চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর কেরাণীগঞ্জের একটি চীনা কোম্পানিতে ডাকাতির ঘটনায় জড়িত থাকায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
বাহিনীটি বলছে, মূলত অভাবের তাড়নায় গ্রেপ্তাররা ডাকাতির ঘটনা ঘটিয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজার র্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সন্মেলনে এসব জানান র্যাব-১০ এর অধিনায়ক মোহাম্মদ কামরুজ্জামান।
গ্রেপ্তাররা হলেন- মাসুদ রানা (৪৩), নাসির পিয়াদা (৪০), হৃদয় মীর (২২), রোমান শেখ (৩৪), মো. মামুন (৩২)।
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, গত ১৪ এপ্রিল ঢাকার কেরাণীগঞ্জের চীনা নাগরিক পরিচালিত ফ্যাক্টরিতে ডাকাত ঢুকে একজন চীনা নাগরিককে গুরুতর জখম করে এবং কিছু মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে যায়।
প্রাথমিক তদন্তের তথ্য জানিয়ে এই র্যাব কর্মকর্তা বলেন, ডাকাতরা বিভিন্ন দলে ভাগ হয়। একটা দল মেইন গেটের বাইরে থাকে। আরেকটা দল থাকে মেইন গেটের ভেতরে। আরেকটা দল গ্রাউন্ড ফ্লোরে যে চাইনিজ নাগরিক ছিল তাকে জিম্মি করে রাখে। আরেকটা দল উপরে চলে যায় এবং বিভিন্ন জায়গায় মালামাল টাকা পয়সা সেগুলো লুণ্ঠন করতে থাকে।
এরপর তারা ওই ভবনের ভেতরে যে সিসি ক্যামেরা ছিল সেই সিসি ক্যামেরাগুলো ভেঙে ফেলে। যখন তারা বিভিন্ন মালামাল লুট করতে থাকে, তখন একজন চাইনিজ নাগরিক তাদেরকে বাধা দিলে তাকে কুপিয়ে জখম করা হয়।
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, ‘‘আমরা খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে আমাদের টিম তথ্য ও সিসিটিভির ফুটেজ সংগ্রহ করি। আর ডাকাতরা পালিয়ে যাওয়ার সময় তাড়াহুড়োর কারণে একটা ফোন রেখে যায়। সেটার সূত্র ধরেই আমরা আমাদের অভিযাানিক কার্যক্রম পরিচালনা করি। এই ডাকাতির ঘটনায় যারা অংশগ্রহণ করেছে আমরা তাদের অনেককেই শনাক্ত করতে সফল হই এবং শেষ পর্যন্ত আমরা পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করি। আমরা তাদের কাছ থেকে লুন্ঠিত তিনটি বিদেশি দামি ব্র্যান্ডের ঘড়ি উদ্ধার করি। আর দুইটা মোবাইল ফোন এবং ১৫ হাজার ৭০০ টাকা উদ্ধার করি।’’
লুন্ঠিত মালামাল উদ্ধার অভিযান এবং গ্রেপ্তার অভিযান অব্যাহত আছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘‘আমরা যে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছি তারা কেরাণীগঞ্জের এবং মুন্সিগঞ্জের বাসিন্দা। এরা প্রত্যেকেই কোনো না কোনো পেশার সঙ্গে জড়িত আছে। কেউ এখানে অটোচালক, কেউ রংমিস্ত্রী, রডমিস্ত্রী, বাস ড্রাইভার। তারা এইসব সাধারণ কার্যক্রমের পাশাপাশি এই ধরনের কার্যক্রম করে থাকে। জিজ্ঞাসাবাদে যেটা আমরা জানতে পেরেছি, তারা দরিদ্রতার জন্যই এই ডাকাতির ঘটনা ঘটিয়েছে।’’

