চরচা প্রতিবেদক

সৈয়দপুর বিমানবন্দরে জামায়াতের জেলা আমিরকে আটক করার ঘটনাকে ‘পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র’ বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এ ঘটনায় তারা নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে ব্যাখ্যা এবং তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ দাবি করেছে।
আজ বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
দলটির অভিযোগ, নির্বাচনের মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে এভাবে নেতাকে জড়ানোর মাধ্যমে ইচ্ছাকৃতভাবে তাদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা হচ্ছে।
জুবায়ের বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ের ঘটনাটি একটি ‘সাজানো নাটক’। তিনি বলেন, “জনগণের সমর্থন না থাকায় একটি পক্ষ ছলে-বলে-কৌশলে আমাদের ভিন্নভাবে উপস্থাপন করতে চায়। আমাদের মর্যাদা ও জনসমর্থন প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য হীন অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।”
জামায়াত নেতা জুবায়ের আরও বলেন, “ঠাকুরগাঁওয়ে যা হয়েছে, সেটা হঠাৎ কোনো ঘটনা নয়–এটা ছিল পরিকল্পিতভাবে ভাবমূর্তি নষ্টের চেষ্টা। আমরা ইসির কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছি এবং তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ চেয়েছি।”
তার অভিযোগ, ভোটের আগে দেশজুড়ে বিভিন্ন স্থানে তাদের প্রার্থী, এজেন্ট ও কর্মীদের ওপর হামলা করা হচ্ছে। মৌলভীবাজার, ফরিদপুর–২, নেত্রকোনা, মানিকগঞ্জ, বরিশাল ও পটুয়াখালীর উদাহরণ তুলে তিনি বলেন, এসব হামলা নির্বাচনের পরিবেশ নষ্টের উদ্দেশ্যে করা হচ্ছে।
ঢাকা–১৫ আসনে তাদের ১২টি নির্বাচনী ক্যাম্প পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। “ঢাকা শহরেই যদি ক্যাম্প পুড়িয়ে দেওয়া হয়, তাহলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোথায়?”–প্রশ্ন তোলেন জুবায়ের।
বডি ওর্ন ক্যামেরা স্থাপনে বৈষম্যের অভিযোগ তুলেও তিনি বলেন, “কোথাও অস্বাভাবিক বেশি, কোথাও আবার অত্যন্ত কম–যা বিশেষ কোনো দলকে সুবিধা দিতে পারে।”
তিনি সাংবাদিকদেরও অনুরোধ করেন, তথ্য যেন অপতথ্যে রূপ না নেয়।
সিইসির সঙ্গে বৈঠকে ১১ দলীয় জোটের পক্ষে জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য মোবারক হোসাইন, এনসিপির নির্বাচনী সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ সজিব ভুইয়া, খেলাফত মজলিস ও অন্যান্য শরিক দলের নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।

সৈয়দপুর বিমানবন্দরে জামায়াতের জেলা আমিরকে আটক করার ঘটনাকে ‘পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র’ বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এ ঘটনায় তারা নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে ব্যাখ্যা এবং তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ দাবি করেছে।
আজ বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
দলটির অভিযোগ, নির্বাচনের মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে এভাবে নেতাকে জড়ানোর মাধ্যমে ইচ্ছাকৃতভাবে তাদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা হচ্ছে।
জুবায়ের বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ের ঘটনাটি একটি ‘সাজানো নাটক’। তিনি বলেন, “জনগণের সমর্থন না থাকায় একটি পক্ষ ছলে-বলে-কৌশলে আমাদের ভিন্নভাবে উপস্থাপন করতে চায়। আমাদের মর্যাদা ও জনসমর্থন প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য হীন অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।”
জামায়াত নেতা জুবায়ের আরও বলেন, “ঠাকুরগাঁওয়ে যা হয়েছে, সেটা হঠাৎ কোনো ঘটনা নয়–এটা ছিল পরিকল্পিতভাবে ভাবমূর্তি নষ্টের চেষ্টা। আমরা ইসির কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছি এবং তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ চেয়েছি।”
তার অভিযোগ, ভোটের আগে দেশজুড়ে বিভিন্ন স্থানে তাদের প্রার্থী, এজেন্ট ও কর্মীদের ওপর হামলা করা হচ্ছে। মৌলভীবাজার, ফরিদপুর–২, নেত্রকোনা, মানিকগঞ্জ, বরিশাল ও পটুয়াখালীর উদাহরণ তুলে তিনি বলেন, এসব হামলা নির্বাচনের পরিবেশ নষ্টের উদ্দেশ্যে করা হচ্ছে।
ঢাকা–১৫ আসনে তাদের ১২টি নির্বাচনী ক্যাম্প পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। “ঢাকা শহরেই যদি ক্যাম্প পুড়িয়ে দেওয়া হয়, তাহলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোথায়?”–প্রশ্ন তোলেন জুবায়ের।
বডি ওর্ন ক্যামেরা স্থাপনে বৈষম্যের অভিযোগ তুলেও তিনি বলেন, “কোথাও অস্বাভাবিক বেশি, কোথাও আবার অত্যন্ত কম–যা বিশেষ কোনো দলকে সুবিধা দিতে পারে।”
তিনি সাংবাদিকদেরও অনুরোধ করেন, তথ্য যেন অপতথ্যে রূপ না নেয়।
সিইসির সঙ্গে বৈঠকে ১১ দলীয় জোটের পক্ষে জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য মোবারক হোসাইন, এনসিপির নির্বাচনী সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ সজিব ভুইয়া, খেলাফত মজলিস ও অন্যান্য শরিক দলের নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।