চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে লেগুনা চালক নূরে আলম ইসলাম ওরফে খাইরুলকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। আজ সোমবার সন্ধ্যায় র্যাব-১০-এর যাত্রাবাড়ী ক্যাম্পে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সিপিসি-১ কোম্পানি কমান্ডার ও সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার এস এস হাসান সিদ্দিকী।
গত ২১ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় কুতুবখালী মাছের আড়ৎ এলাকা থেকে প্রথম আসামি সোহান মুন্সী গ্রেপ্তার হন। পরে ২৩ ফেব্রুয়ারি বিকাল পৌনে চারটার দিকে দয়াগঞ্জ মোড় থেকে প্রধান আসামি হৃদয় হোসেন এবং সাড়ে চারটার দিকে মীর হাজিরবাগ পাইপ রোড থেকে তৃতীয় আসামি শাকিল গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব জানায়, গত ২০ ফেব্রুয়ারি দুপুর পৌঁনে তিনটার দিকে খাইরুল লেগুনা চালিয়ে কুতুবখালী এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় আসামি হৃদয় ও তার সহযোগীরা সুফিয়া গার্মেন্টসের সামনে পরিকল্পিতভাবে তাকে আটকায় এবং বেধড়ক পেটায়।
পরে আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নিহতের স্বজন যাত্রাবাড়ী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
র্যাব গোয়েন্দা নজরদারি বাড়িয়ে প্রযুক্তিগত সহায়তায় তদন্ত শুরু করে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
র্যাব নিশ্চিত করেছে–এ ঘটনায় চাঁদাবাজির কোনো সম্পর্ক পাওয়া যায়নি, বরং পুরোনো শত্রুতার জেরেই খাইরুলকে হত্যা করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং মামলার পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে লেগুনা চালক নূরে আলম ইসলাম ওরফে খাইরুলকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। আজ সোমবার সন্ধ্যায় র্যাব-১০-এর যাত্রাবাড়ী ক্যাম্পে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সিপিসি-১ কোম্পানি কমান্ডার ও সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার এস এস হাসান সিদ্দিকী।
গত ২১ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় কুতুবখালী মাছের আড়ৎ এলাকা থেকে প্রথম আসামি সোহান মুন্সী গ্রেপ্তার হন। পরে ২৩ ফেব্রুয়ারি বিকাল পৌনে চারটার দিকে দয়াগঞ্জ মোড় থেকে প্রধান আসামি হৃদয় হোসেন এবং সাড়ে চারটার দিকে মীর হাজিরবাগ পাইপ রোড থেকে তৃতীয় আসামি শাকিল গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব জানায়, গত ২০ ফেব্রুয়ারি দুপুর পৌঁনে তিনটার দিকে খাইরুল লেগুনা চালিয়ে কুতুবখালী এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় আসামি হৃদয় ও তার সহযোগীরা সুফিয়া গার্মেন্টসের সামনে পরিকল্পিতভাবে তাকে আটকায় এবং বেধড়ক পেটায়।
পরে আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নিহতের স্বজন যাত্রাবাড়ী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
র্যাব গোয়েন্দা নজরদারি বাড়িয়ে প্রযুক্তিগত সহায়তায় তদন্ত শুরু করে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
র্যাব নিশ্চিত করেছে–এ ঘটনায় চাঁদাবাজির কোনো সম্পর্ক পাওয়া যায়নি, বরং পুরোনো শত্রুতার জেরেই খাইরুলকে হত্যা করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং মামলার পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।