চরচা প্রতিবেদক

দেশে শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের একের পর এক ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। আজ বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানায় সংস্থাটি।
রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারের হত্যাকাণ্ডসহ সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোকে রাষ্ট্রীয় সুরক্ষা ব্যবস্থার চরম দুর্বলতা ও সামাজিক জবাবদিহিতার সংকট হিসেবে উল্লেখ করেছে সংস্থাটি।
আসক মনে করে, এসব নিষ্ঠুরতা কেবল বিচ্ছিন্ন কোনো অপরাধ নয়, বরং তা বিচারহীনতার সংস্কৃতিরই প্রতিফলন।
চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত শিশু নির্যাতন আসকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ধর্ষণের শিকার হয়েছে কমপক্ষে ১১৮ জন শিশু। পাশাপাশি ধর্ষণ চেষ্টার শিকার হয়েছে কমপক্ষে ৪৬টি শিশু। ধর্ষণ পরবর্তী এবং ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে নির্মমভাবে খুন করা হয়েছে কমপক্ষে ১৭ জন শিশুকে।
আসক জানিয়েছে, বাংলাদেশের সংবিধানের ২৮ ও ৩২ অনুচ্ছেদে শিশুদের জীবন, নিরাপত্তা ও মর্যাদার অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়া ‘জাতীয় শিশু নীতি ২০১১’ এবং জাতিসংঘ শিশু অধিকার সনদের স্বাক্ষরকারী রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ শিশুদের প্রতি সব ধরনের সহিংসতা, যৌন নির্যাতন ও শোষণ প্রতিরোধে বাধ্য।
অথচ বিদ্যমান আইন ও নীতিমালা থাকা সত্ত্বেও বিচার প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা এবং দুর্বল তদন্তের কারণে শিশুরা ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। ফলে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।

দেশে শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের একের পর এক ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। আজ বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানায় সংস্থাটি।
রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারের হত্যাকাণ্ডসহ সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোকে রাষ্ট্রীয় সুরক্ষা ব্যবস্থার চরম দুর্বলতা ও সামাজিক জবাবদিহিতার সংকট হিসেবে উল্লেখ করেছে সংস্থাটি।
আসক মনে করে, এসব নিষ্ঠুরতা কেবল বিচ্ছিন্ন কোনো অপরাধ নয়, বরং তা বিচারহীনতার সংস্কৃতিরই প্রতিফলন।
চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত শিশু নির্যাতন আসকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ধর্ষণের শিকার হয়েছে কমপক্ষে ১১৮ জন শিশু। পাশাপাশি ধর্ষণ চেষ্টার শিকার হয়েছে কমপক্ষে ৪৬টি শিশু। ধর্ষণ পরবর্তী এবং ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে নির্মমভাবে খুন করা হয়েছে কমপক্ষে ১৭ জন শিশুকে।
আসক জানিয়েছে, বাংলাদেশের সংবিধানের ২৮ ও ৩২ অনুচ্ছেদে শিশুদের জীবন, নিরাপত্তা ও মর্যাদার অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়া ‘জাতীয় শিশু নীতি ২০১১’ এবং জাতিসংঘ শিশু অধিকার সনদের স্বাক্ষরকারী রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ শিশুদের প্রতি সব ধরনের সহিংসতা, যৌন নির্যাতন ও শোষণ প্রতিরোধে বাধ্য।
অথচ বিদ্যমান আইন ও নীতিমালা থাকা সত্ত্বেও বিচার প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা এবং দুর্বল তদন্তের কারণে শিশুরা ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। ফলে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, “আমরা এখন মধ্যযুগে নাই। আমরা আধুনিক যুগে, আইন সংস্কারটা একটা চলমান প্রক্রিয়া। সমাজের চাহিদা অনুসারে সব আইনকে আপটুডেট করতে হয় এবং যুগোপযোগী করতে হয়। সেগুলো চলমান প্রক্রিয়া। সেগুলো তো আছেই। বিভিন্ন আইনে অবশ্যই আমাদের কিছু কিছু সংশোধন আনতে হবে। সেটা আমরা দেখব।”