চরচা ডেস্ক

মিয়ানমারে প্রতারণা চক্র পরিচালনাকারী কুখ্যাত মিং পরিবারের ১১ সদস্যের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে চীন। চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি।
গত সেপ্টেম্বর মাসে চীনের ঝেজিয়াং প্রদেশের একটি আদালত মিং পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে হত্যা, অবৈধভাবে আটক, প্রতারণা এবং জুয়ার আসর পরিচালনাসহ বিভিন্ন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে সাজা ঘোষণা করেছিল।
ওই সময় মোট ৩৯ জনকে দণ্ডিত করা হয়। এর মধ্যে ১১ জনকে মৃত্যুদণ্ড, আরও পাঁচজনকে দুই বছরের স্থগিত মৃত্যুদণ্ড, ১১ জনকে যাবজ্জীবন এবং বাকিদের পাঁচ থেকে ২৪ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
বিবিসি জানায়, মিয়ানমারের শান রাজ্যের সীমান্তবর্তী ছোট্ট লাউকাই শহরটি মিং পরিবারের নিয়ন্ত্রণে ছিল। একসময় চীনা জুয়াড়িদের চাহিদা পূরণে তৈরি ক্যাসিনোগুলো ধীরে ধীরে প্রতারণা ও অর্থপাচারের ঘাঁটিতে পরিণত হয়। জাতিসংঘ এই অঞ্চলকে ‘স্ক্যামডেমিক’ এর কেন্দ্রস্থল আখ্যা দিয়েছে, যেখানে লাখের বেশি বিদেশিকে প্রতারণার কাজে বাধ্য করা হয়েছিল।
২০২৩ সালে মিয়ানমার সরকার কঠোর অভিযান চালিয়ে মিং পরিবারের বহু সদস্যকে গ্রেপ্তার করে চীনের হাতে তুলে দেয়।
মিয়ানমারের এসব প্রতারণা কেন্দ্রে বছরের পর বছর হাজারো চীনা নাগরিক আটকা পড়েছেন। তাদের বিদেশিদের সঙ্গে প্রতারণা করতে বাধ্য করা হত।
গত বছর এক চীনা অভিনেতাকে ঘিরে ব্যাপক আলোচনা হয়। তিনি অভিনয়ের কাজের প্রস্তাব পেয়ে থাইল্যান্ডে গিয়েছিলেন, কিন্তু পরে তাকে মিয়ানমারের একটি প্রতারণা কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয় বলে জানা যায়। এমন ঘটনা বেইজিংয়ে ক্ষোভ বাড়ে। কারণ তারা দীর্ঘদিন ধরে মিয়ানমারের জান্তা সরকারকে এসব প্রতারণা চক্র দমনের দাবি জানিয়ে আসছিল।
চীনের আদালত জানান, ২০১৫ সাল থেকে মিং পরিবার টেলিযোগাযোগ জালিয়াতি, অবৈধ ক্যাসিনো, মাদক পাচার ও দেহ ব্যবসাসহ নানা অপরাধে যুক্ত ছিল। প্রতারণা ও জুয়া খেলার মাধ্যমে তাদের ১০ বিলিয়ন ইউয়ান আয় হয়েছে বলে প্রমাণ মিলেছে।
আদালত আরও জানায়, তাদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ১৪ জন চীনা নাগরিক নিহত হন এবং আরও অনেকে আহত হয়েছেন।

মিয়ানমারে প্রতারণা চক্র পরিচালনাকারী কুখ্যাত মিং পরিবারের ১১ সদস্যের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে চীন। চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি।
গত সেপ্টেম্বর মাসে চীনের ঝেজিয়াং প্রদেশের একটি আদালত মিং পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে হত্যা, অবৈধভাবে আটক, প্রতারণা এবং জুয়ার আসর পরিচালনাসহ বিভিন্ন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে সাজা ঘোষণা করেছিল।
ওই সময় মোট ৩৯ জনকে দণ্ডিত করা হয়। এর মধ্যে ১১ জনকে মৃত্যুদণ্ড, আরও পাঁচজনকে দুই বছরের স্থগিত মৃত্যুদণ্ড, ১১ জনকে যাবজ্জীবন এবং বাকিদের পাঁচ থেকে ২৪ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
বিবিসি জানায়, মিয়ানমারের শান রাজ্যের সীমান্তবর্তী ছোট্ট লাউকাই শহরটি মিং পরিবারের নিয়ন্ত্রণে ছিল। একসময় চীনা জুয়াড়িদের চাহিদা পূরণে তৈরি ক্যাসিনোগুলো ধীরে ধীরে প্রতারণা ও অর্থপাচারের ঘাঁটিতে পরিণত হয়। জাতিসংঘ এই অঞ্চলকে ‘স্ক্যামডেমিক’ এর কেন্দ্রস্থল আখ্যা দিয়েছে, যেখানে লাখের বেশি বিদেশিকে প্রতারণার কাজে বাধ্য করা হয়েছিল।
২০২৩ সালে মিয়ানমার সরকার কঠোর অভিযান চালিয়ে মিং পরিবারের বহু সদস্যকে গ্রেপ্তার করে চীনের হাতে তুলে দেয়।
মিয়ানমারের এসব প্রতারণা কেন্দ্রে বছরের পর বছর হাজারো চীনা নাগরিক আটকা পড়েছেন। তাদের বিদেশিদের সঙ্গে প্রতারণা করতে বাধ্য করা হত।
গত বছর এক চীনা অভিনেতাকে ঘিরে ব্যাপক আলোচনা হয়। তিনি অভিনয়ের কাজের প্রস্তাব পেয়ে থাইল্যান্ডে গিয়েছিলেন, কিন্তু পরে তাকে মিয়ানমারের একটি প্রতারণা কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয় বলে জানা যায়। এমন ঘটনা বেইজিংয়ে ক্ষোভ বাড়ে। কারণ তারা দীর্ঘদিন ধরে মিয়ানমারের জান্তা সরকারকে এসব প্রতারণা চক্র দমনের দাবি জানিয়ে আসছিল।
চীনের আদালত জানান, ২০১৫ সাল থেকে মিং পরিবার টেলিযোগাযোগ জালিয়াতি, অবৈধ ক্যাসিনো, মাদক পাচার ও দেহ ব্যবসাসহ নানা অপরাধে যুক্ত ছিল। প্রতারণা ও জুয়া খেলার মাধ্যমে তাদের ১০ বিলিয়ন ইউয়ান আয় হয়েছে বলে প্রমাণ মিলেছে।
আদালত আরও জানায়, তাদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ১৪ জন চীনা নাগরিক নিহত হন এবং আরও অনেকে আহত হয়েছেন।