চরচা ডেস্ক

সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়ে লক্ষ্মীপুরের রামগতির ৯ জনসহ মোট ১৬ জেলে ১৩ দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন। পরিবারগুলোর দাবি, কক্সবাজারের উখিয়া সংলগ্ন বাংলাদেশ-মিয়ানমার জলসীমা থেকে তাদের মিয়ানমার কোস্টগার্ড আটক করে নিয়ে গেছে।
আজ শুক্রবার বার্তা সংস্থা বাসসের এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
জানা গেছে, লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও ভোলার ১৬ জেলে গত ২২ মার্চ ‘মা-বাবার দোয়া’ নামের একটি ট্রলার নিয়ে মেঘনা নদী হয়ে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে যান। এর ছয় দিন পর গত ২৮ মার্চ পরিবারের সঙ্গে শেষবার মোবাইলে কথা হয় তাদের। তখন তারা জানান, মিয়ানমার কোস্টগার্ড তাদের আটক করেছে।
নিখোঁজ জেলেরা হলেন মো. জুয়েল, ফরহাদ হোসেন, মো. নীরব, মো. রাকিব হোসেন, সাদ্দাম হোসেন, মো. মেজবাহ উদ্দিন, মো. তাহমীদ, মো. তামজিদ, মো. লিটন, মো. অজি উল্যাহ। এ ছাড়া বাকি ছয়জন হলেন নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার মো. শাহজাহান, মো. সোহাগ এবং জাবের হোসেন, চট্টগ্রামের পাহাড়তলীর মো. কামাল হোসেন, মহেশখালীর তারেক রহমান ও ভোলার দৌলতখানের মো. সাইমুন।
নিখোঁজ জেলে অজি উল্যাহর ভাই জাকির হোসেন বলেন, ভাইয়ের উপার্জনেই পুরো পরিবার চলত। এখন ঘরে আয় নেই, খোঁজও নেই। নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে যেন সবকিছু থমকে গেছে।
ট্রলার মালিক মিজানুর রহমান জানান, নিখোঁজদের উদ্ধারে ইতোমধ্যে কক্সবাজার জেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগ করা হয়েছে। তিনি দ্রুত কূটনৈতিক ও প্রশাসনিক উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।
স্থানীয় সমাজকর্মী মো. রাসেল উদ্দিন বলেন, বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে এবং জেলেদের ফিরিয়ে আনতে সরকারের উচ্চপর্যায়ের হস্তক্ষেপ জরুরি।
এ বিষয়ে লক্ষ্মীপুর জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সম্রাট খিসা বলেন, “বিষয়টি আমরা অবগত হয়েছি।”

সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়ে লক্ষ্মীপুরের রামগতির ৯ জনসহ মোট ১৬ জেলে ১৩ দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন। পরিবারগুলোর দাবি, কক্সবাজারের উখিয়া সংলগ্ন বাংলাদেশ-মিয়ানমার জলসীমা থেকে তাদের মিয়ানমার কোস্টগার্ড আটক করে নিয়ে গেছে।
আজ শুক্রবার বার্তা সংস্থা বাসসের এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
জানা গেছে, লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও ভোলার ১৬ জেলে গত ২২ মার্চ ‘মা-বাবার দোয়া’ নামের একটি ট্রলার নিয়ে মেঘনা নদী হয়ে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে যান। এর ছয় দিন পর গত ২৮ মার্চ পরিবারের সঙ্গে শেষবার মোবাইলে কথা হয় তাদের। তখন তারা জানান, মিয়ানমার কোস্টগার্ড তাদের আটক করেছে।
নিখোঁজ জেলেরা হলেন মো. জুয়েল, ফরহাদ হোসেন, মো. নীরব, মো. রাকিব হোসেন, সাদ্দাম হোসেন, মো. মেজবাহ উদ্দিন, মো. তাহমীদ, মো. তামজিদ, মো. লিটন, মো. অজি উল্যাহ। এ ছাড়া বাকি ছয়জন হলেন নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার মো. শাহজাহান, মো. সোহাগ এবং জাবের হোসেন, চট্টগ্রামের পাহাড়তলীর মো. কামাল হোসেন, মহেশখালীর তারেক রহমান ও ভোলার দৌলতখানের মো. সাইমুন।
নিখোঁজ জেলে অজি উল্যাহর ভাই জাকির হোসেন বলেন, ভাইয়ের উপার্জনেই পুরো পরিবার চলত। এখন ঘরে আয় নেই, খোঁজও নেই। নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে যেন সবকিছু থমকে গেছে।
ট্রলার মালিক মিজানুর রহমান জানান, নিখোঁজদের উদ্ধারে ইতোমধ্যে কক্সবাজার জেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগ করা হয়েছে। তিনি দ্রুত কূটনৈতিক ও প্রশাসনিক উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।
স্থানীয় সমাজকর্মী মো. রাসেল উদ্দিন বলেন, বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে এবং জেলেদের ফিরিয়ে আনতে সরকারের উচ্চপর্যায়ের হস্তক্ষেপ জরুরি।
এ বিষয়ে লক্ষ্মীপুর জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সম্রাট খিসা বলেন, “বিষয়টি আমরা অবগত হয়েছি।”

বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই চট্টগ্রামে কিছু সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড লক্ষ্য করা যায়। কিছু ব্যবসায়ীর বাসভবনে অত্যাধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে গুলিবর্ষণ এবং চাঁদা আদায়ের মতো ঘটনা ঘটার পর সরকার বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে নেয়।

কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সম্পন্ন করার যে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল, তা শতভাগ অর্জিত হয়েছে বলে দাবি করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আবদুস সালাম। আজ রোববার কোরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নগর পরিচ্ছন্নতা এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রম নিয়ে রাজধানীর