চরচা ডেস্ক

১৬ বছর আগে এই দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে ড্র করতে হয়েছিল তাদের মাটিতে। বিশ্বকাপে এর আগে সাতবার উদ্বোধনী ম্যাচ খেললেও কখনো জিততে পারেনি। মেক্সিকোর জন্য একটা ভুত তাড়ানোর ম্যাচ ছিল এটি।
অ্যাজটেকা স্টেডিয়ামে ভুতটা তাড়িয়েছে বটে মেক্সিকো। দক্ষিণ আফ্রিকাকে ২-০ গোলে হারিয়ে নিজ মাটিতে বিশ্বকাপে শুভসূচনা করেছে। তবে তার আগে ম্যাচটা বিশ্বকাপ ইতিহাসেই জায়গা করে নিয়েছে। ম্যাচে মোট তিনটি লাল কার্ড দেখেছে দুই দল – দক্ষিণ আফ্রিকা দুটি, মেক্সিকো একটি। বিশ্বকাপ ইতিহাসে আর কোনো উদ্বোধনী ম্যাচ কখনো এত লাল কার্ড দেখেনি।
শুরু থেকেই মেক্সিকান ওয়েভে মেতে ওঠা গ্যালারিকে উচ্ছ্বাসে ভাসাতে সময় নেননি ইউলিয়ান কিনিওনেস। ৯ মিনিটেই এগিয়ে দেন মেক্সিকোকে। অবশ্য তাতে দায়টা দক্ষিণ আফ্রিকারই।
নিজেদের বক্স থেকে ছোট ছোট পাসে বিল্ড আপের চেষ্টা করে যাচ্ছিল তারা, মেক্সিকোর হাই প্রেসের সামনে একেবারে শুরু থেকেই বারবার তাতে অস্বস্তিতে পড়ছিল। তবু একই চেষ্টা করে যাওয়ার ফলই হাতেনাতে পেল দক্ষিণ আফ্রিকা। গোলকিপার উইলিয়ামসের ভুলে নিজেদের বক্সের সামনেই বলের দখল হারাল দক্ষিণ আফ্রিকা, বলটা পায়ে পেয়েই দারুণ শটে দক্ষিণ আফ্রিকান গোলকিপারকে দর্শক বানিয়ে দিলেন কিনিওনেস।

কিনিওনেসেরই আরেকটা শট পোস্টে না লাগলে কিংবা রাউল হিমেনেসের শটে কয়েকটা সেইভ না হয়ে বিরতিতে ব্যবধান এক গোলের চেয়েও বেশিই হতো।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেও দক্ষিণ আফ্রিকার গোলকিপার পাস দিতে গিয়ে ভুল করেছিলেন, তবে এ যাত্রায় গোল খেতে হয়নি তাদের। এর কিছুক্ষণ পরই, ৫১তম মিনিটে ২০২৬ বিশ্বকাপ দেখে ফেলল প্রথম লাল কার্ড। নিশ্চিত গোলের সুযোগে দৌড়ানো গুতিয়েরেসকে পেছন থেকে টেনে ধরে লাল কার্ড দেখলেন দক্ষিণ আফ্রিকার সিতহোল।
৬৭ মিনিটে দ্বিতীয় গোলটাও পেয়ে গেল মেক্সিকো। রবের্তো আলভারাদোর ক্রসে রাউল হিমেনেসের হেড, কিছুটা ঝিমিয়ে পড়া গ্যালারিতে আবার উচ্ছ্বাসের ঢেউ। মিনিট দশেকের মধ্যে মেক্সিকো আরেকটা পেনাল্টির আবেদন জানালেও রেফারি সাড়া দেননি।

৮৪ মিনিটে হঠাৎ মাঠের পাশের ভিএআর মনিটর দেখতে গেলেন রেফারি। কারণ প্রথমে ক্যামেরায় ধরা পড়া এক ঘটনা। মেক্সিকোর আলভারাদোর মাথায় আঘাত করেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার থেম্বা জিওয়ানে। ভিএআর মনিটরে দেখে সিদ্ধান্তটা নিতে কষ্ট হলো না রেফারির – লাল কার্ড। ব্যস, একটা ছোট্ট রেকর্ড হয়ে গেল দক্ষিণ আফ্রিকার – ২০০৬ বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডস আর পর্তুগালের পর এক ম্যাচে দুই লাল কার্ড দেখা প্রথম দল হয়ে গেল তারা!
কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকাকে লাল কার্ড পেতে দেখে কেন যেন মেক্সিকোরও ‘লোভ’ হলো! না হলে যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে মেক্সিকো অধিনায়ক চেসার মন্তেসের লাল কার্ড দেখার ব্যাখ্যা কী! দক্ষিণ আফ্রিকার খুলিসো মুদাউকে ফাউল করলেন মন্তেস, কিন্তু এমন সময়ে ফাউলটা করলেন যখন মুদাউ পরিষ্কার গোলের সুযোগ নিয়ে দৌড়াচ্ছেন বলে মনে হয়েছে রেফারির। আর যায় কোথায়! রেফারির লাল কার্ড।
গোলের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বীতায় এগিয়ে গেল লাল কার্ড! উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটাও দেখে ফেলল রেকর্ড।

