চরচা প্রতিবেদক

নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যক্তিসহ মোট ১ হাজার অতিথি উপস্থিত থাকবেন বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ। আজ শনিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, “জাতীয় সংসদের যারা নির্বাচিত হয়েছেন, তাদের নামে গেজেট প্রকাশিত হয়েছে। আইন অনুযায়ী, তিন দিনের মধ্যে সংসদ সদস্য হিসেবে তাদের শপথ গ্রহণ হয়। এই তিন দিন সময় আগামীকাল থেকে শুরু হবে। কর্মদিবস আগামীকাল থেকে। ১৭ তারিখের মধ্যে তাদের শপথ গ্রহণ হবে।”
তিনি বলেন, এই শপথ গ্রহণের পরে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দল তাদের নিজস্ব সংসদ সদস্যদের নেতা নির্বাচন করবেন। সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের নেতা হিসেবে যিনি নির্বাচিত হবেন, তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে এনব জানাবেন। রাষ্ট্রপতি তখন তাকে নিয়ম অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগের জন্য অফার করবেন বা নিয়োগ দান করবেন। এরপর একটা সুবিধাজনক সময় নির্ধারণ করে সে সময় প্রধানমন্ত্রীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, “আমরা আশা করছি তিনদিন বা সর্বোচ্চ চার দিনের মধ্যে শপথ হয়ে যাবে।”
শপথের জন্য প্রস্তুত কিনা–জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমাদের প্রস্তুতি আছে। আবার যদি বলা হয়, তিনদিন পর হবে; সেটারও প্রস্তুতি আছে।
সংসদ সদস্যদের শপথ কে পড়াবেন তার কোনো সিদ্ধান্ত হয়েছে কি না–জানতে চাইলে শেখ আব্দুর রশীদ বলেন, এটা দেখেন সংসদ সচিবালয়।
আপনি জানতে পেরেছেন কি–এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, “আমি যেটা জানতে পেরেছি সেটা ইনফরমাল। সেজন্য এটা আমি বলতে চাইছি না। এখানে নানা রকমের অপশন আছে, স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার বা তাদের মনোনীত কেউ দিতে পারেন। তারা যদি কোনো মনোনয়ন না দিতে পারেন, তাহলে সরকার থেকে আর কাউকে মনোনয়নের ব্যবস্থা করা হতে পারে। সেক্ষেত্রে প্রধান বিচারপতি অথবা প্রধান নির্বাচন কমিশনার তিনিও এই শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করতে পারেন বা শপথ পাঠ করাতে পারেন।”
মন্ত্রিসভার সদস্যদের কে শপথ পাঠ করাবেন জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পড়ান, তিনিই মন্ত্রিপরিষদের শপথ পড়াবেন।

নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যক্তিসহ মোট ১ হাজার অতিথি উপস্থিত থাকবেন বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ। আজ শনিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, “জাতীয় সংসদের যারা নির্বাচিত হয়েছেন, তাদের নামে গেজেট প্রকাশিত হয়েছে। আইন অনুযায়ী, তিন দিনের মধ্যে সংসদ সদস্য হিসেবে তাদের শপথ গ্রহণ হয়। এই তিন দিন সময় আগামীকাল থেকে শুরু হবে। কর্মদিবস আগামীকাল থেকে। ১৭ তারিখের মধ্যে তাদের শপথ গ্রহণ হবে।”
তিনি বলেন, এই শপথ গ্রহণের পরে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দল তাদের নিজস্ব সংসদ সদস্যদের নেতা নির্বাচন করবেন। সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের নেতা হিসেবে যিনি নির্বাচিত হবেন, তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে এনব জানাবেন। রাষ্ট্রপতি তখন তাকে নিয়ম অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগের জন্য অফার করবেন বা নিয়োগ দান করবেন। এরপর একটা সুবিধাজনক সময় নির্ধারণ করে সে সময় প্রধানমন্ত্রীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, “আমরা আশা করছি তিনদিন বা সর্বোচ্চ চার দিনের মধ্যে শপথ হয়ে যাবে।”
শপথের জন্য প্রস্তুত কিনা–জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমাদের প্রস্তুতি আছে। আবার যদি বলা হয়, তিনদিন পর হবে; সেটারও প্রস্তুতি আছে।
সংসদ সদস্যদের শপথ কে পড়াবেন তার কোনো সিদ্ধান্ত হয়েছে কি না–জানতে চাইলে শেখ আব্দুর রশীদ বলেন, এটা দেখেন সংসদ সচিবালয়।
আপনি জানতে পেরেছেন কি–এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, “আমি যেটা জানতে পেরেছি সেটা ইনফরমাল। সেজন্য এটা আমি বলতে চাইছি না। এখানে নানা রকমের অপশন আছে, স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার বা তাদের মনোনীত কেউ দিতে পারেন। তারা যদি কোনো মনোনয়ন না দিতে পারেন, তাহলে সরকার থেকে আর কাউকে মনোনয়নের ব্যবস্থা করা হতে পারে। সেক্ষেত্রে প্রধান বিচারপতি অথবা প্রধান নির্বাচন কমিশনার তিনিও এই শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করতে পারেন বা শপথ পাঠ করাতে পারেন।”
মন্ত্রিসভার সদস্যদের কে শপথ পাঠ করাবেন জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পড়ান, তিনিই মন্ত্রিপরিষদের শপথ পড়াবেন।