চরচা ডেস্ক

শুভেচ্ছা সফরে দেশে এসে পৌঁছেছে পাকিস্তান নৌবাহিনীর জাহাজ ‘পিএনএস সাইফ’। চারদিনের সফরে আসা এই জাহাজটি আজ শনিবার চট্টগ্রাম বন্দরের এসে পৌঁছায়। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জাহাজটি বাংলাদেশের জলসীমায় এসে পৌঁছালে বাংলাদেশ নৌবাহিনী জাহাজ বানৌজা স্বাধীনতা তাদের অভ্যর্থনা জানায়। পরে বন্দরে জাহাজটি পৌঁছালে কমান্ডার চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চলের পক্ষ থেকে চিফ স্টাফ অফিসার জাহাজের কর্মকর্তা ও নাবিকদের স্বাগত জানান। এ সময় নৌবাহিনীর সুসজ্জিত বাদকদল ঐতিহ্যবাহী রীতি অনুযায়ী ব্যান্ড পরিবেশন করে।
এসময় অন্যান্যদের মধ্যে বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তান হাইকমিশনের প্রতিনিধিসহ নৌবাহিনীর স্থানীয় উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশে অবস্থানের সময় জাহাজটির অধিনায়ক ও অন্যান্য কর্মকর্তাসহ একটি প্রতিনিধিদল কমান্ডার চট্টগ্রাম নৌ-অঞ্চল, কামান্ডার বিএন ফ্লিট, এরিয়া সুপারিনটেনডেন্ট ডকইয়ার্ডের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। চট্টগ্রাম নৌ-অঞ্চলে অবস্থানের সময় জাহাজের অফিসার, নাবিক ও প্রশিক্ষণার্থীগণ চট্টগ্রামের বিভিন্ন ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান, নৌবাহিনী জাহাজ ও ঘাঁটি পরিদর্শন করবেন। এছাড়াও, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ও নাবিকেরাও পাকিস্তানের জাহাজটি পরিদর্শন করবেন।
আইএসপিআরের বিজ্ঞপ্তিতে আশা করা হয়েছে, পাকিস্তান নৌবাহিনীর জাহাজের বাংলাদেশ সফরের ফলে দুই দেশের মধ্যকার সৌহার্দপূর্ণ দ্বি-পাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার হবে।
শুভেচ্ছা সফর শেষে জাহাজটি আগামী বুধবার (১২ নভেম্বর) বাংলাদেশ ত্যাগ করবে।

শুভেচ্ছা সফরে দেশে এসে পৌঁছেছে পাকিস্তান নৌবাহিনীর জাহাজ ‘পিএনএস সাইফ’। চারদিনের সফরে আসা এই জাহাজটি আজ শনিবার চট্টগ্রাম বন্দরের এসে পৌঁছায়। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জাহাজটি বাংলাদেশের জলসীমায় এসে পৌঁছালে বাংলাদেশ নৌবাহিনী জাহাজ বানৌজা স্বাধীনতা তাদের অভ্যর্থনা জানায়। পরে বন্দরে জাহাজটি পৌঁছালে কমান্ডার চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চলের পক্ষ থেকে চিফ স্টাফ অফিসার জাহাজের কর্মকর্তা ও নাবিকদের স্বাগত জানান। এ সময় নৌবাহিনীর সুসজ্জিত বাদকদল ঐতিহ্যবাহী রীতি অনুযায়ী ব্যান্ড পরিবেশন করে।
এসময় অন্যান্যদের মধ্যে বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তান হাইকমিশনের প্রতিনিধিসহ নৌবাহিনীর স্থানীয় উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশে অবস্থানের সময় জাহাজটির অধিনায়ক ও অন্যান্য কর্মকর্তাসহ একটি প্রতিনিধিদল কমান্ডার চট্টগ্রাম নৌ-অঞ্চল, কামান্ডার বিএন ফ্লিট, এরিয়া সুপারিনটেনডেন্ট ডকইয়ার্ডের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। চট্টগ্রাম নৌ-অঞ্চলে অবস্থানের সময় জাহাজের অফিসার, নাবিক ও প্রশিক্ষণার্থীগণ চট্টগ্রামের বিভিন্ন ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান, নৌবাহিনী জাহাজ ও ঘাঁটি পরিদর্শন করবেন। এছাড়াও, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ও নাবিকেরাও পাকিস্তানের জাহাজটি পরিদর্শন করবেন।
আইএসপিআরের বিজ্ঞপ্তিতে আশা করা হয়েছে, পাকিস্তান নৌবাহিনীর জাহাজের বাংলাদেশ সফরের ফলে দুই দেশের মধ্যকার সৌহার্দপূর্ণ দ্বি-পাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার হবে।
শুভেচ্ছা সফর শেষে জাহাজটি আগামী বুধবার (১২ নভেম্বর) বাংলাদেশ ত্যাগ করবে।

আইন উপদেষ্টা আরও বলেন, ১৯৭২ সালেও মহান মুক্তিযুদ্ধের পর মুক্তিযুদ্ধকালীন কর্মকাণ্ডের জন্য দায়মুক্তি আইন করা হয়েছিল। তবে সেই আইন ১৯৭২ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। আমরা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সংজ্ঞা ও জুলাই সনদকে বিবেচনায় রেখে দায়মুক্তির সময়সীমা শুধুমাত্র জুলাই-আগস্ট মাসের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।

জীবদ্দশায় এই কিংবদন্তীর সবচেয়ে বড় অর্জনের ২ টা হলো তার অহিংস প্রতিবাদের ডাকে আমেরিকার সংবিধানে ২৪তম সংশোধনীর অনুমোদন হয় যার মাধ্যমে কৃষ্ণাঙ্গদের ভোটাধিকারের ওপর আরোপিত কর বিলুপ্ত করা হয় এবং দ্বিতীয়টি হলো ১৯৬৪ সালের নাগরিক অধিকার আইন (Civil Rights Act) পাস করা হয়।