চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর হাজারীবাগের রায়েরবাজার এলাকায় গ্যাস লিকেজ থেকে আগুনে শিশুসহ চারজন দগ্ধ হয়েছেন। দগ্ধদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসক জানিয়েছেন, দগ্ধদের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
গতকাল রোববার দিবাগত রাত পৌনে ৪টার দিকে রায়েরবাজারে জাহানারা ভিলা ভবনের নিচতলার এই দুর্ঘটনা ঘটে।
দগ্ধরা হলেন— শেখ রোমান (৩৫), তার স্ত্রী পিংকি আক্তার (৩২), তাদের তিন বছর বয়সী ছেলে মায়ান (৩) এবং রোমানের শ্যালক অপু (২৩)। শেখ রোমানের গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনা জেলার খালিয়াজুরী থানার মোহাম্মদপুর এলাকায়। তিনি শেখ গোলাম মাওলার ছেলে। পরিবার নিয়ে তিনি ওই বাসায় ভাড়া থাকতেন।
দগ্ধদের হাসপাতালে নিয়ে আসা মো. মামুন জানান, বাসায় গ্যাসের লিকেজ থেকে আগুন ধরে যায়। এতে পরিবারের চারজন দগ্ধ হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ভর্তি দেন।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক সহকারী অধ্যাপক শাওন বিন রহমান জানান, শেখ রোমান ২৫ শতাংশ, পিংকি আক্তার ৭৫ শতাংশ, শিশু মায়ান ২৪ শতাংশ এবং অপু ৭ শতাংশ দগ্ধ হয়েছেন। দগ্ধদের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। তাদের সবার অবস্থাই আশঙ্কাজনক।

রাজধানীর হাজারীবাগের রায়েরবাজার এলাকায় গ্যাস লিকেজ থেকে আগুনে শিশুসহ চারজন দগ্ধ হয়েছেন। দগ্ধদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসক জানিয়েছেন, দগ্ধদের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
গতকাল রোববার দিবাগত রাত পৌনে ৪টার দিকে রায়েরবাজারে জাহানারা ভিলা ভবনের নিচতলার এই দুর্ঘটনা ঘটে।
দগ্ধরা হলেন— শেখ রোমান (৩৫), তার স্ত্রী পিংকি আক্তার (৩২), তাদের তিন বছর বয়সী ছেলে মায়ান (৩) এবং রোমানের শ্যালক অপু (২৩)। শেখ রোমানের গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনা জেলার খালিয়াজুরী থানার মোহাম্মদপুর এলাকায়। তিনি শেখ গোলাম মাওলার ছেলে। পরিবার নিয়ে তিনি ওই বাসায় ভাড়া থাকতেন।
দগ্ধদের হাসপাতালে নিয়ে আসা মো. মামুন জানান, বাসায় গ্যাসের লিকেজ থেকে আগুন ধরে যায়। এতে পরিবারের চারজন দগ্ধ হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ভর্তি দেন।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক সহকারী অধ্যাপক শাওন বিন রহমান জানান, শেখ রোমান ২৫ শতাংশ, পিংকি আক্তার ৭৫ শতাংশ, শিশু মায়ান ২৪ শতাংশ এবং অপু ৭ শতাংশ দগ্ধ হয়েছেন। দগ্ধদের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। তাদের সবার অবস্থাই আশঙ্কাজনক।