চরচা প্রতিবেদক

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলছেন, মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে লড়াইকে তিনি সামাজিক দায়িত্ব হিসেবে বিবেচনা করছেন।
আজ সোমবার জাতীয় সংসদে বাজেট আলোচনার সমাপনী বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী আগামী অর্থবছরের বাজেটে মূল্যস্ফীতি ৭ শতাংশে নামিয়ে আনার এবং জিডিপি প্রবৃদ্ধি সাড়ে ৬ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যের পক্ষে নিজের যুক্তি তুলে ধরেন।
আমির খসরু বলেন, “মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে লড়াইকে আমরা কেবল একটি অর্থনৈতিক কর্মসূচি হিসেবে নয়, বরং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের জন্য একটি সামাজিক দায়িত্ব হিসেবে বিবেচনা করছি।”
অর্থমন্ত্রী বলেন, “দেশে বিদ্যমান উচ্চ মূল্যস্ফীতি জনগণের কাছে একটি অন্যতম উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমাদের সরকার এ বাস্তবতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে লড়াইকে আমরা কেবল একটি অর্থনৈতিক কর্মসূচি হিসেবে নয়, বরং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের জন্য একটি সামাজিক দায়িত্ব হিসেবে বিবেচনা করছি।”
আমির খসরু বলেন, “আমরা মুদ্রানীতি ও রাজস্ব নীতির কার্যকর সমন্বয়ের মাধ্যমে বাজারে অর্থ সরবরাহ নিয়ন্ত্রিত রাখার উদ্যোগ নিয়েছি। পাশাপাশি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালীকরণ, টাকার বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখা, কৃষি ও শিল্পসহ সামগ্রিক উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে ৬০টি পণ্যের উৎসে কর হ্রাস, বিনিয়ন্ত্রণকরণ এবং ডিজিটাইজেশনের মাধ্যমে ব্যবসার খরচ কমানো, সরবরাহ ব্যবস্থার ত্রুটিসমূহ দূর করা, বাজারে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি এবং অসাধুচক্রের কৃত্রিম সংকট ও কারসাজি প্রবণতার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত রয়েছে।”
জিডিপি প্রবৃদ্ধির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আগামী অর্থবছরের জন্য আমাদের প্রাক্কলিত জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৬.৫ শতাংশ অর্জন নিয়েও কিছুটা সংশয় প্রকাশ করা হয়েছে। আমি মনে করি, প্রবৃদ্ধি কেবল একটি পরিসংখ্যান নয়; এটি অর্থনীতির সামগ্রিক কার্যক্রম, বিনিয়োগ, উৎপাদন, কর্মসংস্থান এবং আস্থার প্রতিফলন।”
অর্থমন্ত্রী বলেন, “তাই, আমরা সরকারি-বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, শিল্প, কৃষি ও আইসিটিসহ সেবাখাত এবং অর্থনীতির সকল প্রতিশ্রুতিশীল খাতের সম্প্রসারণ, ক্রিয়েটিভ অর্থনীতির খাতসমূহকে অর্থনীতির মূলধারায় এনে দেশব্যাপী উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি, মানবসম্পদ উন্নয়ন, ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন এবং বেসরকারি খাতকে শক্তিশালী করার উপর বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করছি, যা প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৬.৫ শতাংশ অর্জনে সহায়ক হবে।”

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলছেন, মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে লড়াইকে তিনি সামাজিক দায়িত্ব হিসেবে বিবেচনা করছেন।
আজ সোমবার জাতীয় সংসদে বাজেট আলোচনার সমাপনী বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী আগামী অর্থবছরের বাজেটে মূল্যস্ফীতি ৭ শতাংশে নামিয়ে আনার এবং জিডিপি প্রবৃদ্ধি সাড়ে ৬ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যের পক্ষে নিজের যুক্তি তুলে ধরেন।
আমির খসরু বলেন, “মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে লড়াইকে আমরা কেবল একটি অর্থনৈতিক কর্মসূচি হিসেবে নয়, বরং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের জন্য একটি সামাজিক দায়িত্ব হিসেবে বিবেচনা করছি।”
অর্থমন্ত্রী বলেন, “দেশে বিদ্যমান উচ্চ মূল্যস্ফীতি জনগণের কাছে একটি অন্যতম উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমাদের সরকার এ বাস্তবতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে লড়াইকে আমরা কেবল একটি অর্থনৈতিক কর্মসূচি হিসেবে নয়, বরং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের জন্য একটি সামাজিক দায়িত্ব হিসেবে বিবেচনা করছি।”
আমির খসরু বলেন, “আমরা মুদ্রানীতি ও রাজস্ব নীতির কার্যকর সমন্বয়ের মাধ্যমে বাজারে অর্থ সরবরাহ নিয়ন্ত্রিত রাখার উদ্যোগ নিয়েছি। পাশাপাশি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালীকরণ, টাকার বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখা, কৃষি ও শিল্পসহ সামগ্রিক উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে ৬০টি পণ্যের উৎসে কর হ্রাস, বিনিয়ন্ত্রণকরণ এবং ডিজিটাইজেশনের মাধ্যমে ব্যবসার খরচ কমানো, সরবরাহ ব্যবস্থার ত্রুটিসমূহ দূর করা, বাজারে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি এবং অসাধুচক্রের কৃত্রিম সংকট ও কারসাজি প্রবণতার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত রয়েছে।”
জিডিপি প্রবৃদ্ধির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আগামী অর্থবছরের জন্য আমাদের প্রাক্কলিত জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৬.৫ শতাংশ অর্জন নিয়েও কিছুটা সংশয় প্রকাশ করা হয়েছে। আমি মনে করি, প্রবৃদ্ধি কেবল একটি পরিসংখ্যান নয়; এটি অর্থনীতির সামগ্রিক কার্যক্রম, বিনিয়োগ, উৎপাদন, কর্মসংস্থান এবং আস্থার প্রতিফলন।”
অর্থমন্ত্রী বলেন, “তাই, আমরা সরকারি-বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, শিল্প, কৃষি ও আইসিটিসহ সেবাখাত এবং অর্থনীতির সকল প্রতিশ্রুতিশীল খাতের সম্প্রসারণ, ক্রিয়েটিভ অর্থনীতির খাতসমূহকে অর্থনীতির মূলধারায় এনে দেশব্যাপী উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি, মানবসম্পদ উন্নয়ন, ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন এবং বেসরকারি খাতকে শক্তিশালী করার উপর বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করছি, যা প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৬.৫ শতাংশ অর্জনে সহায়ক হবে।”