চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাংয়ের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় ইমন (২৩) নামে একজন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থল থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তারও করেছে পুলিশ। আজ রোববার বিকেল সাড়ে ৪টায় মোহাম্মদপুর থানাধীন রায়েরবাজার বুদ্ধিজীবী বেড়িবাঁধ সড়কের ঢালে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মোহাম্মদপুরের রায়ের বাজার এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এলেক্স ইমন গ্রুপ ও আরমান-শাহরুখ গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এর জেরেই আজ দুই গ্রুপের সদস্যদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে এলেক্স ইমন গ্রুপের মূল হোতা ইমন ওরফে এলেক্স ইমন গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির মোহাম্মদপুর জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন। তিনি জানান, কিশোর গ্যাংয়ের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় এলেক্স ইমন গ্রুপের মূল হোতা ইমন নিহত হয়েছেন। বর্তমানে তার মরদেহ শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে মর্গে রয়েছে।
এই ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থল থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। গ্রেপ্তাররা হলেন মো. সাইফ (২৩), তুহিন (২০) ও মো. রাব্বি কাজী (২৫)। তাদের কাছ থেকে ৩টি চাপাতি, ১টি কাটার ও ১টি স্টিলের পাত উদ্ধার করা হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তারা কোন গ্রুপের সদস্য–তা জানাতে পারেননি এই পুলিশ কর্মকর্তা।

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাংয়ের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় ইমন (২৩) নামে একজন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থল থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তারও করেছে পুলিশ। আজ রোববার বিকেল সাড়ে ৪টায় মোহাম্মদপুর থানাধীন রায়েরবাজার বুদ্ধিজীবী বেড়িবাঁধ সড়কের ঢালে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মোহাম্মদপুরের রায়ের বাজার এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এলেক্স ইমন গ্রুপ ও আরমান-শাহরুখ গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এর জেরেই আজ দুই গ্রুপের সদস্যদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে এলেক্স ইমন গ্রুপের মূল হোতা ইমন ওরফে এলেক্স ইমন গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির মোহাম্মদপুর জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন। তিনি জানান, কিশোর গ্যাংয়ের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় এলেক্স ইমন গ্রুপের মূল হোতা ইমন নিহত হয়েছেন। বর্তমানে তার মরদেহ শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে মর্গে রয়েছে।
এই ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থল থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। গ্রেপ্তাররা হলেন মো. সাইফ (২৩), তুহিন (২০) ও মো. রাব্বি কাজী (২৫)। তাদের কাছ থেকে ৩টি চাপাতি, ১টি কাটার ও ১টি স্টিলের পাত উদ্ধার করা হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তারা কোন গ্রুপের সদস্য–তা জানাতে পারেননি এই পুলিশ কর্মকর্তা।

নুরুল হক নূর আরও বলেন, “প্রবাসে যাওয়ার ক্ষেত্রে বৈধ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা জরুরি। বিএমইটি নিবন্ধন না করলে অনেক ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ ও বীমা সুবিধা পাওয়া যায় না। অবৈধ পথে বিদেশ গমন দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে এবং নতুন শ্রমবাজার তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করে।”