চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর পল্টন এলাকার একটি আবাসিক হোটেল থেকে মো. আল আমিন (৪০) নামে এক সৌদি প্রবাসীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় তার সাথে থাকা এক তরুণীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
আজ শুক্রবার দুপুরে গুলিস্তানের ৪৫ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ের রমনা ভবনে অবস্থিত ‘হোটেল রমনা’র ৯ম তলার ৯২৩ নম্বর কক্ষের ওয়াশরুম থেকে তার অচেতন দেহ উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত আল আমিন গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার বাহাদুর রাস্তা এলাকার ফেরদৌস উদ্দীনের ছেলে।
পল্টন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাসুম বিল্লাহ জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে হোটেল কক্ষের ওয়াশরুম থেকে আল আমিনকে উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ওয়াশরুমেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়ে যান। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন অপেক্ষা করতে হবে।
পুলিশ জানায়, সৌদি আরবে অবস্থানকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে বাগেরহাটের মোল্লারহাট উপজেলার চরকান্দি গ্রামের বাসিন্দা ও গাজীপুর নার্সিং কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী সাগরিকা আক্তার (২২)-এর সঙ্গে আল আমিনের পরিচয় হয়। প্রায় ছয় মাস ধরে তাদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। সম্প্রতি দেশে ফিরে ওই তরুণীর সঙ্গে দেখা করতে হোটেলের ওই কক্ষে ওঠেন তিনি।
সাগরিকা আক্তারের দাবি, আল আমিন ওয়াশরুমে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর ভেতর থেকে একটি ভারী শব্দ শুনে তিনি ছুটে যান। গিয়ে দেখেন, আল আমিন মেঝেতে পড়ে আছেন। পরে তার চিৎকারে হোটেল কর্মচারীরা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
বর্তমানে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনার রহস্য উদঘাটনে তরুণী সাগরিকা আক্তারকে পুলিশি হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান বলে জানিয়েছে পুলিশ।

রাজধানীর পল্টন এলাকার একটি আবাসিক হোটেল থেকে মো. আল আমিন (৪০) নামে এক সৌদি প্রবাসীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় তার সাথে থাকা এক তরুণীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
আজ শুক্রবার দুপুরে গুলিস্তানের ৪৫ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ের রমনা ভবনে অবস্থিত ‘হোটেল রমনা’র ৯ম তলার ৯২৩ নম্বর কক্ষের ওয়াশরুম থেকে তার অচেতন দেহ উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত আল আমিন গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার বাহাদুর রাস্তা এলাকার ফেরদৌস উদ্দীনের ছেলে।
পল্টন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাসুম বিল্লাহ জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে হোটেল কক্ষের ওয়াশরুম থেকে আল আমিনকে উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ওয়াশরুমেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়ে যান। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন অপেক্ষা করতে হবে।
পুলিশ জানায়, সৌদি আরবে অবস্থানকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে বাগেরহাটের মোল্লারহাট উপজেলার চরকান্দি গ্রামের বাসিন্দা ও গাজীপুর নার্সিং কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী সাগরিকা আক্তার (২২)-এর সঙ্গে আল আমিনের পরিচয় হয়। প্রায় ছয় মাস ধরে তাদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। সম্প্রতি দেশে ফিরে ওই তরুণীর সঙ্গে দেখা করতে হোটেলের ওই কক্ষে ওঠেন তিনি।
সাগরিকা আক্তারের দাবি, আল আমিন ওয়াশরুমে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর ভেতর থেকে একটি ভারী শব্দ শুনে তিনি ছুটে যান। গিয়ে দেখেন, আল আমিন মেঝেতে পড়ে আছেন। পরে তার চিৎকারে হোটেল কর্মচারীরা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
বর্তমানে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনার রহস্য উদঘাটনে তরুণী সাগরিকা আক্তারকে পুলিশি হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এসআই আরও জানান, এই ঘটনায় মৃত্যুর সঠিক কারণ উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। নিহত রিক্তার গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলার শাহিনের মেয়ে। ময়নাতদন্তে প্রতিবেদনের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।