চরচা ডেস্ক

বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্র মারা গিয়েছেন। আজ সোমবার ৮৯ বছর বয়সে মারা যান বলিউডের ‘হি-ম্যান’ খ্যাত এই অভিনেতা। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সম্প্রতি শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যানডি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ধর্মেন্দ্র। তখন তার মৃত্যুর গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছিল। অবশেষে সব গুঞ্জন থামিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছিলেন ধর্মেন্দ্র। তবে বাড়ি ফেরার পর তিনি মারা গেলেন।
আগামী ৮ ডিসেম্বর ৯০ বছর বয়সে পা দিতেন প্রখ্যাত এই অভিনেতা।
নিজের অভিনয়, ব্যক্তিত্ব ও মানবিকতায় ধর্মেন্দ্র ভারতীয় চলচ্চিত্র ইতিহাসে ‘হ্যান্ডসাম হিরো’ উপাধি অর্জন করে নিয়েছিলেন।
১৯৬০ সালে ‘দিল বিহ তেরা হাম বিহ তেরে’ ছবির মাধ্যমে বলিউডে আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। তবে তার আসল সাফল্যের শুরু হয় ষাটের দশকের মাঝামাঝি, যখন তিনি একের পর এক হিট ছবির মাধ্যমে দর্শকদের মনে জায়গা করে নেন।
তার উল্লেখযোগ্য অভিনয়ের মধ্যে রয়েছে শোলেতে বীরুর আইকনিক ভূমিকা, সেইসঙ্গে ফুল অউর পাথর, সীতা অউর গীতা, চুপকে চুপকে, ধরম বীর এবং প্রতিজ্ঞায় স্মরণীয় অভিনয়।
তাকে শেষ দেখা গিয়েছিল ২০২৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি ‘তেরি বাতোঁ মে অ্যাইসা উলঝা জিয়া’ তে, যেখানে শহীদ কাপুর এবং কৃতি শ্যানন প্রধান ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন। তিনি শহীদের দাদার ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন।
ব্যক্তি জীবনে ধর্মেন্দ্র দুটি বিয়ে করেছেন। একজন নন্দিত অভিনেত্রী হেমা মালিনি। সেই সংসারে তার একমাত্র কন্যা এষা দেওল। ধর্মেন্দ্রর প্রথম স্ত্রী প্রকাশ কৌর। সেই সংসারে আছে দুই পুত্র সানি দেওল ও ববি দেওল এবং দুই মেয়ে বিজেতা দেওল ও অজিতা দেওল।

বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্র মারা গিয়েছেন। আজ সোমবার ৮৯ বছর বয়সে মারা যান বলিউডের ‘হি-ম্যান’ খ্যাত এই অভিনেতা। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সম্প্রতি শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যানডি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ধর্মেন্দ্র। তখন তার মৃত্যুর গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছিল। অবশেষে সব গুঞ্জন থামিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছিলেন ধর্মেন্দ্র। তবে বাড়ি ফেরার পর তিনি মারা গেলেন।
আগামী ৮ ডিসেম্বর ৯০ বছর বয়সে পা দিতেন প্রখ্যাত এই অভিনেতা।
নিজের অভিনয়, ব্যক্তিত্ব ও মানবিকতায় ধর্মেন্দ্র ভারতীয় চলচ্চিত্র ইতিহাসে ‘হ্যান্ডসাম হিরো’ উপাধি অর্জন করে নিয়েছিলেন।
১৯৬০ সালে ‘দিল বিহ তেরা হাম বিহ তেরে’ ছবির মাধ্যমে বলিউডে আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। তবে তার আসল সাফল্যের শুরু হয় ষাটের দশকের মাঝামাঝি, যখন তিনি একের পর এক হিট ছবির মাধ্যমে দর্শকদের মনে জায়গা করে নেন।
তার উল্লেখযোগ্য অভিনয়ের মধ্যে রয়েছে শোলেতে বীরুর আইকনিক ভূমিকা, সেইসঙ্গে ফুল অউর পাথর, সীতা অউর গীতা, চুপকে চুপকে, ধরম বীর এবং প্রতিজ্ঞায় স্মরণীয় অভিনয়।
তাকে শেষ দেখা গিয়েছিল ২০২৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি ‘তেরি বাতোঁ মে অ্যাইসা উলঝা জিয়া’ তে, যেখানে শহীদ কাপুর এবং কৃতি শ্যানন প্রধান ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন। তিনি শহীদের দাদার ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন।
ব্যক্তি জীবনে ধর্মেন্দ্র দুটি বিয়ে করেছেন। একজন নন্দিত অভিনেত্রী হেমা মালিনি। সেই সংসারে তার একমাত্র কন্যা এষা দেওল। ধর্মেন্দ্রর প্রথম স্ত্রী প্রকাশ কৌর। সেই সংসারে আছে দুই পুত্র সানি দেওল ও ববি দেওল এবং দুই মেয়ে বিজেতা দেওল ও অজিতা দেওল।

প্রতারণার শিকার হয়ে একজন শাহজাহানপুর থানায় মামলা করলে সাইবার পুলিশ সেন্টারের ‘সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টিম’ তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে চক্রটির সদস্য লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা মো. সোহাগ হোসেন কে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।