চরচা ডেস্ক

দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে দুর্নীতি মামলা থেকে দায়মুক্তি দিয়েছেন ভারতের একটি আদালত। দীর্ঘদিন ধরে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে তদন্ত ও বিচারিক কার্যক্রম চলছিল। আজ শুক্রবার বেকসুর খালাস দেওয়ার পর আদালতেই কেঁদে ফেলেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল।
রায়ের পর বের হয়েই আম আদমি পার্টির নেতা (এএপি) অরবিন্দ কেজরিওয়াল তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেন এবং একে ক্ষমতাসীন দলের ‘রাজনৈতিক চক্রান্ত’ আখ্যা দেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।
২০২৪ সালের মার্চে গ্রেপ্তার হওয়ার পর বেশ কয়েক মাস কারাবন্দি ছিলেন কেজরিওয়াল (৫৭)। তার বিরুদ্ধে মূল অভিযোগ, ক্ষমতায় থাকাবস্থায় মদ বিক্রির লাইসেন্সের বিনিময়ে ঘুষ নিয়েছেন তিনি ও তার প্রশাসনের অন্যান্যরা।
রায় ঘোষণার পর অশ্রুসিক্ত নয়নে আদালত ছাড়েন ‘জনমানুষের’ নেতা কেজরিওয়াল। সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘সত্যের জয় হয়েছে।’
তিনি অভিযোগ করেন, আম আদমি পার্টিকে ‘শেষ’ করে দেওয়ার রাজনৈতিক চক্রান্তে মেতেছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কিন্তু সেই চক্রান্ত সফল হয়নি।
আজ শুক্রবার কেজরিওয়ালের পাশাপাশি সাবেক উপ-মূখ্যমন্ত্রী মনীশ সিসোদিয়া এবং অপর ২১ নেতাকর্মীকে সব ধরনের অভিযোগ থেকে দায়মুক্তি দিয়েছে।
মোদির সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বীদের অন্যতম কেজরিওয়াল। তিনি বরাবরই তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে এসেছেন।

দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে দুর্নীতি মামলা থেকে দায়মুক্তি দিয়েছেন ভারতের একটি আদালত। দীর্ঘদিন ধরে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে তদন্ত ও বিচারিক কার্যক্রম চলছিল। আজ শুক্রবার বেকসুর খালাস দেওয়ার পর আদালতেই কেঁদে ফেলেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল।
রায়ের পর বের হয়েই আম আদমি পার্টির নেতা (এএপি) অরবিন্দ কেজরিওয়াল তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেন এবং একে ক্ষমতাসীন দলের ‘রাজনৈতিক চক্রান্ত’ আখ্যা দেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।
২০২৪ সালের মার্চে গ্রেপ্তার হওয়ার পর বেশ কয়েক মাস কারাবন্দি ছিলেন কেজরিওয়াল (৫৭)। তার বিরুদ্ধে মূল অভিযোগ, ক্ষমতায় থাকাবস্থায় মদ বিক্রির লাইসেন্সের বিনিময়ে ঘুষ নিয়েছেন তিনি ও তার প্রশাসনের অন্যান্যরা।
রায় ঘোষণার পর অশ্রুসিক্ত নয়নে আদালত ছাড়েন ‘জনমানুষের’ নেতা কেজরিওয়াল। সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘সত্যের জয় হয়েছে।’
তিনি অভিযোগ করেন, আম আদমি পার্টিকে ‘শেষ’ করে দেওয়ার রাজনৈতিক চক্রান্তে মেতেছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কিন্তু সেই চক্রান্ত সফল হয়নি।
আজ শুক্রবার কেজরিওয়ালের পাশাপাশি সাবেক উপ-মূখ্যমন্ত্রী মনীশ সিসোদিয়া এবং অপর ২১ নেতাকর্মীকে সব ধরনের অভিযোগ থেকে দায়মুক্তি দিয়েছে।
মোদির সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বীদের অন্যতম কেজরিওয়াল। তিনি বরাবরই তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে এসেছেন।