চরচা প্রতিবেদক

ভোরের স্নিগ্ধ আলো যখন রমনার সবুজ প্রকৃতিতে এসে পড়ছিল, ঠিক তখনই চারপাশ মুখরিত হয়ে ওঠে যন্ত্রসংগীত আর গানের জাদুতে। বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে প্রতি বছরের মতো এবারও রাজধানীর রমনার বটমূলে ছায়ানটের বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়েছে বাংলা নতুন বছরকে।
ভোরের প্রথম আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গেই সরোদ বাদনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর একে একে ছায়ানটের শিল্পীদের একক ও সমবেত গান আর কবিতার আবহে প্রাণ ফিরে পায় রমনার বটমূল। উৎসবে আসা মানুষের পরনে ছিল বৈশাখী সাজ—সাদা আর লাল রঙের শাড়ি-পাঞ্জাবিতে পুরো এলাকা যেন এক টুকরো লাল-সুুন্দর বাংলাদেশে পরিণত হয়েছিল।
অনুষ্ঠান শুরু হয় ‘জাগো আলোক-লগনে’ গানের পরিবেশনা দিয়ে। এবারও অনুষ্ঠান সাজানো হয় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম, লালন সাঁই, দ্বিজেন্দ্রলাল রায়, অজয় ভট্টাচার্য, আবদুল লতিফ, জ্যোতিরিন্দ্র মৈত্রের গান দিয়ে। পাশাপাশি ছিলো লোকগান।
ছায়ানটের এই বর্ষবরণ অনুষ্ঠানটি কেবল একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানই নয়, বরং এটি বাঙালির অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও ঐতিহ্যের এক মিলনমেলা। কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে হাজারো মানুষ এই আনন্দ উৎসবে শামিল হয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানায়। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের এই উপস্থিতি প্রমাণ করে যে, শেকড়ের টানে বাঙালি সবসময়ই এক ও অবিভাজ্য।
শুদ্ধ সংগীতের মাধ্যমে অশুভকে বিনাশ করে এক নতুন সম্ভাবনার পথে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় নিয়ে শেষ হয় ছায়ানটের এবারের এই আয়োজন। সব মিলিয়ে রমনার বটমূলে সুরের ধারায় এক আনন্দঘন পরিবেশে শুরু হলো নতুন বছর।

ভোরের স্নিগ্ধ আলো যখন রমনার সবুজ প্রকৃতিতে এসে পড়ছিল, ঠিক তখনই চারপাশ মুখরিত হয়ে ওঠে যন্ত্রসংগীত আর গানের জাদুতে। বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে প্রতি বছরের মতো এবারও রাজধানীর রমনার বটমূলে ছায়ানটের বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়েছে বাংলা নতুন বছরকে।
ভোরের প্রথম আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গেই সরোদ বাদনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর একে একে ছায়ানটের শিল্পীদের একক ও সমবেত গান আর কবিতার আবহে প্রাণ ফিরে পায় রমনার বটমূল। উৎসবে আসা মানুষের পরনে ছিল বৈশাখী সাজ—সাদা আর লাল রঙের শাড়ি-পাঞ্জাবিতে পুরো এলাকা যেন এক টুকরো লাল-সুুন্দর বাংলাদেশে পরিণত হয়েছিল।
অনুষ্ঠান শুরু হয় ‘জাগো আলোক-লগনে’ গানের পরিবেশনা দিয়ে। এবারও অনুষ্ঠান সাজানো হয় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম, লালন সাঁই, দ্বিজেন্দ্রলাল রায়, অজয় ভট্টাচার্য, আবদুল লতিফ, জ্যোতিরিন্দ্র মৈত্রের গান দিয়ে। পাশাপাশি ছিলো লোকগান।
ছায়ানটের এই বর্ষবরণ অনুষ্ঠানটি কেবল একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানই নয়, বরং এটি বাঙালির অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও ঐতিহ্যের এক মিলনমেলা। কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে হাজারো মানুষ এই আনন্দ উৎসবে শামিল হয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানায়। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের এই উপস্থিতি প্রমাণ করে যে, শেকড়ের টানে বাঙালি সবসময়ই এক ও অবিভাজ্য।
শুদ্ধ সংগীতের মাধ্যমে অশুভকে বিনাশ করে এক নতুন সম্ভাবনার পথে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় নিয়ে শেষ হয় ছায়ানটের এবারের এই আয়োজন। সব মিলিয়ে রমনার বটমূলে সুরের ধারায় এক আনন্দঘন পরিবেশে শুরু হলো নতুন বছর।