চরচা ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। ঠিক এই সময়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, তেহরান তাদের সাথে সমঝোতা করতে চায়। এ ছাড়া ইতোমধ্যে কয়েকবার যোগাযোগও করেছে বলেও দাবি করেন তিনি ।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, “তারা চুক্তি করতে চায়। আমি জানি। তারা বহুবার ফোন করেছে, কথা বলতে চেয়েছে।”
ট্রাম্পের এই মন্তব্য আসে যুক্তরাষ্ট্রের শক্তিশালী বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন ও তার স্ট্রাইক গ্রুপ মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছানোর কয়েক ঘণ্টা পর। ট্রাম্প এই বহরকে ’বিগ আর্মাডা’ বলে আখ্যা দিয়ে বলেন, “ইরানের পাশেই আমাদের বিশাল নৌবহর আছে। ভেনেজুয়েলার থেকেও বড়।”
মার্কিন নৌবাহিনী জানিয়েছে, এই মোতায়েন আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিতের অংশ কেবল, তবে প্রয়োজনে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার ইঙ্গিতও দিয়েছেন ট্রাম্প।
সম্প্রতি ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিরাপত্তাবাহিনীর দমন পীড়নে ৬ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা। কিন্তু ইরান দাবি করছে, প্রকৃত সংখ্যা এর অর্ধেক এবং বাকি নিহতদের ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে চিহ্নিত করছে তারা।
এদিকে, মার্কিন নৌবহরের আগমনে ইরানপন্থী গোষ্ঠীগুলো হুমকির মুখে পড়েছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইয়েমেনের হুতিরা লোহিত সাগরে জাহাজে হামলা পুনরায় শুরুর ইঙ্গিত দিয়েছে। একইভাবে ইরাকের কাতাইব হিজবুল্লাহ সতর্ক করেছে, ইরানের ওপর আঘাত এলে পুরো অঞ্চলে যুদ্ধ শুরু হবে।
ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জেনারেল রেজা তেলাই-নিক হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছেন, আমেরিকা বা ইসরায়েল আক্রমণ করলে তার প্রতিশোধ অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি কঠোর হবে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও বলছে, মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা ভেঙে পড়লে এর প্রভাব শুধু ইরানে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং পুরো অঞ্চল অস্থিতিশীল হয়ে পড়বে।
পরিস্থিতি আরও জটিল করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ঘোষণা। আমিরাত তাদের আকাশসীমা বা ভূখণ্ড ব্যবহার করে ইরানের বিরুদ্ধে কোনো শত্রুতামূলক সামরিক অভিযান চালানো যাবে না বলে জানিয়েছে। যদিও দেশটিতে মার্কিন সেনাদের একটি বড় ঘাঁটি রয়েছে।
অন্যদিকে, ইরানের এক জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তা মার্কিন নৌবহর মোতায়েনকে অতিরঞ্জিত বলে দাবি করেছেন এবং বলেছেন, “তেহরান প্রস্তুত।”

মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। ঠিক এই সময়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, তেহরান তাদের সাথে সমঝোতা করতে চায়। এ ছাড়া ইতোমধ্যে কয়েকবার যোগাযোগও করেছে বলেও দাবি করেন তিনি ।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, “তারা চুক্তি করতে চায়। আমি জানি। তারা বহুবার ফোন করেছে, কথা বলতে চেয়েছে।”
ট্রাম্পের এই মন্তব্য আসে যুক্তরাষ্ট্রের শক্তিশালী বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন ও তার স্ট্রাইক গ্রুপ মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছানোর কয়েক ঘণ্টা পর। ট্রাম্প এই বহরকে ’বিগ আর্মাডা’ বলে আখ্যা দিয়ে বলেন, “ইরানের পাশেই আমাদের বিশাল নৌবহর আছে। ভেনেজুয়েলার থেকেও বড়।”
মার্কিন নৌবাহিনী জানিয়েছে, এই মোতায়েন আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিতের অংশ কেবল, তবে প্রয়োজনে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার ইঙ্গিতও দিয়েছেন ট্রাম্প।
সম্প্রতি ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিরাপত্তাবাহিনীর দমন পীড়নে ৬ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা। কিন্তু ইরান দাবি করছে, প্রকৃত সংখ্যা এর অর্ধেক এবং বাকি নিহতদের ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে চিহ্নিত করছে তারা।
এদিকে, মার্কিন নৌবহরের আগমনে ইরানপন্থী গোষ্ঠীগুলো হুমকির মুখে পড়েছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইয়েমেনের হুতিরা লোহিত সাগরে জাহাজে হামলা পুনরায় শুরুর ইঙ্গিত দিয়েছে। একইভাবে ইরাকের কাতাইব হিজবুল্লাহ সতর্ক করেছে, ইরানের ওপর আঘাত এলে পুরো অঞ্চলে যুদ্ধ শুরু হবে।
ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জেনারেল রেজা তেলাই-নিক হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছেন, আমেরিকা বা ইসরায়েল আক্রমণ করলে তার প্রতিশোধ অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি কঠোর হবে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও বলছে, মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা ভেঙে পড়লে এর প্রভাব শুধু ইরানে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং পুরো অঞ্চল অস্থিতিশীল হয়ে পড়বে।
পরিস্থিতি আরও জটিল করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ঘোষণা। আমিরাত তাদের আকাশসীমা বা ভূখণ্ড ব্যবহার করে ইরানের বিরুদ্ধে কোনো শত্রুতামূলক সামরিক অভিযান চালানো যাবে না বলে জানিয়েছে। যদিও দেশটিতে মার্কিন সেনাদের একটি বড় ঘাঁটি রয়েছে।
অন্যদিকে, ইরানের এক জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তা মার্কিন নৌবহর মোতায়েনকে অতিরঞ্জিত বলে দাবি করেছেন এবং বলেছেন, “তেহরান প্রস্তুত।”