১৬ বছর আগে এই দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে ড্র করতে হয়েছিল তাদের মাটিতে। বিশ্বকাপে এর আগে সাতবার উদ্বোধনী ম্যাচ খেললেও কখনো জিততে পারেনি। মেক্সিকোর জন্য একটা ভুত তাড়ানোর ম্যাচ ছিল এটি।
অ্যাজটেকা স্টেডিয়ামে ভুতটা তাড়িয়েছে বটে মেক্সিকো। দক্ষিণ আফ্রিকাকে ২-০ গোলে হারিয়ে নিজ মাটিতে বিশ্বকাপে শুভসূচনা করেছে। তবে তার আগে ম্যাচটা বিশ্বকাপ ইতিহাসেই জায়গা করে নিয়েছে। ম্যাচে মোট তিনটি লাল কার্ড দেখেছে দুই দল – দক্ষিণ আফ্রিকা দুটি, মেক্সিকো একটি। বিশ্বকাপ ইতিহাসে আর কোনো উদ্বোধনী ম্যাচ কখনো এত লাল কার্ড দেখেনি।
শুরু থেকেই মেক্সিকান ওয়েভে মেতে ওঠা গ্যালারিকে উচ্ছ্বাসে ভাসাতে সময় নেননি ইউলিয়ান কিনিওনেস। ৯ মিনিটেই এগিয়ে দেন মেক্সিকোকে। অবশ্য তাতে দায়টা দক্ষিণ আফ্রিকারই।
নিজেদের বক্স থেকে ছোট ছোট পাসে বিল্ড আপের চেষ্টা করে যাচ্ছিল তারা, মেক্সিকোর হাই প্রেসের সামনে একেবারে শুরু থেকেই বারবার তাতে অস্বস্তিতে পড়ছিল। তবু একই চেষ্টা করে যাওয়ার ফলই হাতেনাতে পেল দক্ষিণ আফ্রিকা। গোলকিপার উইলিয়ামসের ভুলে নিজেদের বক্সের সামনেই বলের দখল হারাল দক্ষিণ আফ্রিকা, বলটা পায়ে পেয়েই দারুণ শটে দক্ষিণ আফ্রিকান গোলকিপারকে দর্শক বানিয়ে দিলেন কিনিওনেস।

কিনিওনেসেরই আরেকটা শট পোস্টে না লাগলে কিংবা রাউল হিমেনেসের শটে কয়েকটা সেইভ না হয়ে বিরতিতে ব্যবধান এক গোলের চেয়েও বেশিই হতো।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেও দক্ষিণ আফ্রিকার গোলকিপার পাস দিতে গিয়ে ভুল করেছিলেন, তবে এ যাত্রায় গোল খেতে হয়নি তাদের। এর কিছুক্ষণ পরই, ৫১তম মিনিটে ২০২৬ বিশ্বকাপ দেখে ফেলল প্রথম লাল কার্ড। নিশ্চিত গোলের সুযোগে দৌড়ানো গুতিয়েরেসকে পেছন থেকে টেনে ধরে লাল কার্ড দেখলেন দক্ষিণ আফ্রিকার সিতহোল।
৬৭ মিনিটে দ্বিতীয় গোলটাও পেয়ে গেল মেক্সিকো। রবের্তো আলভারাদোর ক্রসে রাউল হিমেনেসের হেড, কিছুটা ঝিমিয়ে পড়া গ্যালারিতে আবার উচ্ছ্বাসের ঢেউ। মিনিট দশেকের মধ্যে মেক্সিকো আরেকটা পেনাল্টির আবেদন জানালেও রেফারি সাড়া দেননি।

৮৪ মিনিটে হঠাৎ মাঠের পাশের ভিএআর মনিটর দেখতে গেলেন রেফারি। কারণ প্রথমে ক্যামেরায় ধরা পড়া এক ঘটনা। মেক্সিকোর আলভারাদোর মাথায় আঘাত করেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার থেম্বা জিওয়ানে। ভিএআর মনিটরে দেখে সিদ্ধান্তটা নিতে কষ্ট হলো না রেফারির – লাল কার্ড। ব্যস, একটা ছোট্ট রেকর্ড হয়ে গেল দক্ষিণ আফ্রিকার – ২০০৬ বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডস আর পর্তুগালের পর এক ম্যাচে দুই লাল কার্ড দেখা প্রথম দল হয়ে গেল তারা!
কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকাকে লাল কার্ড পেতে দেখে কেন যেন মেক্সিকোরও ‘লোভ’ হলো! না হলে যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে মেক্সিকো অধিনায়ক চেসার মন্তেসের লাল কার্ড দেখার ব্যাখ্যা কী! দক্ষিণ আফ্রিকার খুলিসো মুদাউকে ফাউল করলেন মন্তেস, কিন্তু এমন সময়ে ফাউলটা করলেন যখন মুদাউ পরিষ্কার গোলের সুযোগ নিয়ে দৌড়াচ্ছেন বলে মনে হয়েছে রেফারির। আর যায় কোথায়! রেফারির লাল কার্ড।
গোলের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বীতায় এগিয়ে গেল লাল কার্ড! উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটাও দেখে ফেলল রেকর্ড।