চরচা ডেস্ক

মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা ইরানের এমন একজন শীর্ষ কর্মকর্তাকে হত্যা করেছে, যিনি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে একটি পরিকল্পিত হত্যা প্রচেষ্টার ইউনিটের নেতৃত্বে ছিলেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।
প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ আজ বুধবার পেন্টাগনে সাংবাদিকদের জানান, মঙ্গলবার পরিচালিত একটি বিশেষ অভিযানে ওই ইরানি কমান্ডারকে খুঁজে বের করে হত্যা করা হয়েছে। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে ওই ব্যক্তির নাম তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।
সংবাদ সম্মেলনে হেগসেথ বলেন, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে হত্যার চেষ্টা করা ইউনিটের নেতাকে আমরা নির্মূল করেছি। ইরান তাকে হত্যার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু শেষ হাসি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পই হাসলেন।”
হেগসেথ স্পষ্ট করেছেন যে, চলমান ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তোজনার প্রাথমিক লক্ষ্য এই ব্যক্তিকে হত্যা করা ছিল না। তবে ট্রাম্পের নিরাপত্তার প্রতি হুমকির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে পরে তাকে টার্গেট লিস্টে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তিনি জানান, প্রেসিডেন্ট নিজে এই বিষয়ে কোনো নির্দেশ দেননি, বরং প্রতিরক্ষা বিভাগ ও অন্যান্য কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন যেন দায়ীদের বিচারের আওতায় আনা হয়।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে মার্কিন বিচার বিভাগ ইরানি রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) নির্দেশে ট্রাম্পকে হত্যার ষড়যন্ত্রের অভিযোগে এক ইরানি ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছিল। তৎকালীন নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে হত্যার জন্য একটি ‘মার্ডার-ফর-হায়ার’ বা ভাড়াটে খুনি চক্র গড়ে তোলার অভিযোগ উঠেছিল তেহরানের বিরুদ্ধে।
ইরান শুরু থেকেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বা অন্য কোনো মার্কিন কর্মকর্তাকে লক্ষ্যবস্তু করার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। তেহরান এই ধরনের অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে।

মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা ইরানের এমন একজন শীর্ষ কর্মকর্তাকে হত্যা করেছে, যিনি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে একটি পরিকল্পিত হত্যা প্রচেষ্টার ইউনিটের নেতৃত্বে ছিলেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।
প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ আজ বুধবার পেন্টাগনে সাংবাদিকদের জানান, মঙ্গলবার পরিচালিত একটি বিশেষ অভিযানে ওই ইরানি কমান্ডারকে খুঁজে বের করে হত্যা করা হয়েছে। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে ওই ব্যক্তির নাম তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।
সংবাদ সম্মেলনে হেগসেথ বলেন, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে হত্যার চেষ্টা করা ইউনিটের নেতাকে আমরা নির্মূল করেছি। ইরান তাকে হত্যার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু শেষ হাসি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পই হাসলেন।”
হেগসেথ স্পষ্ট করেছেন যে, চলমান ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তোজনার প্রাথমিক লক্ষ্য এই ব্যক্তিকে হত্যা করা ছিল না। তবে ট্রাম্পের নিরাপত্তার প্রতি হুমকির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে পরে তাকে টার্গেট লিস্টে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তিনি জানান, প্রেসিডেন্ট নিজে এই বিষয়ে কোনো নির্দেশ দেননি, বরং প্রতিরক্ষা বিভাগ ও অন্যান্য কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন যেন দায়ীদের বিচারের আওতায় আনা হয়।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে মার্কিন বিচার বিভাগ ইরানি রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) নির্দেশে ট্রাম্পকে হত্যার ষড়যন্ত্রের অভিযোগে এক ইরানি ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছিল। তৎকালীন নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে হত্যার জন্য একটি ‘মার্ডার-ফর-হায়ার’ বা ভাড়াটে খুনি চক্র গড়ে তোলার অভিযোগ উঠেছিল তেহরানের বিরুদ্ধে।
ইরান শুরু থেকেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বা অন্য কোনো মার্কিন কর্মকর্তাকে লক্ষ্যবস্তু করার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। তেহরান এই ধরনের অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে।