চবি প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ধারালো অস্ত্রসহ নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের এক কর্মীকে আটক করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহ আমানত হলে এই ঘটনা ঘটে।
ওই ছাত্রলীগ কর্মীর নাম নূর হোসেন বিপ্লব (২৩) ওরফে আতঙ্ক বিপ্লব। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠানের 'আইএসএস' কর্মী এবং তার বাবা শাহ আমানত হলের বাবুর্চি।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, একটি চোরাই মোবাইল ফোন কেনাবেচাকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজের কয়েকজন স্থানীয় শিক্ষার্থীর সঙ্গে বিপ্লবের বিরোধের সূত্রপাত হয়।
একপর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. জাবেদের মধ্যস্থতায় বিষয়টি সমঝোতার উদ্যোগ নেওয়া হয়। বিপ্লবের বাবা শাহ আমানত হলের বাবুর্চি হওয়ায় উভয় পক্ষ শাহ আমানত হলে বিষয়টি সমঝোতার জন্য বসার সিদ্ধান্ত নেয়। উভয় পক্ষ সমঝোতার জন্য শাহ আমানত হলে জড়ো হলে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে বিপ্লব রাগান্বিত হয়ে একটি ‘রামদা’ নিয়ে হলে প্রবেশ করেন।
গ্রেপ্তারের পর বিপ্লব নিজেকে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কর্মী বলে পরিচয় দেয়। একই সঙ্গে তিনি মোবাইল ফোনের ক্রেতাদেরও ছাত্রলীগের কর্মী বলে দাবি করেন।
বিপ্লব বলেন , “আমার সাথে পূর্বে রাজনীতি করা সহকর্মীরা আমার সাথে বেইমানি করেছে। তারা বেইমানি করায় আমার রাগ হয়। তাই আমি তাদের শুধুমাত্র ভয় দেখানোর জন্য রামদা নিয়ে গেছিলাম।”
চাকসুর আইন সম্পাদক ফজলে রাব্বি তৌহিদ বলেন, “এ ঘটনায় অভিযুক্ত ও বাদী উভয় পক্ষই বহিরাগত। বহিরাগতদের একটি বিরোধ মীমাংসার খাতিরে হোক বা অন্য কোনো কারণে হোক, বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে নিয়ে আসা মোটেও কাম্য নয়।”
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. হোসেন শহিদ সরওয়ার্দী বলেন, “খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে উপস্থিত হই। জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত নিজেকে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের কর্মী হিসেবে পরিচয় দেয়। বিষয়টি শিক্ষার্থীদের জন্য আতঙ্কের হওয়ায় তাকে তাৎক্ষণিকভাবে থানায় সোপর্দ করা হয়েছে এবং প্রশাসনকেও জানানো হয়েছে। আগামীকাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা দপ্তর থেকে এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হবে।”

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ধারালো অস্ত্রসহ নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের এক কর্মীকে আটক করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহ আমানত হলে এই ঘটনা ঘটে।
ওই ছাত্রলীগ কর্মীর নাম নূর হোসেন বিপ্লব (২৩) ওরফে আতঙ্ক বিপ্লব। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠানের 'আইএসএস' কর্মী এবং তার বাবা শাহ আমানত হলের বাবুর্চি।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, একটি চোরাই মোবাইল ফোন কেনাবেচাকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজের কয়েকজন স্থানীয় শিক্ষার্থীর সঙ্গে বিপ্লবের বিরোধের সূত্রপাত হয়।
একপর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. জাবেদের মধ্যস্থতায় বিষয়টি সমঝোতার উদ্যোগ নেওয়া হয়। বিপ্লবের বাবা শাহ আমানত হলের বাবুর্চি হওয়ায় উভয় পক্ষ শাহ আমানত হলে বিষয়টি সমঝোতার জন্য বসার সিদ্ধান্ত নেয়। উভয় পক্ষ সমঝোতার জন্য শাহ আমানত হলে জড়ো হলে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে বিপ্লব রাগান্বিত হয়ে একটি ‘রামদা’ নিয়ে হলে প্রবেশ করেন।
গ্রেপ্তারের পর বিপ্লব নিজেকে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কর্মী বলে পরিচয় দেয়। একই সঙ্গে তিনি মোবাইল ফোনের ক্রেতাদেরও ছাত্রলীগের কর্মী বলে দাবি করেন।
বিপ্লব বলেন , “আমার সাথে পূর্বে রাজনীতি করা সহকর্মীরা আমার সাথে বেইমানি করেছে। তারা বেইমানি করায় আমার রাগ হয়। তাই আমি তাদের শুধুমাত্র ভয় দেখানোর জন্য রামদা নিয়ে গেছিলাম।”
চাকসুর আইন সম্পাদক ফজলে রাব্বি তৌহিদ বলেন, “এ ঘটনায় অভিযুক্ত ও বাদী উভয় পক্ষই বহিরাগত। বহিরাগতদের একটি বিরোধ মীমাংসার খাতিরে হোক বা অন্য কোনো কারণে হোক, বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে নিয়ে আসা মোটেও কাম্য নয়।”
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. হোসেন শহিদ সরওয়ার্দী বলেন, “খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে উপস্থিত হই। জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত নিজেকে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের কর্মী হিসেবে পরিচয় দেয়। বিষয়টি শিক্ষার্থীদের জন্য আতঙ্কের হওয়ায় তাকে তাৎক্ষণিকভাবে থানায় সোপর্দ করা হয়েছে এবং প্রশাসনকেও জানানো হয়েছে। আগামীকাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা দপ্তর থেকে এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হবে।”

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, চট্টগ্রাম সমাজসেবা অধিদপ্তরের বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (উপসচিব) মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমানকে সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব সোহানা নাসরিনকে কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে বদলি ও পদায়ন করা হয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার সাম্প্রতিক রাজনীতিতে সবচেয়ে বিভাজনমূলক ঘটনাগুলোর একটি হলো সাবেক যুদ্ধনায়ক বেন রবার্টস-স্মিথকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক। একসময় যিনি দেশের সর্বোচ্চ সামরিক সম্মান ‘ভিক্টোরিয়া ক্রস’প্রাপ্ত বীর হিসেবে জাতীয় গৌরবের প্রতীক ছিলেন, এখন তিনি যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত।