চরচা ডেস্ক

বিশ্বখ্যাত ই-কমার্স জায়ান্ট অ্যামাজন তাদের আরও ১৬ হাজার করপোরেট কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘোষণা দিয়েছে। কারণ হিসেবে তারা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের কথা উল্লেখ করেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।
রয়টার্স বলছে, গত বছরের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া কোম্পানির ব্যয় সংকোচন ও পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার এটি দ্বিতীয় ধাপ। ওই সময় ১৪ হাজার কর্মীকে ছাঁটাই করা হয়েছিল। সব মিলিয়ে গত চার মাসে অ্যামাজন প্রায় ৩০ হাজার কর্মসংস্থান বিলুপ্ত করল।
যদিও অ্যামাজনের মোট কর্মী সংখ্যা প্রায় ১৫.৮ লাখ, তবে এই ৩০ হাজার ছাঁটাই মূলত তাদের করপোরেট বা অফিস কর্মীদের ওপর প্রভাব ফেলছে, যা মোট করপোরেট জনশক্তির প্রায় ১০ শতাংশ।
প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের ক্রমবর্ধমান ব্যবহার এবং প্রশাসনিক আমলাতন্ত্র কমানোর লক্ষ্যেই এই কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এই ছাঁটাই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে অ্যামাজন তাদের সকল নতুন গ্রোসারি স্টোর এবং বিশেষ মার্কেটগুলো বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখন থেকে তারা মূলত অনলাইন ডেলিভারি এবং ‘হোল ফুডসের’ ওপর বেশি নজর দেবে।
মঙ্গলবার অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেসের কিছু কর্মীর কাছে ভুলবশত একটি ইমেইল পাঠানো হয়, যেখানে এই ছাঁটাই প্রক্রিয়াকে ‘প্রজেক্ট ডন’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত ইমেইলটি কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ও অস্থিরতা সৃষ্টি করে। পরে কোম্পানির মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান বেথ গালেত্তি এক বার্তায় জানান, সংস্থাকে আরও গতিশীল ও দক্ষ করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
অ্যামাজনের সিইও অ্যান্ডি জ্যাসি আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, করোনা মহামারির সময় অতিরিক্ত কর্মী নিয়োগ এবং বর্তমানে এআই প্রযুক্তির উন্নতির ফলে অনেক কাজ স্বয়ংক্রিয় হয়ে যাওয়ায় কর্মীবাহিনী ছোট করা প্রয়োজন। এআই এখন কোডিং থেকে শুরু করে প্রশাসনিক অনেক কাজ মানুষের চেয়ে দ্রুত ও নিখুঁতভাবে করতে পারছে, যা কোম্পানিকে খরচ কমাতে সাহায্য করছে।
ছাঁটাই হওয়া কর্মীদের তালিকায় আমেরিকা, কানাডা ও কোস্টারিকার কর্মীরা রয়েছেন। কোম্পানি জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত কর্মীদের ৯০ দিন সময় দেওয়া হবে অভ্যন্তরীণ অন্য কোনো পদে আবেদন করার জন্য। তা সম্ভব না হলে তাদের নির্দিষ্ট প্যাকেজ বা সেভারেন্স পে প্রদান করা হবে।

বিশ্বখ্যাত ই-কমার্স জায়ান্ট অ্যামাজন তাদের আরও ১৬ হাজার করপোরেট কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘোষণা দিয়েছে। কারণ হিসেবে তারা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের কথা উল্লেখ করেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।
রয়টার্স বলছে, গত বছরের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া কোম্পানির ব্যয় সংকোচন ও পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার এটি দ্বিতীয় ধাপ। ওই সময় ১৪ হাজার কর্মীকে ছাঁটাই করা হয়েছিল। সব মিলিয়ে গত চার মাসে অ্যামাজন প্রায় ৩০ হাজার কর্মসংস্থান বিলুপ্ত করল।
যদিও অ্যামাজনের মোট কর্মী সংখ্যা প্রায় ১৫.৮ লাখ, তবে এই ৩০ হাজার ছাঁটাই মূলত তাদের করপোরেট বা অফিস কর্মীদের ওপর প্রভাব ফেলছে, যা মোট করপোরেট জনশক্তির প্রায় ১০ শতাংশ।
প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের ক্রমবর্ধমান ব্যবহার এবং প্রশাসনিক আমলাতন্ত্র কমানোর লক্ষ্যেই এই কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এই ছাঁটাই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে অ্যামাজন তাদের সকল নতুন গ্রোসারি স্টোর এবং বিশেষ মার্কেটগুলো বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখন থেকে তারা মূলত অনলাইন ডেলিভারি এবং ‘হোল ফুডসের’ ওপর বেশি নজর দেবে।
মঙ্গলবার অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেসের কিছু কর্মীর কাছে ভুলবশত একটি ইমেইল পাঠানো হয়, যেখানে এই ছাঁটাই প্রক্রিয়াকে ‘প্রজেক্ট ডন’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত ইমেইলটি কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ও অস্থিরতা সৃষ্টি করে। পরে কোম্পানির মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান বেথ গালেত্তি এক বার্তায় জানান, সংস্থাকে আরও গতিশীল ও দক্ষ করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
অ্যামাজনের সিইও অ্যান্ডি জ্যাসি আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, করোনা মহামারির সময় অতিরিক্ত কর্মী নিয়োগ এবং বর্তমানে এআই প্রযুক্তির উন্নতির ফলে অনেক কাজ স্বয়ংক্রিয় হয়ে যাওয়ায় কর্মীবাহিনী ছোট করা প্রয়োজন। এআই এখন কোডিং থেকে শুরু করে প্রশাসনিক অনেক কাজ মানুষের চেয়ে দ্রুত ও নিখুঁতভাবে করতে পারছে, যা কোম্পানিকে খরচ কমাতে সাহায্য করছে।
ছাঁটাই হওয়া কর্মীদের তালিকায় আমেরিকা, কানাডা ও কোস্টারিকার কর্মীরা রয়েছেন। কোম্পানি জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত কর্মীদের ৯০ দিন সময় দেওয়া হবে অভ্যন্তরীণ অন্য কোনো পদে আবেদন করার জন্য। তা সম্ভব না হলে তাদের নির্দিষ্ট প্যাকেজ বা সেভারেন্স পে প্রদান করা হবে।