রাজধানীর কেরাণীগঞ্জের একটি চীনা কোম্পানিতে ডাকাতির ঘটনায় জড়িত থাকায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
বাহিনীটি বলছে, মূলত অভাবের তাড়নায় গ্রেপ্তাররা ডাকাতির ঘটনা ঘটিয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজার র্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সন্মেলনে এসব জানান র্যাব-১০ এর অধিনায়ক মোহাম্মদ কামরুজ্জামান।
গ্রেপ্তাররা হলেন- মাসুদ রানা (৪৩), নাসির পিয়াদা (৪০), হৃদয় মীর (২২), রোমান শেখ (৩৪), মো. মামুন (৩২)।
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, গত ১৪ এপ্রিল ঢাকার কেরাণীগঞ্জের চীনা নাগরিক পরিচালিত ফ্যাক্টরিতে ডাকাত ঢুকে একজন চীনা নাগরিককে গুরুতর জখম করে এবং কিছু মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে যায়।
প্রাথমিক তদন্তের তথ্য জানিয়ে এই র্যাব কর্মকর্তা বলেন, ডাকাতরা বিভিন্ন দলে ভাগ হয়। একটা দল মেইন গেটের বাইরে থাকে। আরেকটা দল থাকে মেইন গেটের ভেতরে। আরেকটা দল গ্রাউন্ড ফ্লোরে যে চাইনিজ নাগরিক ছিল তাকে জিম্মি করে রাখে। আরেকটা দল উপরে চলে যায় এবং বিভিন্ন জায়গায় মালামাল টাকা পয়সা সেগুলো লুণ্ঠন করতে থাকে।
এরপর তারা ওই ভবনের ভেতরে যে সিসি ক্যামেরা ছিল সেই সিসি ক্যামেরাগুলো ভেঙে ফেলে। যখন তারা বিভিন্ন মালামাল লুট করতে থাকে, তখন একজন চাইনিজ নাগরিক তাদেরকে বাধা দিলে তাকে কুপিয়ে জখম করা হয়।
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, ‘‘আমরা খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে আমাদের টিম তথ্য ও সিসিটিভির ফুটেজ সংগ্রহ করি। আর ডাকাতরা পালিয়ে যাওয়ার সময় তাড়াহুড়োর কারণে একটা ফোন রেখে যায়। সেটার সূত্র ধরেই আমরা আমাদের অভিযাানিক কার্যক্রম পরিচালনা করি। এই ডাকাতির ঘটনায় যারা অংশগ্রহণ করেছে আমরা তাদের অনেককেই শনাক্ত করতে সফল হই এবং শেষ পর্যন্ত আমরা পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করি। আমরা তাদের কাছ থেকে লুন্ঠিত তিনটি বিদেশি দামি ব্র্যান্ডের ঘড়ি উদ্ধার করি। আর দুইটা মোবাইল ফোন এবং ১৫ হাজার ৭০০ টাকা উদ্ধার করি।’’
লুন্ঠিত মালামাল উদ্ধার অভিযান এবং গ্রেপ্তার অভিযান অব্যাহত আছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘‘আমরা যে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছি তারা কেরাণীগঞ্জের এবং মুন্সিগঞ্জের বাসিন্দা। এরা প্রত্যেকেই কোনো না কোনো পেশার সঙ্গে জড়িত আছে। কেউ এখানে অটোচালক, কেউ রংমিস্ত্রী, রডমিস্ত্রী, বাস ড্রাইভার। তারা এইসব সাধারণ কার্যক্রমের পাশাপাশি এই ধরনের কার্যক্রম করে থাকে। জিজ্ঞাসাবাদে যেটা আমরা জানতে পেরেছি, তারা দরিদ্রতার জন্যই এই ডাকাতির ঘটনা ঘটিয়েছে।’’

গণতন্ত্র ছাড়া বাংলাদেশের মুক্তি বা সম্প্রীতি অর্জন সম্ভব নয় উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, “সেই দিক দিয়ে রাজনীতি একটি ভালো দিক আমি লক্ষ্য করেছি । এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সচেতনতা বেড়েছে। গণতন্ত্রের প্রতি তাদের ঐকান্তিক আগ্রহ বেড়েছে। এটি বাংলাদেশকে অনেক এগিয়ে নিয়ে যাবে।”

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এক বক্তব্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। সেই বক্তব্যের ফ্যাক্টচেক করে ফ্যাক্ট চেকিং ও গবেষণাভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ডিসমিসল্যাব দাবি করেছে, তারেক রহমানের বক্তব্যে ইতিহাসের বিভ্রাট ঘটেছে।