চরচা ডেস্ক

ইউরোপজুড়ে রেকর্ড ভাঙা তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যেই আজ বৃহস্পতিবার প্যারিসের একটি আদালত জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত এক ঐতিহাসিক মামলার রায় দিতে যাচ্ছে। এই রায়ের ওপর নির্ভর করছে ফরাসি জ্বালানি জায়ান্ট ‘টোটালএনার্জিস’ তাদের তেল ও গ্যাস উৎপাদন কমাতে বাধ্য হবে কি না। বার্তা সংস্থা ইউএনবি-এর এক খবর থেকে এ তথ্য জানা যায়।
২০২০ সালে প্যারিস সিটি করপোরেশন এবং নোত্র অ্যাফেয়ার আ তুস, শেরপাসহ কয়েকটি পরিবেশবাদী সংগঠন এই মামলাটি দায়ের করে। তাদের অভিযোগ, টোটালএনার্জিস বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণকারী প্রতিষ্ঠান হওয়া সত্ত্বেও পরিবেশগত ঝুঁকি প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না, যা দেশটির ২০১৭ সালের ‘করপোরেট ডিউটি অব ভিজিল্যান্স’ আইনের লঙ্ঘন।
পরিবেশবাদীরা দাবি জানিয়েছেন, আদালত যেন কোম্পানিটিকে ২০৩০ সালের মধ্যে তেল উৎপাদন ৩৭ শতাংশ ও গ্যাস উৎপাদন ২৫ শতাংশ কমানোর নির্দেশ দেয় এবং নতুন কোনো জীবাশ্ম জ্বালানি প্রকল্প নিষিদ্ধ করে।
এই আইনি লড়াই এমন এক সময়ে চূড়ান্ত রূপ নিচ্ছে, যখন ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য ও স্পেনসহ পুরো ইউরোপ তীব্র গরমে পুড়ছে। জারি করা হয়েছে ‘রেড অ্যালার্ট’। তীব্র গরমের কারণে আইফেল টাওয়ার ও ল্যুভর জাদুঘরের মতো দর্শনীয় স্থানগুলোর সময়সূচি সীমিত করা হয়েছে, ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষা ও পরিবহন ব্যবস্থা।
বিজ্ঞানীদের মতে, মানুষের কর্মকাণ্ডের কারণেই চরম ভাবাপন্ন আবহাওয়া ও তাপপ্রবাহ আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। কোপার্নিকাস ক্লাইমেট চেঞ্জ সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৮০-এর দশক থেকে ইউরোপ বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের চেয়ে দ্বিগুণ গতিতে উষ্ণ হচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মতে, গত চার বছরে ইউরোপে তাপজনিত কারণে দুই লাখের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
এর আগে নেদারল্যান্ডসের সুপ্রিম কোর্ট, জাতিসংঘের ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস এবং ইউরোপীয়ান কোর্ট অব হিউম্যান রাইটস জলবায়ু সুরক্ষাকে মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে ঐতিহাসিক কিছু রায় দিয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় প্যারিসের এই আদালতের রায় বিশ্বজুড়ে পরিবেশ আন্দোলনে এবং করপোরেট জবাবদিহিতা নিশ্চিতের ক্ষেত্রে এক নতুন মাইলফলক হতে পারে।

ইউরোপজুড়ে রেকর্ড ভাঙা তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যেই আজ বৃহস্পতিবার প্যারিসের একটি আদালত জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত এক ঐতিহাসিক মামলার রায় দিতে যাচ্ছে। এই রায়ের ওপর নির্ভর করছে ফরাসি জ্বালানি জায়ান্ট ‘টোটালএনার্জিস’ তাদের তেল ও গ্যাস উৎপাদন কমাতে বাধ্য হবে কি না। বার্তা সংস্থা ইউএনবি-এর এক খবর থেকে এ তথ্য জানা যায়।
২০২০ সালে প্যারিস সিটি করপোরেশন এবং নোত্র অ্যাফেয়ার আ তুস, শেরপাসহ কয়েকটি পরিবেশবাদী সংগঠন এই মামলাটি দায়ের করে। তাদের অভিযোগ, টোটালএনার্জিস বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণকারী প্রতিষ্ঠান হওয়া সত্ত্বেও পরিবেশগত ঝুঁকি প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না, যা দেশটির ২০১৭ সালের ‘করপোরেট ডিউটি অব ভিজিল্যান্স’ আইনের লঙ্ঘন।
পরিবেশবাদীরা দাবি জানিয়েছেন, আদালত যেন কোম্পানিটিকে ২০৩০ সালের মধ্যে তেল উৎপাদন ৩৭ শতাংশ ও গ্যাস উৎপাদন ২৫ শতাংশ কমানোর নির্দেশ দেয় এবং নতুন কোনো জীবাশ্ম জ্বালানি প্রকল্প নিষিদ্ধ করে।
এই আইনি লড়াই এমন এক সময়ে চূড়ান্ত রূপ নিচ্ছে, যখন ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য ও স্পেনসহ পুরো ইউরোপ তীব্র গরমে পুড়ছে। জারি করা হয়েছে ‘রেড অ্যালার্ট’। তীব্র গরমের কারণে আইফেল টাওয়ার ও ল্যুভর জাদুঘরের মতো দর্শনীয় স্থানগুলোর সময়সূচি সীমিত করা হয়েছে, ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষা ও পরিবহন ব্যবস্থা।
বিজ্ঞানীদের মতে, মানুষের কর্মকাণ্ডের কারণেই চরম ভাবাপন্ন আবহাওয়া ও তাপপ্রবাহ আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। কোপার্নিকাস ক্লাইমেট চেঞ্জ সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৮০-এর দশক থেকে ইউরোপ বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের চেয়ে দ্বিগুণ গতিতে উষ্ণ হচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মতে, গত চার বছরে ইউরোপে তাপজনিত কারণে দুই লাখের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
এর আগে নেদারল্যান্ডসের সুপ্রিম কোর্ট, জাতিসংঘের ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস এবং ইউরোপীয়ান কোর্ট অব হিউম্যান রাইটস জলবায়ু সুরক্ষাকে মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে ঐতিহাসিক কিছু রায় দিয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় প্যারিসের এই আদালতের রায় বিশ্বজুড়ে পরিবেশ আন্দোলনে এবং করপোরেট জবাবদিহিতা নিশ্চিতের ক্ষেত্রে এক নতুন মাইলফলক হতে পারে।

সরকারি দলের (বিএনপি) সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান বাচ্চু (ময়মনসিংহ-১০) বলেছেন, যারা ‘জুলাইয়ের চেতনা’ বিক্রি করেন, তারা একসময় রিকশায় চড়লেও এখন প্রাডো গাড়িতে ঘোরেন। আজ বৃহস্পতিবার সংসদে ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

মোট ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী জনসংখ্যার ২২ দশমিক ৬০ শতাংশ বা ৩ লাখ ৭২ হাজার ৮৬৪ জন বসবাস করেন রাঙামাটি জেলাতে। অন্যদিকে ২১ দশমিক ১৭ শতাংশ বা ৩ লাখ ৪৯ হাজার ৩৭৮ জন বসবাস করেন খাগড়াছড়ি জেলাতে। এ ছাড়া বান্দরবান জেলাতে বসবাস করেন প্রায় ১ লাখ ৯৭ হাজার ৯৭৫ জন, যা মোট ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী জনসংখ্যার প্রায় ১২ শতাংশ।