গিয়ে দাঁড়ায় ৪৮টিতে।
এতে বলা হয়, নারী ও শিশুদের প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে দেশে যথেষ্ট কঠোর আইন রয়েছে। কিন্তু অপরাধ দমন ও নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্টদের কার্যকর ভূমিকা দেখা যাচ্ছে না। ফলে নারী ও শিশুদের নিরাপত্তাহীনতার জায়গাটি প্রকট আকার ধারণ করেছে। যা কখনই কাম্য হতে পারে না। নারী ও শিশু সহিংসতার এই ভয়াবহ পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে হলে প্রয়োজন দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ।
এমএসএফ কর্তৃক সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী মার্চে নারী ও শিশু নির্যাতনের ২৮৯টি ঘটনা সংঘটিত হয়েছে, যা গত মাসের তুলনায় ৩৬টি বেশি। এ মাসে ধর্ষণের ঘটনা ৪৮টি, সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ১৫টি, ধর্ষণ ও হত্যা ৩টি। এর মধ্যে ধর্ষণের শিকার হয়েছে ৪ জন প্রতিবন্ধী কিশোরী ও নারী।
ধর্ষণের শিকার ৪৮ জনের মধ্যে ১০ জন শিশু ও ১১ জন কিশোরী রয়েছে, অপরদিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ৬ জন কিশোরী ও ৯ জন নারী এবং ধর্ষণ ও হত্যার শিকার হয়েছেন ২ জন শিশু ও ১ জন নারী। ধর্ষণচেষ্টা ২৪টি, যৌন হয়রানি ২২টি, শারীরিক নির্যাতনের ৩৭টি ঘটনা ঘটেছে। এসিড নিক্ষেপে আক্রান্ত হয়েছেন ১ জন নারী।
অন্যদিকে প্রতিবেদনটিতে দেখা যায়, আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সংক্রান্ত মামলা কমে গেছে। এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে ৪১টি মামলা হলেও মার্চ মাসে ৩টি মামলা হয়েছে বলে জানিয়েছে এমএসএফ।
এ ছাড়া এ মাসে ঈদযাত্রাকে কেন্দ্র করে সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনায় মানুষ নিহত হয়েছে। ঈদুল ফিতরের আগে ও পরে ১৭ মার্চ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত ১২ দিনে দেশে সড়ক, নৌ ও রেলপথে দুর্ঘটনায় ১১৬ জন নিহত এবং আহত হয়েছেন ৪৬০ জন।

সারা দেশে জ্বালানি সংকটের মধ্যে ঢাকাসহ সব মহানগরের স্কুল ও কলেজে সপ্তাহে তিন দিন অনলাইনে ক্লাসের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের শিক্ষক, বোর্ড কর্মকর্তা ও মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের এক সমন্বয় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।