ads

সারওয়ারকে ফের ডিসি চেয়ে শাহজালালের দানবাক্সে চিঠি

সারওয়ারকে ফের ডিসি চেয়ে শাহজালালের দানবাক্সে চিঠি
সিলেটের হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারে চলছে দানবাক্সের টাকা গণনা। ছবি: চরচা

সিলেটের হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারে ১৯ দিন পর দ্বিতীয়বারের মতো দানবাক্সের টাকা গণনা করা হয়েছে। মাজারের তিনটি বড় ডেগ ও ছোট-বড় ৫টি দানবাক্স থেকে মোট ৫ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে। এসব মিলেছে ৪৭ লাখ ১০ হাজার ১৫৩ টাকা। নগদ অর্থ ছাড়াও এবারও দানবাক্সে মিলেছে সোনা-রূপা, বিভিন্ন দেশের মুদ্রা, গবাদি পশু এবং কিছু চিরকুট ও চিঠি।

আজ শনিবার দিনভর টাকা গণনা শেষে মাজার ব্যবস্থাপনা কমিটি ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

আবু জলিল হাবিব নামে একজনের চিরকুটে সিলেটের সাবেক জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. সারোয়ার আলমকে ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়ে লেখা হয়েছে— ‘‘খোকন বাটপার সে মাজারের গরু, ছাগল, হাঁস, মোরগ বেচাকেনা করে। মাজারের খাদেমের অর্ধেকও বেশি তার ইশারায় চলে। খোকনের কারণে পূর্বের অনেক কর্মরত কর্মচারী চাকরি হারিয়ে সবজি বিক্রি করে জীবন জীবিকা চালাচ্ছেন। আমি চাই তার সঠিক বিচার হোক এবং সারোয়ার আলম ফিরে আসুক সিলেটে।’’

সাবেক জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলম মাজারের দানের টাকার স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। ৭০০ বছরের প্রথা ভেঙে তিনি মাজারের দানবাক্স সিলগালা করেন। এ নিয়ে বিতর্কের মুখে পড়েন তিনি। দানবাক্স সিলগালা বিতর্কের মধ্যে ২১ জুন সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার করা হয়। পরদিন গত ২২ জুন প্রত্যাহারাদেশ মাথায় নিয়ে দানবাক্স খোলেন তিনি। ওই দিন দানবাক্সে ১৭ লাখ ৬৫ হাজার টাকা পাওয়া যায়।

সম্পর্কিত