চরচা প্রতিবেদক

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে ‘রিকন্ডিশনড’ মোটরযান খাতের সাথে বৈদ্যুতিক গাড়ির শুল্কায়নের বৈষম্য দূর করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিক্যালস ইম্পোর্টার্স অ্যান্ড ডিলারস অ্যাসোসিয়েশন (বারভিডা)। একই সাথে আমদানিকৃত গাড়ির ওপর নতুন করে আরোপিত কর প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
আজ শনিবার রাজধানীর ঢাকা ক্লাবের স্যামসন এইচ চৌধুরী সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির পক্ষ থেকে এসব দাবি তুলে ধরা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বারভিডা সভাপতি আব্দুল হক বলেন, বর্তমানে শুল্কায়ন প্রক্রিয়ায় নানা অসঙ্গতি ও বৈষম্যের কারণে রিকন্ডিশনড গাড়ি আমদানিকারকরা অসম প্রতিযোগিতার মুখে পড়েছেন। অনেক ক্ষেত্রে নতুন গাড়ির তুলনায় রিকন্ডিশনড গাড়ির শুল্ক বেশি নির্ধারণ করা হচ্ছে, যা অযৌক্তিক। রিকন্ডিশনড ও ব্র্যান্ড নিউ—উভয় ধরনের গাড়ির জন্য দীর্ঘমেয়াদি, স্থিতিশীল ও যৌক্তিক শুল্ক কাঠামো প্রণয়ন করার তাগিদ দিয়েছের আব্দুল হক।
জীবাশ্ম জ্বালানিচালিত মাঝারি সারির গাড়ির ওপর প্রস্তাবিত অতিরিক্ত কর প্রত্যাহার, হাইব্রিড ও প্লাগ-ইন হাইব্রিড গাড়ির ক্ষেত্রে ব্র্যান্ড নিউ ও রিকন্ডিশনড গাড়ির জন্য অভিন্ন সম্পূরক শুল্ক ও রেগুলেটরি ডিউটি নির্ধারণ এবং প্লাগ-ইন হাইব্রিড মাইক্রোবাসের জন্য হাইব্রিড মাইক্রোবাসের মতো একই শুল্ক সুবিধা নিশ্চিত করে প্রস্তাবিত বাজেট সংশোধন করার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
বারভিডা নেতারা বলেন, দেশের রিকন্ডিশনড গাড়ি খাত বর্তমানে কঠিন সময় পার করছে। বারভিডার তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭ সালে দেশে রিকন্ডিশনড গাড়ির আমদানি ও রেজিস্ট্রেশনের সংখ্যা ছিল ২২ হাজার। ২০২৫ সালে তা কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৯ হাজার ৪০০-তে। ডলার সংকট, টাকার অবমূল্যায়ন এবং আন্তর্জাতিক বাজারে গাড়ির দাম বৃদ্ধির কারণে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়ায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে তারা দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে বারভিডা নেতারা বলেন, জাপানিজ ডোমেস্টিক মডেল (জেডিএম) ভিত্তিক যে রিকন্ডিশনড গাড়ি তারা আমদানি করে, সেগুলো আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন, নিরাপদ ও জ্বালানি সাশ্রয়ী।
সংগঠনটির দাবি, সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে মানসম্মত ব্যক্তিগত পরিবহন নিশ্চিত করার পাশাপাশি এ খাত সরকারের রাজস্ব আয়েও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল রিয়াজ রহমান এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ জগলুল হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে ‘রিকন্ডিশনড’ মোটরযান খাতের সাথে বৈদ্যুতিক গাড়ির শুল্কায়নের বৈষম্য দূর করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিক্যালস ইম্পোর্টার্স অ্যান্ড ডিলারস অ্যাসোসিয়েশন (বারভিডা)। একই সাথে আমদানিকৃত গাড়ির ওপর নতুন করে আরোপিত কর প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
আজ শনিবার রাজধানীর ঢাকা ক্লাবের স্যামসন এইচ চৌধুরী সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির পক্ষ থেকে এসব দাবি তুলে ধরা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বারভিডা সভাপতি আব্দুল হক বলেন, বর্তমানে শুল্কায়ন প্রক্রিয়ায় নানা অসঙ্গতি ও বৈষম্যের কারণে রিকন্ডিশনড গাড়ি আমদানিকারকরা অসম প্রতিযোগিতার মুখে পড়েছেন। অনেক ক্ষেত্রে নতুন গাড়ির তুলনায় রিকন্ডিশনড গাড়ির শুল্ক বেশি নির্ধারণ করা হচ্ছে, যা অযৌক্তিক। রিকন্ডিশনড ও ব্র্যান্ড নিউ—উভয় ধরনের গাড়ির জন্য দীর্ঘমেয়াদি, স্থিতিশীল ও যৌক্তিক শুল্ক কাঠামো প্রণয়ন করার তাগিদ দিয়েছের আব্দুল হক।
জীবাশ্ম জ্বালানিচালিত মাঝারি সারির গাড়ির ওপর প্রস্তাবিত অতিরিক্ত কর প্রত্যাহার, হাইব্রিড ও প্লাগ-ইন হাইব্রিড গাড়ির ক্ষেত্রে ব্র্যান্ড নিউ ও রিকন্ডিশনড গাড়ির জন্য অভিন্ন সম্পূরক শুল্ক ও রেগুলেটরি ডিউটি নির্ধারণ এবং প্লাগ-ইন হাইব্রিড মাইক্রোবাসের জন্য হাইব্রিড মাইক্রোবাসের মতো একই শুল্ক সুবিধা নিশ্চিত করে প্রস্তাবিত বাজেট সংশোধন করার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
বারভিডা নেতারা বলেন, দেশের রিকন্ডিশনড গাড়ি খাত বর্তমানে কঠিন সময় পার করছে। বারভিডার তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭ সালে দেশে রিকন্ডিশনড গাড়ির আমদানি ও রেজিস্ট্রেশনের সংখ্যা ছিল ২২ হাজার। ২০২৫ সালে তা কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৯ হাজার ৪০০-তে। ডলার সংকট, টাকার অবমূল্যায়ন এবং আন্তর্জাতিক বাজারে গাড়ির দাম বৃদ্ধির কারণে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়ায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে তারা দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে বারভিডা নেতারা বলেন, জাপানিজ ডোমেস্টিক মডেল (জেডিএম) ভিত্তিক যে রিকন্ডিশনড গাড়ি তারা আমদানি করে, সেগুলো আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন, নিরাপদ ও জ্বালানি সাশ্রয়ী।
সংগঠনটির দাবি, সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে মানসম্মত ব্যক্তিগত পরিবহন নিশ্চিত করার পাশাপাশি এ খাত সরকারের রাজস্ব আয়েও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল রিয়াজ রহমান এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ জগলুল হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে ‘রিকন্ডিশনড’ মোটরযান খাতের সাথে বৈদ্যুতিক গাড়ির শুল্কায়নের বৈষম্য দূর করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিক্যালস ইম্পোর্টার্স অ্যান্ড ডিলারস অ্যাসোসিয়েশন (বারভিডা)। একই সাথে আমদানিকৃত গাড়ির ওপর নতুন করে আরোপিত কর প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।