চরচা প্রতিবেদক

ফ্লোরিডায় দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিচারের আওতায় আনার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি আজ রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, “এটি অত্যন্ত মর্মান্তিক ঘটনা। তরুণ শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে তরুণীর মরদেহ এখনো পাওয়া যায়নি।”
যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার (ইউএসএফ) বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন ও নাহিদা সুলতানা বৃষ্টিকে বিশ্ববিদ্যালয়টিরই সাবেক এক শিক্ষার্থী নৃশংসভাবে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ ঘটনায় বাংলাদেশ ওয়াশিংটনে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশন, যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট, এফবিআই এবং সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রক্ষা করছে।
শামা ওবায়েদ বলেন, তিনি দুই পরিবারের সঙ্গেই কথা বলেছেন এবং বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন।
লিমনের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে তিনি বলেন, ময়নাতদন্ত ও অন্যান্য আইনি প্রক্রিয়া শেষে যত দ্রুত সম্ভব মরদেহ দেশে আনা হবে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, “এ বিষয়ে প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয় সহায়তা করছে। অন্য ঘটনাটিতেও আমরা সহায়তা দেব।”
শামা ওবায়েদ আশা প্রকাশ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃপক্ষ পূর্ণাঙ্গ তদন্ত পরিচালনা করবে এবং নৃশংস হত্যাকাণ্ডের দায়ীদের বিচারের আওতায় আনবে।
অন্য এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশ আশা করছে এমভি বাংলার জয়যাত্রাসহ দেশের জাহাজগুলো নিরাপদে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করতে পারবে।
সাম্প্রতিক আফ্রিকা সফর প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ভবিষ্যতে সেনেগাল ও অ্যাঙ্গোলার সঙ্গে জ্বালানি সহযোগিতার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতে পারে। পাশাপাশি দেশ দুটির সঙ্গে যোগাযোগ আরও জোরদার করা হবে।

ফ্লোরিডায় দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিচারের আওতায় আনার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি আজ রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, “এটি অত্যন্ত মর্মান্তিক ঘটনা। তরুণ শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে তরুণীর মরদেহ এখনো পাওয়া যায়নি।”
যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার (ইউএসএফ) বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন ও নাহিদা সুলতানা বৃষ্টিকে বিশ্ববিদ্যালয়টিরই সাবেক এক শিক্ষার্থী নৃশংসভাবে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ ঘটনায় বাংলাদেশ ওয়াশিংটনে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশন, যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট, এফবিআই এবং সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রক্ষা করছে।
শামা ওবায়েদ বলেন, তিনি দুই পরিবারের সঙ্গেই কথা বলেছেন এবং বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন।
লিমনের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে তিনি বলেন, ময়নাতদন্ত ও অন্যান্য আইনি প্রক্রিয়া শেষে যত দ্রুত সম্ভব মরদেহ দেশে আনা হবে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, “এ বিষয়ে প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয় সহায়তা করছে। অন্য ঘটনাটিতেও আমরা সহায়তা দেব।”
শামা ওবায়েদ আশা প্রকাশ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃপক্ষ পূর্ণাঙ্গ তদন্ত পরিচালনা করবে এবং নৃশংস হত্যাকাণ্ডের দায়ীদের বিচারের আওতায় আনবে।
অন্য এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশ আশা করছে এমভি বাংলার জয়যাত্রাসহ দেশের জাহাজগুলো নিরাপদে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করতে পারবে।
সাম্প্রতিক আফ্রিকা সফর প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ভবিষ্যতে সেনেগাল ও অ্যাঙ্গোলার সঙ্গে জ্বালানি সহযোগিতার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতে পারে। পাশাপাশি দেশ দুটির সঙ্গে যোগাযোগ আরও জোরদার করা হবে।

এসআই আরও জানান, এই ঘটনায় মৃত্যুর সঠিক কারণ উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। নিহত রিক্তার গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলার শাহিনের মেয়ে। ময়নাতদন্তে প্রতিবেদনের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।